সকালের নাস্তা থেকে রাতের খাবারে বাঙালির পছন্দের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে নানা পদের খিচুড়ি। হতে পারে হালকা থেকে জমাটি, সব রকমের খিচুড়িতেই মজে রসনা বিলাসি বাঙালি।
বজরার খিচুড়ি
সারারাত বজরা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এরপর সকালে পানি ঝরিয়ে বজরা আর ছোলার ডাল সিদ্ধ করুন প্রেসার কুকারে। রান্না হয়ে গেলে সরিয়ে রাখুন বজরা আর ছোলার মিশ্রণ। এ বার কড়াইয়ে পরিমাণমত ঘি গরম করে নিন। তাতে এক চামচ জিরে গুঁড়ো ভাল করে ভাজুন। হাফ চামচ হিং দিয়ে কয়েক সেকেন্ডের জন্য ভাল করে নাড়িয়ে নিন। তাতে হলুদ দিয়ে করে অল্প আঁচে খানিক্ষণ ধরে পুরো মিশ্রণটা নাড়ান। তারপর রান্না করা বজরা, ছোলার ডাল ও প্রয়োজন মতো লবন যোগ করুন। রান্না শেষে খিচুড়ির উপর সামান্য ঘি ছড়িয়ে নিন। এ বার পাঁপড় দিয়ে পরিবেশন করুন।
২০০ গ্রামের মতো গম, চানার ডাল সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর পরিমাণ মতো লবন দিয়ে গম ও চানার ডাল ভাল করে ফুটিয়ে নিন। লক্ষ রাখতে হবে গম যেন একেবারে নরম না হয়ে যায়। এর পর কড়াইয়ে এক চামচ ঘি ও সামান্য সাদা তেল গরম করে তাতে কাঁচা মরিচ ও জিরে গুঁড়ো দিন। ভাল করে ভাজা হয়ে গেলে হিং ও হলুদ যোগ করুন। এ বার অল্প আঁচে ভাল করে কষে নিন পুরো মিশ্রণটি। কষা হয়ে গেলে রান্না-করা গম ও চানার ডাল যোগ করুন। ফের ভাল করে রান্না করুন। হয়ে গেলে গরম গরম খিচুড়ি পরিবেশন করুন। সঙ্গে দিতে পারেন মশলাদার ঢেড়শ।
সাবু দানার খিচুড়ি
২৫ গ্রামের মতো চিনেবাদাম ভেজে গুঁড়িয়ে রাখুন। ১০০ গ্রাম সাবু ভাল করে ধুয়ে, ঘণ্টা দুয়েক পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। ৫০ গ্রামের মতো আলু চৌকো চৌকো করে কেটে, মাঝারি সেদ্ধ করুন। সাদা তেলে কাঁচা মরিচ ও কারি পাতা ভাল করে কষে নিন। এরপর সাবু, চিনাবাদাম, পরিমাণ মতো চিনি ও লবন দিয়ে রান্নার পাত্রটিকে ঢেকে রাখুন। খানিক বাদে আলু ও লেবুর রস দিয়ে পুরোটা ভাল করে নাড়িয়ে নিন। এরপর অল্প আঁচে রান্না করতে থাকুন। শেষে ধনে পাতা থেঁতো করে ছড়িয়ে দিন খিচুড়ির উপর।

