ডাঃ জি এম ক্যাপ্টেন, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি ঃ
প্রয়োজনীয় ডাক্তার ক্রটিপূর্ণযন্ত্রপাতি শয্যা ও নার্স সংকটের কারনে উলিপুর উপজেলা স্বাস'্য কমপে-ক্সে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে। ফলে সুচিকিৎসা থেকে সাধারণ মানুষ ব্যহত হচ্ছে। জানা গেছে, একটি পৌরসভাসহ ১৩টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এই উপজেলার প্রায় সাড়ে ৫লাখ মানুষের স্বাস'্য সেবার জন্য ৫০ শয্যা বিশিষ্ট স্বস'্য কমপ্লেক্সেটি ২৭ জন মেডিকেল অফিসারের স'লে ১২জন ডাক্তার রোগী সেবা দিচ্ছেন। এর মধ্যে উপজেলা স্বাস'্য ও প. প. কর্মকর্তা ডা. অজয় কুমার রায় সার্বক্ষণিক ব্যস- থাকের আফিসিয়াল কাজে। অপর ১১ জনের মধ্যে ২ জন ডেপুটেশনে জেলা স্বাস'্য কমপ্লেক্সে কাজ করছেন। ১ জন এ্যানেসথেশিয়ান দায়িত্বে থাকেন। আর ৮ জন মেডিকেল অফিসার থাকলেও কার্যত ডাক্তার মাত্র ৪জন। ডাক্তার সংকটের দীর্ঘদিনের হলেও গোটা চিকিৎসা সেবা নির্ভর করছে ডা. রফিকুল ইসলাম সরদার, ডা. তানভীর আহমেদ, ডা. সঙ্কর বাবু ও ডা. নাসরিন বেবীর উপর। অন্যদিকে প্রতি মাসে বৃদ্ধি পাচ্ছে রোগীর সংখ্যা। গত প্রায় ৮ বছর ধরে হাসপাতালের ডিএসএফ প্রোগ্রাম চালু থাকলেও মহিলা কনসালটেন্ট (গাইনী) চিকিৎসকের অভাবে উক্ত প্রোগ্রামটি কর্তমান অচলাবস'ার সৃষ্টি হয়েছে। অন্যদিকে লাখ টাকা মূল্যের উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন এক্সে-রে মেশিনটি দীর্ঘদিন থেকে বিকল হয়ে পড়ে থাকায় দায়িত্বপ্রাপ্ত মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ডেপুটেশনে অন্যত্রে কাজ করছেন। ফলে রেডিওগ্রাফর ও ল্যাব এসিস্টেন্টর ২টি পদই দীর্ঘদিন থেকে শূণ্য। শুধুমাত্র ল্যাবরেটারিতে মেশিন থাকলেও দক্ষ জনবলেন অভাবে ও যান্ত্রিক ত্রুটির কারনে সুফল পাচ্ছে না রোগীরা মেডিকেল ১জন ফার্মাসিস্ট জরুরি বলে সংশি-ক্ট-কমপে-ক্সের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন। পাশাপাশি অন্যান্য জনবল সংকটও রয়েছে। সাড়ে ৫লাখ লোক অধ্যুষিত এ উপজেলা স্বাস'্য কমপ্লেক্সে ৩টি অ্যাম্বুলেন্স আকেজো অবস'ায় পড়ে আছে। ৪জন ওয়ার্ড বয়ের স'লে ২জন , এমএলএলএস ৪ জন স'লে ২ জন, ৫জন সুইপারের মধ্যে ৩জন থাকলেও কর্মরত ২জন । এছাড়া নার্স সুপারভাইজার পর দীর্ঘদিন থেতে শূণ্য। সবমিলে উপজেলা স্বাস'্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবা সনে-াষজনক নয়। তাই প্রায় গুরুত্বর অসুস'্য রোগীরা চিকিৎসার জন্য অপেক্ষায় থাকার পর কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে ও প্রাইভেট ক্লিনকগুলোতে ভিড় জমাচ্ছে।
প্রয়োজনীয় ডাক্তার ক্রটিপূর্ণযন্ত্রপাতি শয্যা ও নার্স সংকটের কারনে উলিপুর উপজেলা স্বাস'্য কমপে-ক্সে চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে। ফলে সুচিকিৎসা থেকে সাধারণ মানুষ ব্যহত হচ্ছে। জানা গেছে, একটি পৌরসভাসহ ১৩টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এই উপজেলার প্রায় সাড়ে ৫লাখ মানুষের স্বাস'্য সেবার জন্য ৫০ শয্যা বিশিষ্ট স্বস'্য কমপ্লেক্সেটি ২৭ জন মেডিকেল অফিসারের স'লে ১২জন ডাক্তার রোগী সেবা দিচ্ছেন। এর মধ্যে উপজেলা স্বাস'্য ও প. প. কর্মকর্তা ডা. অজয় কুমার রায় সার্বক্ষণিক ব্যস- থাকের আফিসিয়াল কাজে। অপর ১১ জনের মধ্যে ২ জন ডেপুটেশনে জেলা স্বাস'্য কমপ্লেক্সে কাজ করছেন। ১ জন এ্যানেসথেশিয়ান দায়িত্বে থাকেন। আর ৮ জন মেডিকেল অফিসার থাকলেও কার্যত ডাক্তার মাত্র ৪জন। ডাক্তার সংকটের দীর্ঘদিনের হলেও গোটা চিকিৎসা সেবা নির্ভর করছে ডা. রফিকুল ইসলাম সরদার, ডা. তানভীর আহমেদ, ডা. সঙ্কর বাবু ও ডা. নাসরিন বেবীর উপর। অন্যদিকে প্রতি মাসে বৃদ্ধি পাচ্ছে রোগীর সংখ্যা। গত প্রায় ৮ বছর ধরে হাসপাতালের ডিএসএফ প্রোগ্রাম চালু থাকলেও মহিলা কনসালটেন্ট (গাইনী) চিকিৎসকের অভাবে উক্ত প্রোগ্রামটি কর্তমান অচলাবস'ার সৃষ্টি হয়েছে। অন্যদিকে লাখ টাকা মূল্যের উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন এক্সে-রে মেশিনটি দীর্ঘদিন থেকে বিকল হয়ে পড়ে থাকায় দায়িত্বপ্রাপ্ত মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ডেপুটেশনে অন্যত্রে কাজ করছেন। ফলে রেডিওগ্রাফর ও ল্যাব এসিস্টেন্টর ২টি পদই দীর্ঘদিন থেকে শূণ্য। শুধুমাত্র ল্যাবরেটারিতে মেশিন থাকলেও দক্ষ জনবলেন অভাবে ও যান্ত্রিক ত্রুটির কারনে সুফল পাচ্ছে না রোগীরা মেডিকেল ১জন ফার্মাসিস্ট জরুরি বলে সংশি-ক্ট-কমপে-ক্সের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন। পাশাপাশি অন্যান্য জনবল সংকটও রয়েছে। সাড়ে ৫লাখ লোক অধ্যুষিত এ উপজেলা স্বাস'্য কমপ্লেক্সে ৩টি অ্যাম্বুলেন্স আকেজো অবস'ায় পড়ে আছে। ৪জন ওয়ার্ড বয়ের স'লে ২জন , এমএলএলএস ৪ জন স'লে ২ জন, ৫জন সুইপারের মধ্যে ৩জন থাকলেও কর্মরত ২জন । এছাড়া নার্স সুপারভাইজার পর দীর্ঘদিন থেতে শূণ্য। সবমিলে উপজেলা স্বাস'্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবা সনে-াষজনক নয়। তাই প্রায় গুরুত্বর অসুস'্য রোগীরা চিকিৎসার জন্য অপেক্ষায় থাকার পর কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে ও প্রাইভেট ক্লিনকগুলোতে ভিড় জমাচ্ছে।
