বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম বলেছেন, বাংলাদেশকে আবারো সোনালী আঁশের দেশ হিসেবে পরিচিত করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার পাটের হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে। এজন্য পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন- ২০১০ সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। মঙ্গলবার পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন-২০১০ এর সুষ্ঠু বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ট্রাক ও কার্ভাড ভ্যান মালিক সমিতি এবং ট্রাক এজেন্সি সমিতির সাথে অনুষ্ঠিত সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন -২০১০ এর সুষ্ঠু বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ট্রাক ও কার্ভাড ভ্যান মালিক সমিতি এবং ট্রাক এজেন্সি সমিতির সাথে মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে এ সভার আয়োজন করে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়। অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সোনালী আঁশ পাটের উৎপাদন এবং এর বহুমুখী ব্যবহারকে উৎসাহিত ও জনপ্রিয় করতে ৬টি পণ্যের পাটজাত মোড়কের ব্যবহার নিশ্চিতকরণের পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশবিরোধী প্লাস্টিক-পলিথিন ব্যবহার বন্ধে ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধিসহ এই আইন সফল করতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সাথে সাথে সরকারি বেসরকারি সংগঠনের অব্যাহত সহযোগিতা দরকার ।
বস্ত্র ও পাটপ্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম পাটের অতীত গৌরবের বিবরণ দিয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর একান্ত আগ্রহেই আবার আমরা সোনালি আঁশের সুদিন এবং এর বহুমুখী ব্যবহার এমনভাবেই ফিরিয়ে আনবো যাতে জনগণ পাট উৎপাদনে আগ্রহী হয়। তিনি বর্তমানে দেশে পাট ও বস্ত্রের সংমিশ্রণে উন্নতমানের শার্ট ও প্যান্টপিচসহ জিন্সকাপড় উৎপাদনের কথা উল্লেখ করে পণ্যের মোড়কে স্বাস্থ্যহানিকর পলিথিন ও প্লাস্টিকব্যাগ বর্জনে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
সভায় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ে সচিব ফরিদ উদ্দিন আহম্মদ চৌধুরী, অতিরিক্ত সচিব ড. মো: নজরুল আনোয়ার, মো মেসবাহুল ইসলাম সহ বাংলাদেশ ট্রাক ও কার্ভাড ভ্যান মালিক সমিতি এবং ট্রাক এজেন্সি সমিতির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন ।
পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন -২০১০ এর সুষ্ঠু বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ট্রাক ও কার্ভাড ভ্যান মালিক সমিতি এবং ট্রাক এজেন্সি সমিতির সাথে মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে এ সভার আয়োজন করে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়। অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সোনালী আঁশ পাটের উৎপাদন এবং এর বহুমুখী ব্যবহারকে উৎসাহিত ও জনপ্রিয় করতে ৬টি পণ্যের পাটজাত মোড়কের ব্যবহার নিশ্চিতকরণের পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশবিরোধী প্লাস্টিক-পলিথিন ব্যবহার বন্ধে ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধিসহ এই আইন সফল করতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সাথে সাথে সরকারি বেসরকারি সংগঠনের অব্যাহত সহযোগিতা দরকার ।
বস্ত্র ও পাটপ্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম পাটের অতীত গৌরবের বিবরণ দিয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর একান্ত আগ্রহেই আবার আমরা সোনালি আঁশের সুদিন এবং এর বহুমুখী ব্যবহার এমনভাবেই ফিরিয়ে আনবো যাতে জনগণ পাট উৎপাদনে আগ্রহী হয়। তিনি বর্তমানে দেশে পাট ও বস্ত্রের সংমিশ্রণে উন্নতমানের শার্ট ও প্যান্টপিচসহ জিন্সকাপড় উৎপাদনের কথা উল্লেখ করে পণ্যের মোড়কে স্বাস্থ্যহানিকর পলিথিন ও প্লাস্টিকব্যাগ বর্জনে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
সভায় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ে সচিব ফরিদ উদ্দিন আহম্মদ চৌধুরী, অতিরিক্ত সচিব ড. মো: নজরুল আনোয়ার, মো মেসবাহুল ইসলাম সহ বাংলাদেশ ট্রাক ও কার্ভাড ভ্যান মালিক সমিতি এবং ট্রাক এজেন্সি সমিতির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন ।

