জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে সাজ্জাদ হোসেন (১২) নামে এক হোটেল শ্রমিকের মাথার চুল ও ভ্রু কেটে নির্যাতনের অভিযোগে পুলিশ হোটেল মালিকসহ ৩জনকে আটক করেছে। শনিবার রাত আটটার দিকে ঘটনাটি ঘটে।
পুলিশ জানায়, জয়পুরহাটের আক্কেলপুর কলেজ বাজার এলাকায় মেগা হোটেল অ্যান্ড ফাস্ট ফুডে সাজ্জাদ হোসেন প্লেট ধোয়ার কাজ করত। পরে ওই হোটেল ছেড়ে পাশের খোকনের হোটেলে কাজ নেয়। শনিবার রাত আটটার দিকে সে হোটেলে কাজ শেষ করে বাড়ি ফিরছিল। এ সময় হোটেল মালিক মতিন তাকে ধরে হোটেলের ভেতরে নিয়ে যায়। এর পর মতিন তার গলায় গামছা পেঁচিয়ে আটকে ধরে। আর হোটেলের কর্মচারী রুবেল তার ভ্রু কেটে দেয়। ভ্রু কাটা শেষে রুবেল সাজ্জাদকে পাশের সেলুনে নিয়ে গিয়ে মাথার চুল কেটে ছেড়ে দেয়। এর পর সাজ্জাদ বাড়িতে গিয়ে ঘটনাটি জানালে এলাকার লোকজন এসে হোটেলে হামলার চেষ্টা করে।
শিশু সাজ্জাদ জানায়, মেগা হোটেল অ্যান্ড ও ফাস্ট ফুড নামের একটি হোটেলে সে আগে কাজ করত। সম্প্রতি ওই হোটেলের কাজ ছেড়ে দিয়ে সে অন্য একটি হোটেলে যোগ দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মেগা হোটেল অ্যান্ড ও ফাস্ট ফুডের মালিক আবদুল মতিন এবং রুবেল নামে ওই হোটেলের এক কর্মচারী তাকে মারধর করে চুল ও ভ্রু কেটে দিয়েছে।
মেগা হোটেল অ্যান্ড ফাস্ট ফুড দোকানের মালিক অভিযুক্ত আবদুল মতিন দাবি করেন, তিনি সাজ্জাদের ভ্রু ও চুল কাটেননি, সে নিজ ইচ্ছায় কেটেছে। অপর অভিযুক্ত রুবেলেরও একই দাবি।
কিন্তু শিশু সাজ্জাদের দাদী লালভানু বলেন, শুধু এবারই নয়, এর আগেও হোটেল মালিক আব্দুল মতিন একাধিকবার সাজ্জাদকে মারধর করেছেন।
আক্কেলপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আশরাফুল ইসলাম ইত্তেফাককে বলেন, শিশু সাজ্জাদের ভ্রু ও চুল কেটে দেয়ার অভিযোগে হোটেল মালিক আব্দুল মতিন ওই হোটেলের কর্মচারী রুবেল ও সেলুন শ্রমিক সুমকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
পুলিশ জানায়, জয়পুরহাটের আক্কেলপুর কলেজ বাজার এলাকায় মেগা হোটেল অ্যান্ড ফাস্ট ফুডে সাজ্জাদ হোসেন প্লেট ধোয়ার কাজ করত। পরে ওই হোটেল ছেড়ে পাশের খোকনের হোটেলে কাজ নেয়। শনিবার রাত আটটার দিকে সে হোটেলে কাজ শেষ করে বাড়ি ফিরছিল। এ সময় হোটেল মালিক মতিন তাকে ধরে হোটেলের ভেতরে নিয়ে যায়। এর পর মতিন তার গলায় গামছা পেঁচিয়ে আটকে ধরে। আর হোটেলের কর্মচারী রুবেল তার ভ্রু কেটে দেয়। ভ্রু কাটা শেষে রুবেল সাজ্জাদকে পাশের সেলুনে নিয়ে গিয়ে মাথার চুল কেটে ছেড়ে দেয়। এর পর সাজ্জাদ বাড়িতে গিয়ে ঘটনাটি জানালে এলাকার লোকজন এসে হোটেলে হামলার চেষ্টা করে।
শিশু সাজ্জাদ জানায়, মেগা হোটেল অ্যান্ড ও ফাস্ট ফুড নামের একটি হোটেলে সে আগে কাজ করত। সম্প্রতি ওই হোটেলের কাজ ছেড়ে দিয়ে সে অন্য একটি হোটেলে যোগ দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মেগা হোটেল অ্যান্ড ও ফাস্ট ফুডের মালিক আবদুল মতিন এবং রুবেল নামে ওই হোটেলের এক কর্মচারী তাকে মারধর করে চুল ও ভ্রু কেটে দিয়েছে।
মেগা হোটেল অ্যান্ড ফাস্ট ফুড দোকানের মালিক অভিযুক্ত আবদুল মতিন দাবি করেন, তিনি সাজ্জাদের ভ্রু ও চুল কাটেননি, সে নিজ ইচ্ছায় কেটেছে। অপর অভিযুক্ত রুবেলেরও একই দাবি।
কিন্তু শিশু সাজ্জাদের দাদী লালভানু বলেন, শুধু এবারই নয়, এর আগেও হোটেল মালিক আব্দুল মতিন একাধিকবার সাজ্জাদকে মারধর করেছেন।
আক্কেলপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আশরাফুল ইসলাম ইত্তেফাককে বলেন, শিশু সাজ্জাদের ভ্রু ও চুল কেটে দেয়ার অভিযোগে হোটেল মালিক আব্দুল মতিন ওই হোটেলের কর্মচারী রুবেল ও সেলুন শ্রমিক সুমকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

