চীনের তিব্বত এলাকার অধিবাসীদের রয়েছে নিজস্ব সমৃদ্ধ সংস্কৃতি। কিন্তু বিদেশে বসবাসকারী তিব্বতিদের নিজস্ব সংস্কৃতি বিকাশ নিয়ে নানা সমস্যায় পড়তে হয়। আর তাদের এ সমস্যা মেটাতে এগিয়ে এসেছে একটি অ্যাপ। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইমস।
শো (Sho) নামে অ্যাপটি তিব্বতীয়দের মধ্যে যোগাযোগে যেমন সহায়তা করছে তেমন তাদের ভাষা ও সংস্কৃতি বিকাশেও ভূমিকা রাখছে।
শো অ্যাপটির মাধ্যমে তিব্বতীয়রা যেমন ভাষা শিখতে পারছে তেমন তাদের ভাষার খেলা ও সংগীতেরও চর্চা করতে পারছে। অ্যাপটি ২০১৩ সালে উদ্বোধন করা হয়।
আরেকটি অ্যাপের নাম হলো তিব্বতিয়ান কিড (Tibetan Kid)। জুলাই মাসে এ অ্যাপটি উদ্বোধন করা হয়। এটি শিশুদের ইন্টারঅ্যাকটিভ গেমের মাধ্যমে শিশুদের শেখায়। এ ছাড়া রয়েছে অ্যানিমেশন, সংগীত ও অন্যান্য মাল্টিমিডিয়ার সমাহার। শুধু শিশুরাই নয়, এর মাধ্যমে বড়রাও উপকৃত হচ্ছে।
৩৩ বছর বয়সী তিব্বতি লুনধাপ ভারতের হিমাচল প্রদেশে বসবাস করেন। কিন্তু স্মার্টফোন অ্যাপটি ব্যবহারে তিনি তার তিব্বতীয় সংস্কৃতির অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে সক্ষম হচ্ছেন।
তিনি বলেন, ''এটা একটু আশ্চর্যজনক মনে হতে পারে। কিন্তু আমি আমার পিতামহদের সঙ্গে এর মাধ্যমে যোগাযোগ রাখতে পারছি। এতে তারা তিব্বতেই বসবাস করছেন।''
শো (Sho) নামে অ্যাপটি তিব্বতীয়দের মধ্যে যোগাযোগে যেমন সহায়তা করছে তেমন তাদের ভাষা ও সংস্কৃতি বিকাশেও ভূমিকা রাখছে।
শো অ্যাপটির মাধ্যমে তিব্বতীয়রা যেমন ভাষা শিখতে পারছে তেমন তাদের ভাষার খেলা ও সংগীতেরও চর্চা করতে পারছে। অ্যাপটি ২০১৩ সালে উদ্বোধন করা হয়।
আরেকটি অ্যাপের নাম হলো তিব্বতিয়ান কিড (Tibetan Kid)। জুলাই মাসে এ অ্যাপটি উদ্বোধন করা হয়। এটি শিশুদের ইন্টারঅ্যাকটিভ গেমের মাধ্যমে শিশুদের শেখায়। এ ছাড়া রয়েছে অ্যানিমেশন, সংগীত ও অন্যান্য মাল্টিমিডিয়ার সমাহার। শুধু শিশুরাই নয়, এর মাধ্যমে বড়রাও উপকৃত হচ্ছে।
৩৩ বছর বয়সী তিব্বতি লুনধাপ ভারতের হিমাচল প্রদেশে বসবাস করেন। কিন্তু স্মার্টফোন অ্যাপটি ব্যবহারে তিনি তার তিব্বতীয় সংস্কৃতির অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে সক্ষম হচ্ছেন।
তিনি বলেন, ''এটা একটু আশ্চর্যজনক মনে হতে পারে। কিন্তু আমি আমার পিতামহদের সঙ্গে এর মাধ্যমে যোগাযোগ রাখতে পারছি। এতে তারা তিব্বতেই বসবাস করছেন।''

