সাইবার অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে ১৫ হাজার ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে চীনের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী। সম্প্রতি এক বিবৃতিতে ‘অপারেশান ক্লিন ইন্টারনেট’ অভিযানের অংশ হিসেবে ১৫ হাজার ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের খবর জানিয়েছে দেশটির জননিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রণালয়। এক খবরে এ তথ্য জানিয়েছে সিএনএন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাইবার অপরাধী চক্রগুলোর দৌরাত্ব ঠেকাতে এবং সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে চীনে ‘অপারেশান ক্লিন ইন্টারনেট’ অভিযান শুরু হয়েছে চলতি বছরের জুলাই মাসে। ছয় মাস চলবে এই অভিযান। চলতি অভিযানের অংশ হিসেবে ৭ হাজার ৪০০ মামলার তদন্ত করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। এসব মামলার বেশির ভাগই হ্যাকিং, ব্যাক্তিগত ও আর্থিক ডেটা চুরি সংশ্লিষ্ট। চীন সরকারের পক্ষ থেকে ১০টি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। এর মধ্যে আছে দেশটির টেলিকম প্রতিষ্ঠানগুলোর উপর সাইবার আক্রমণের অভিযোগ, স্প্যাম টেক্সটের মাধ্যমে আর্থিক লেনদেনের ডেটা চুরি এবং ভুয়া অনলাইন ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যাটফর্ম সম্পর্কিত মামলা।
ইন্টারনেটের উপর চীন সরকারের কঠোর নিয়ন্ত্রণ নতুন কিছু নয়। ইন্টারনেটের মাধ্যমে সরকার বিরোধী কনটেন্টে ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে সব সময়ই তৎপর চীন সরকার। প্রয়োজনে ফেসবুক আর গুগলের মতো পশ্চিমা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম আর ইন্টারনেটভিত্তিক সেবাগুলো ব্লক করে দেয়ার ঘটনাও ঘটে অহরহ। সরকার বিরোধী মন্তব্য করা ঠেকাতে ব্লগারদের সরকারি নিবন্ধন এবং অনলাইনে নিজের আসল নাম ব্যবহারও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে দেশটিতে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাইবার অপরাধী চক্রগুলোর দৌরাত্ব ঠেকাতে এবং সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে চীনে ‘অপারেশান ক্লিন ইন্টারনেট’ অভিযান শুরু হয়েছে চলতি বছরের জুলাই মাসে। ছয় মাস চলবে এই অভিযান। চলতি অভিযানের অংশ হিসেবে ৭ হাজার ৪০০ মামলার তদন্ত করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। এসব মামলার বেশির ভাগই হ্যাকিং, ব্যাক্তিগত ও আর্থিক ডেটা চুরি সংশ্লিষ্ট। চীন সরকারের পক্ষ থেকে ১০টি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। এর মধ্যে আছে দেশটির টেলিকম প্রতিষ্ঠানগুলোর উপর সাইবার আক্রমণের অভিযোগ, স্প্যাম টেক্সটের মাধ্যমে আর্থিক লেনদেনের ডেটা চুরি এবং ভুয়া অনলাইন ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যাটফর্ম সম্পর্কিত মামলা।
ইন্টারনেটের উপর চীন সরকারের কঠোর নিয়ন্ত্রণ নতুন কিছু নয়। ইন্টারনেটের মাধ্যমে সরকার বিরোধী কনটেন্টে ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে সব সময়ই তৎপর চীন সরকার। প্রয়োজনে ফেসবুক আর গুগলের মতো পশ্চিমা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম আর ইন্টারনেটভিত্তিক সেবাগুলো ব্লক করে দেয়ার ঘটনাও ঘটে অহরহ। সরকার বিরোধী মন্তব্য করা ঠেকাতে ব্লগারদের সরকারি নিবন্ধন এবং অনলাইনে নিজের আসল নাম ব্যবহারও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে দেশটিতে।

