রাজধানীর মতিঝিল-দিলকুশা ও ঢাকা শহরের প্রধান সড়কসহ শাখা সড়কগুলোর বৈদ্যুতিক খুঁটি হতে আগামী ২১ আগস্ট থেকে ঝুলন্ত তার অপসারণে ডিপিডিসি ও ডেসকো সমপ্রতি যে নোটিস দিয়েছে, তা মানা কোনোভাবেই সম্ভব নয় বলে দাবি করেছেন আইএসপি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি)।
তবে ওই সময়ের মধ্যে ওসব এলাকা থেকে ঝুলন্ত তার অপসারণ ডিপিডিসি ও ডেসকোর সিদ্ধান্তকে হঠকারী বলে অভিহিত করে এ ধরনের কাজের কারণে ইন্টারনেটের মাধ্যমে পরিচালিত ব্যাংকিং ও যাবতীয় গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম বন্ধও হয়ে যাবে বলে তারা সরকারকে সর্তক করেন।
মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে এক সংবাদ সম্মেলনে আইএসপিএবির পক্ষ থেকে এক নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলার পাশাপাশি বিভিন্ন অভিযোগ উত্থাপন করেন।
তারা বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে এক মিনিটও ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে তার জন্য আমাদের সকল কার্যক্রম স্থবির হয়ে যায়, যার বিরূপ প্রভাব পড়ে দেশের সার্বিক অর্থনীতিতে।
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. ইমদাদুল হক লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।
উপস্থিত ছিলেন এম এ হাকিম, এফ এম রশিদ, মো. কামাল হোসেন, কাজী জিয়াদুল কবির, সুব্রত সরকার শুভ্র প্রমুখ।
রাজধানীর মতিঝিল-দিলকুশা ও ঢাকা শহরের প্রধান সড়কসহ শাখা সড়কসমূহের বৈদ্যুতিক খুঁটি হতে আগামী ২১ আগস্ট থেকে ঝুলন্ত তার অপসারণের জন্য ডিপিডিসি ও ডেসকো সমপ্রতি যে নোটিশ দিয়েছে, সে বিষয়ে আইএসপিএবির অবস্থান জানাতে এক সংবাদ সম্মেলন করে।
সংবাদ সম্মেলনে আইএসপিএবির পক্ষ থেকে বলা হয় মতিঝিল ও দিলকুশা এলাকা বাংলাদেশের প্রধান বাণিজ্যিক এলাকা যেখান থেকে বাংলাদেশের সকল বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে। বহির্বিশ্বের সাথে বাণিজ্যিক কার্যক্রম এই এলাকা থেকেই পরিচালনা করা হয়।
এ কারণে আইএসপিএবির নেতৃবৃন্দ বলেন, ডিপিডিসি ও ডেসকোর এই হঠকারী সিদ্ধান্তর কারণে ইন্টারনেটের মাধ্যমে পরিচালিত ব্যাংকিং ও যাবতীয় কার্যক্রম বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

