৩ কাজীর দৌরাত্মে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে বকশীগঞ্জ উপজেলার কাজীরা । ফলে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বিপাকে পড়েছেন তারা। এনিয়ে বকশীগঞ্জ উপজেলার কাজীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
গত রোববার বকশীগঞ্জ উপজেলার ইসলামিক ফাউন্ডেশনের রিসোর্স সেন্টারে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে কাজী ও ইমামদের ওয়ার্কশপে উপসি'ত কাজী ও ইমামরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
বাল্যবিবাহ বন্ধে কাজীদের ভূমিকা নিয়ে ওই ওয়ার্কশপে বক্তব্যকালে বকশীগঞ্জ কাজী সমিতির সভাপতি খন্দকার মাওলানা নুরুল ইসলাম বলেন বাল্যবিয়ে ঠেকাতে হলে কতিপয় সুবিধাবাদী কাজী (নিকাহ রেজিস্ট্রার) এর দৌরাত্ম বন্ধ করতে হবে।
জানা গেছে, গত দুই মাসে অন্তত ১৫ টি বাল্যবিয়ে বন্ধ করা হয়েছে। এর পেছনে পুলিশের ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয়। কাজীদের সহযোগিতায় পুলিশের চেষ্টায় এসব শিশু বিবাহ বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে। কিন' বকশীগঞ্জ উপজেলার মেরুরচর ইউনিয়নের কাজী আবুল কারাম আজাদ, শ্রীবরদী উপজেলার শামীমুর রহমান শামীম কাজী, আবু হানিফ কাজীর অপকৌশলের কারণে অনেক বাল্যবিয়েই বন্ধ করা যাচ্ছে না।
বকশীগঞ্জ উপজেলার যেসব বাল্যবিয়ে পুলিশ কর্তৃক বন্ধ হচ্ছে সেসব বাল্যবিয়ে শ্রীবরদীর কাজী শামীম ও আবু হানিফ সম্পন্ন করছেন বলে অভিযোগ করা হয়। শুধু তাই নয় এসব কাজীরা বিয়ের নাম করে হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা। বাল্যবিয়ে বন্ধ হলে এখন আর চিন্তা করতে হয়না অভিভাবকদের কারণ বকশীগঞ্জে বাল্যবিয়ে বন্ধ হলেই শ্রীবরদীর অর্থলোভী কাজীরা বাল্যবিয়ে সম্পন্ন করে দিচ্ছেন। এসব কাজীদের বিরুদ্ধে ভূয়া কাবিননামা সরবরাহেরও অভিযোগ বিস্তর। ইতোমধ্যে ভূয়া কাবিননামা সরবরাহের অভিযোগে বকশীগঞ্জ উপজেলার মেরুর চর ইউনিয়নের কাজী আবুল কালাম আজাদ ও শ্রীবরদীর কাজী শামীমুর রহমানের বিরুদ্ধে জামালপুর আদালতে একটি প্রতারণা মামলা দায়ের হয়েছে। এখনই ওইসব কাজীদের বিরুদ্ধে ব্যবস'া না নিলে বাল্যবিয়ে বন্ধে পুলিশের কার্যক্রম শতভাগ সফল হবে না।
ওই ওয়ার্কশপে এসব অর্থলোভী কাজীদের বিরুদ্ধে ব্যবস'া নিতে জামালপুর জেলা পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।
গত রোববার বকশীগঞ্জ উপজেলার ইসলামিক ফাউন্ডেশনের রিসোর্স সেন্টারে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে কাজী ও ইমামদের ওয়ার্কশপে উপসি'ত কাজী ও ইমামরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
বাল্যবিবাহ বন্ধে কাজীদের ভূমিকা নিয়ে ওই ওয়ার্কশপে বক্তব্যকালে বকশীগঞ্জ কাজী সমিতির সভাপতি খন্দকার মাওলানা নুরুল ইসলাম বলেন বাল্যবিয়ে ঠেকাতে হলে কতিপয় সুবিধাবাদী কাজী (নিকাহ রেজিস্ট্রার) এর দৌরাত্ম বন্ধ করতে হবে।
জানা গেছে, গত দুই মাসে অন্তত ১৫ টি বাল্যবিয়ে বন্ধ করা হয়েছে। এর পেছনে পুলিশের ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয়। কাজীদের সহযোগিতায় পুলিশের চেষ্টায় এসব শিশু বিবাহ বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে। কিন' বকশীগঞ্জ উপজেলার মেরুরচর ইউনিয়নের কাজী আবুল কারাম আজাদ, শ্রীবরদী উপজেলার শামীমুর রহমান শামীম কাজী, আবু হানিফ কাজীর অপকৌশলের কারণে অনেক বাল্যবিয়েই বন্ধ করা যাচ্ছে না।
বকশীগঞ্জ উপজেলার যেসব বাল্যবিয়ে পুলিশ কর্তৃক বন্ধ হচ্ছে সেসব বাল্যবিয়ে শ্রীবরদীর কাজী শামীম ও আবু হানিফ সম্পন্ন করছেন বলে অভিযোগ করা হয়। শুধু তাই নয় এসব কাজীরা বিয়ের নাম করে হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা। বাল্যবিয়ে বন্ধ হলে এখন আর চিন্তা করতে হয়না অভিভাবকদের কারণ বকশীগঞ্জে বাল্যবিয়ে বন্ধ হলেই শ্রীবরদীর অর্থলোভী কাজীরা বাল্যবিয়ে সম্পন্ন করে দিচ্ছেন। এসব কাজীদের বিরুদ্ধে ভূয়া কাবিননামা সরবরাহেরও অভিযোগ বিস্তর। ইতোমধ্যে ভূয়া কাবিননামা সরবরাহের অভিযোগে বকশীগঞ্জ উপজেলার মেরুর চর ইউনিয়নের কাজী আবুল কালাম আজাদ ও শ্রীবরদীর কাজী শামীমুর রহমানের বিরুদ্ধে জামালপুর আদালতে একটি প্রতারণা মামলা দায়ের হয়েছে। এখনই ওইসব কাজীদের বিরুদ্ধে ব্যবস'া না নিলে বাল্যবিয়ে বন্ধে পুলিশের কার্যক্রম শতভাগ সফল হবে না।
ওই ওয়ার্কশপে এসব অর্থলোভী কাজীদের বিরুদ্ধে ব্যবস'া নিতে জামালপুর জেলা পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।