জামালপুরের বকশীগঞ্জে পুলিশের হস্তক্ষেপে এক রাতেই অষ্টম শ্রেণি শিক্ষার্থী ফাতেমা (১৪) ও লাভনী (১৫) নামে দুই শিক্ষার্থী বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেয়েছে।
রোববার রাতে ওসি মোস্তাছিনুর রহমান বিয়ে বাড়িতে উপসি'ত হয়ে এসব বাল্যবিয়ে বন্ধ করে দেন।
জানাগেছে, পৌর শহরের সীমারপাড় এলাকার দরিদ্র যাদু মিয়ার মেয়ে ফাতেমার সঙ্গে পাশের উত্তরবাজার এলাকার নবী হোসেনের ছেলে নজরুল ইসলামের (২২) বিয়ে ঠিক হয়। অপরদিকে নিলাক্ষিয়া ইউনিয়নের ঠাকুরপাড়া গ্রামের নাদের হোসেনের মেয়ের সঙ্গে প্রতিবেশী জানকিপুর গ্রামের ইস্্রাফিলের ছেলে ফরহাদের (২০) বিয়ে ঠিক হয়।
রোববার রাতে উভয় বর পক্ষে লোকজন কনে বাড়িতে যায়। এমন সংবাদে পুলিশ পৃথক পৃথক বাড়িতে হানা দিয়ে বাল্যবিয়ে দুইটি বন্ধ করে দেন।
রোববার রাতে ওসি মোস্তাছিনুর রহমান বিয়ে বাড়িতে উপসি'ত হয়ে এসব বাল্যবিয়ে বন্ধ করে দেন।
জানাগেছে, পৌর শহরের সীমারপাড় এলাকার দরিদ্র যাদু মিয়ার মেয়ে ফাতেমার সঙ্গে পাশের উত্তরবাজার এলাকার নবী হোসেনের ছেলে নজরুল ইসলামের (২২) বিয়ে ঠিক হয়। অপরদিকে নিলাক্ষিয়া ইউনিয়নের ঠাকুরপাড়া গ্রামের নাদের হোসেনের মেয়ের সঙ্গে প্রতিবেশী জানকিপুর গ্রামের ইস্্রাফিলের ছেলে ফরহাদের (২০) বিয়ে ঠিক হয়।
রোববার রাতে উভয় বর পক্ষে লোকজন কনে বাড়িতে যায়। এমন সংবাদে পুলিশ পৃথক পৃথক বাড়িতে হানা দিয়ে বাল্যবিয়ে দুইটি বন্ধ করে দেন।