রাসুলুল্লাহ (সা.) এরশাদ করেন, বান্দা যখন অজু করে এবং মুখ ধৌত করে, তখন মুখের যাবতীয় গোনাহ অজুর পানির সঙ্গে ধুয়ে যায়। ডান হাত, বাঁ হাত, এভাবে যে অঙ্গই ধৌত করবে, সেই অঙ্গের সগিরা গোনাহ ধুয়ে যায়। (মুসলিম : ৩৬০)।
অজুতে মুখ ধোয়ার সময় এ খেয়াল করতে হবে, রাসুলুল্লাহ (সা.) এর সুসংবাদ অনুযায়ী আমার মুখের যত গোনাহ আছে, সব ধুয়ে যাচ্ছে। হাত ধোয়া, মাথা মাসাহ করা এবং পা ধোয়ার সময়ও এমনটি খেয়াল করবে। এমনটি খেয়াল করে অজু করে দেখুন, ভালো লাগবে। খেয়ালহীন অজুর চেয়ে অবশ্যই হাজারগুণে ভালো লাগবে।
অজুর মাঝে দোয়াগুলো পাঠ করুন। একটু খেয়ালের সঙ্গে সব আদব ও সুন্নতের প্রতি খেয়াল রেখে অজু করুন। কেবলা দিকে বসুন। প্রত্যেক অঙ্গ তিনবার করে ধৌত করুন। সুন্দর করে ধৌত করুন। অজুর মাঝে যেসব মাসনুন দোয়া আছে, সেগুলো পড়ুন। যেমন-
'আল্লাহুম্মাগফিরলি জাম্বি, ওয়া ওয়াচ্ছি-লি ফি দারি, ওয়া বা-রিক-লি ফি-মা রজাক-তানি।' (তিরমিজি : ৩৪২২)।
এর সঙ্গে কালেমায়ে শাহাদাতও মাঝেমধ্যে পড়বেন। আর অজু শেষ করে নিম্নের দোয়াটি পড়ুন, 'আল্লাহুম্মাজ-আলনি মিনাত-তাওয়া-বিন, ওয়াজ-আলনি মিনাল-মুতা-তহ-হিরিন।' (তিরমিজি : ৫০)।
এসব আদব ও সুন্নতের প্রতি খেয়াল করে অজু করুন, তাহলে অজুর পানির সঙ্গে শরীরের সব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সগিরা গোনাহ ধুয়ে যাবে।
অজুতে মুখ ধোয়ার সময় এ খেয়াল করতে হবে, রাসুলুল্লাহ (সা.) এর সুসংবাদ অনুযায়ী আমার মুখের যত গোনাহ আছে, সব ধুয়ে যাচ্ছে। হাত ধোয়া, মাথা মাসাহ করা এবং পা ধোয়ার সময়ও এমনটি খেয়াল করবে। এমনটি খেয়াল করে অজু করে দেখুন, ভালো লাগবে। খেয়ালহীন অজুর চেয়ে অবশ্যই হাজারগুণে ভালো লাগবে।
অজুর মাঝে দোয়াগুলো পাঠ করুন। একটু খেয়ালের সঙ্গে সব আদব ও সুন্নতের প্রতি খেয়াল রেখে অজু করুন। কেবলা দিকে বসুন। প্রত্যেক অঙ্গ তিনবার করে ধৌত করুন। সুন্দর করে ধৌত করুন। অজুর মাঝে যেসব মাসনুন দোয়া আছে, সেগুলো পড়ুন। যেমন-
'আল্লাহুম্মাগফিরলি জাম্বি, ওয়া ওয়াচ্ছি-লি ফি দারি, ওয়া বা-রিক-লি ফি-মা রজাক-তানি।' (তিরমিজি : ৩৪২২)।
এর সঙ্গে কালেমায়ে শাহাদাতও মাঝেমধ্যে পড়বেন। আর অজু শেষ করে নিম্নের দোয়াটি পড়ুন, 'আল্লাহুম্মাজ-আলনি মিনাত-তাওয়া-বিন, ওয়াজ-আলনি মিনাল-মুতা-তহ-হিরিন।' (তিরমিজি : ৫০)।
এসব আদব ও সুন্নতের প্রতি খেয়াল করে অজু করুন, তাহলে অজুর পানির সঙ্গে শরীরের সব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সগিরা গোনাহ ধুয়ে যাবে।
