শুভ্র মেহেদী , জামালপুর থেকেঃ
জামালপুরে বাল্য বিয়ে বন্ধ করে দিয়ে বিয়ের আসর থেকে বরকে আটক করেছে পুলিশ। পরে বাল্য বিয়ে করতে যাওয়ার অপরাধে বর রিপন মিয়াকে এক হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৭ দিনের কারাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। সোমবার রাত সাড়ে ১০টায় সদর উপজেলার রশিদপুর ইউনিয়নের মিকিরপুর গ্রামের এঘটনা ঘটে।
জানা যায়, সদর উপজেলার রশিদপুর ইউনিয়নের মিকিরপুর গ্রামের ময়নাল হকের মেয়ে জেসমিন আক্তারের(১৬) সাথে একই ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের জব্বার আলীর ছেলে রিপন মিয়ার(২১) বিয়ে ঠিক হয়। বিয়ের ধার্য তারিখ অনুযায়ী সোমবার রাতে বিয়ের আয়োজন চলছিলো। এ সময় বাল্য বিয়ে হচ্ছে এমন খবর পেয়ে নারায়নপুর তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ওই বিয়ে বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বাল্য বিয়ে বন্ধ করে দেয় এবং বিয়ের আসর থেকে বর রিপন মিয়াকে আটক করে। পরে ভ্রাম্যমান আদালতে হাজির করা হলে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় রিপন মিয়াকে এক হাজার টাকা জরিমান অনাদায়ে ৭ দিনের কারাদন্ড দেয় ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ গোলাম কিবরিয়া। এ সময় ভুল স্বীকার করে মুচলেকাসহ জরিমানা পরিশোধ করায় বর রিপন মিয়াকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
নারায়নপুর তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মুহাম্মদ মহব্বত কবীর ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।
জামালপুরে বাল্য বিয়ে বন্ধ করে দিয়ে বিয়ের আসর থেকে বরকে আটক করেছে পুলিশ। পরে বাল্য বিয়ে করতে যাওয়ার অপরাধে বর রিপন মিয়াকে এক হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৭ দিনের কারাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। সোমবার রাত সাড়ে ১০টায় সদর উপজেলার রশিদপুর ইউনিয়নের মিকিরপুর গ্রামের এঘটনা ঘটে।
জানা যায়, সদর উপজেলার রশিদপুর ইউনিয়নের মিকিরপুর গ্রামের ময়নাল হকের মেয়ে জেসমিন আক্তারের(১৬) সাথে একই ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের জব্বার আলীর ছেলে রিপন মিয়ার(২১) বিয়ে ঠিক হয়। বিয়ের ধার্য তারিখ অনুযায়ী সোমবার রাতে বিয়ের আয়োজন চলছিলো। এ সময় বাল্য বিয়ে হচ্ছে এমন খবর পেয়ে নারায়নপুর তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ওই বিয়ে বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বাল্য বিয়ে বন্ধ করে দেয় এবং বিয়ের আসর থেকে বর রিপন মিয়াকে আটক করে। পরে ভ্রাম্যমান আদালতে হাজির করা হলে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় রিপন মিয়াকে এক হাজার টাকা জরিমান অনাদায়ে ৭ দিনের কারাদন্ড দেয় ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ গোলাম কিবরিয়া। এ সময় ভুল স্বীকার করে মুচলেকাসহ জরিমানা পরিশোধ করায় বর রিপন মিয়াকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
নারায়নপুর তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মুহাম্মদ মহব্বত কবীর ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।
