বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল এখন ছুটিতে রয়েছে। তবে সাকিব আল হাসানের ছুটি শুরু হচ্ছে আগমীকাল সোমবার থেকে। সেদিন তিনি স্ত্রীকে নিয়ে রাত সাড়ে ৯টায় যুক্তরাষ্ট্রগামী বিমানে চড়বেন। আর ফিরবেন ২৬ আগস্ট।
যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার আগে আজ রবিবার এ সফর সর্ম্পকে সাকিব গণ্যমাধ্যমকে বলেন, টানা ৮ মাস সিরিজের মধ্যেই ছিল বাংলাদেশ। তাই এই অবসরটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। এ প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, দুই সপ্তাহের জন্য যাচ্ছি। ঘুরাঘুরিতে কাটবে বেশিরভাগ সময়। চেষ্টা করব ক্রিকেট থেকে যতটা দূরে থাকা যায়। সুযোগ পেলে হয়তো একটু ফুটবল খেলব। কিন্তু ক্রিকেটের আশপাশে নয়।
এই সময়ে সতীর্থ ক্রিকেটারদেরও ছুটি উপভোগ করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার। তিনি বলেন, সবার উচিত রিলাক্স মুডে পরিবারের সঙ্গে একান্তে সময় কাটানো। আমি নিশ্চিত সবাই ছুটিটা উপভোগ করছে। ফিটনেস ক্যাম্প শুরু হলে সবাই অস্ট্রেলিয়া সিরিজ নিয়ে চিন্তা করবে।
আগামী নভেম্বরের শেষ সপ্তাহের সাকিব-শিশির দম্পতির কোলজুড়ে সন্তান আসার সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে সাকিবের ছুটিতে যাওয়ার সম্ভাবনা যথেষ্ট। অবশ্য এমন প্রশ্ন শুনে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন সাকিব। তিনি বলেন, আমার ছুটি শেষ হচ্ছে ২৬ তারিখ। আমি ২৭ তারিখ থেকে অনুশীলনে ফিরব।
এদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে শেষ হওয়া সিরিজের সাফল্য আসন্ন অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশকে ভাল খেলতে সাহায্য করবে বলে মনে করছেন সাকিব। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গত কয়েকটা সিরিজ আমরা খুব ভাল ক্রিকেটের ভেতর দিয়ে গেছি। এছাড়া ২১ আগস্ট থেকে আমাদের ক্যাম্প শুরু হবে। সেখানে ভাল প্রস্তুতি নেওয়াটা জরুরি। আমাদের আবার নতুন করে শুরু করতে হবে।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়া বিন্দুমাত্র লড়াই করতে পারেনি। তাই তো আশায় বুক বাঁধছে বাংলাদেশ। তবে এমন প্রশ্নের সরাসরি কোনো উত্তর দেননি সাকিব। তিনি বলেন, এখনই বলা মুশকিল। আসলে এগুলো নিয়ে ভাবার সময় এখনো আসেনি। সবাই যার যার পরিবার নিয়েই এখন ব্যস্ত। সবাই নিজের মতো করে সময়টাকে উপভোগ করার চেষ্টা করছে। তিনি আরও যোগ করেন, আমরা আমাদের সক্ষমতা নিয়েই ভাবছি। কারা ফর্মে আছে, আর কারা নেই সেসব আমাদের ভেবে লাভ নেই। এখন আমরা প্রতিপক্ষ নিয়ে চিন্তা করি না। আমার কাছে মনে হয়, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খুব ভাল লড়াই হবে।
বাংলাদেশ দল গত কিছু দিন ধরে ওয়ানডেতে ভাল ক্রিকেট খেলছে। কিন্তু টেস্ট ক্রিকেটে সেভাবে পারছে না। কেন পারছে না এ প্রশ্নের জবাবে সাকিব বলেন, আমার মনে হয় আমরা সঠিক পথেই আছি। গত দুটি টেস্টে বৃষ্টি না হলে আমাদের জন্য ভাল সুযোগ ছিল। যেহেতু বৃষ্টির কারণে আমাদের খেলাগুলো সব ক’দিন হয়নি। সেক্ষেত্রে আমরা সঠিকভাবে জানি না, আমাদের উন্নতি ঠিক কতখানি।

