বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক
প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব ড. এম আসলাম আলমের সঙ্গে বেসিস সভাপতি শামীম
আহসানের নেতৃত্বে বেসিস প্রতিনিধিদলের এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার
বিকেলে সচিবালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব অরিজিৎ চৌধুরী, বেসিসের মহাসচিব উত্তম কুমার পাল, কোষাধ্যক্ষ শাহ ইমরাউল কায়ীশ ও পরিচালক সামিরা জুবেরী হিমিকা।
বৈঠকে তথ্যপ্রযুক্তি উদ্যোক্তাদের জন্য মূলধন সহায়তা প্রকল্প ইক্যুইটি অ্যান্ড এন্টারপ্রেনারশীপ ফান্ড (ইইএফ) প্রাপ্তি সহজীকরণে বেসিসের পক্ষ থেকে বিভিন্ন প্রস্তাবনা দেওয়া হয়। এতে প্রস্তাবিত প্রকল্পটির ব্যয় (নীট চলতি মূলধনসহ) আইসিটি শিল্পের জন্য সর্বোচ্চ ৫ কোটির টাকার পরবর্তে সর্বোচ্চ ১০ কোটি টাকা নির্ধারণ, বুদ্ধিভিত্তিক মানবসম্পদ সংক্রান্ত ব্যয় মোট প্রকল্প ব্যয়ের ৫ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশে উন্নীতকরণ, প্রকৃত তরুণ উদ্যোক্তাদের ইইএফ প্রাপ্তিতে ভূমি/ভবন/ফ্ল্যাট বন্ধকের বিষয়টি শিথিল করাসহ বেশ কিছু সংশোধনীর প্রস্তাব করা হয়।
সচিব ড. এম আসলাম আলম প্রস্তাবনাগুলো গুরুত্বসহকারে শোনেন এবং বিবেচনার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, শুধু সংশোধন নয় ইইএফ প্রকল্পটিকে সহজ ও যাতে প্রকৃত উদ্যোক্তারা এই ফান্ড পায় তার জন্য পুরো বিষয়টিকে ঢেলে সাজানো হবে। এ বিষয়ে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এবং বেসিস যৌথভাবে কাজ করার জন্য বৈঠকে সম্মত হয়।
এছাড়া তিনি বলেন, দেশে ই-কমার্সের অগ্রগতি সাফল্যজনক। তবে ই-পেমেন্ট সিস্টেম সহজ এবং গ্রাহক আস্থা বাড়াতে পারলে এই খাতের দ্রুত উন্নতি হবে। এক্ষেত্রে তিনি বেসিস সদস্য কোম্পানিগুলোতে গ্রাহকদের সর্বোচ্চ সেবা প্রদান ও গ্রাহক আস্থা বাড়ানোর কথা জানান।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব অরিজিৎ চৌধুরী, বেসিসের মহাসচিব উত্তম কুমার পাল, কোষাধ্যক্ষ শাহ ইমরাউল কায়ীশ ও পরিচালক সামিরা জুবেরী হিমিকা।
বৈঠকে তথ্যপ্রযুক্তি উদ্যোক্তাদের জন্য মূলধন সহায়তা প্রকল্প ইক্যুইটি অ্যান্ড এন্টারপ্রেনারশীপ ফান্ড (ইইএফ) প্রাপ্তি সহজীকরণে বেসিসের পক্ষ থেকে বিভিন্ন প্রস্তাবনা দেওয়া হয়। এতে প্রস্তাবিত প্রকল্পটির ব্যয় (নীট চলতি মূলধনসহ) আইসিটি শিল্পের জন্য সর্বোচ্চ ৫ কোটির টাকার পরবর্তে সর্বোচ্চ ১০ কোটি টাকা নির্ধারণ, বুদ্ধিভিত্তিক মানবসম্পদ সংক্রান্ত ব্যয় মোট প্রকল্প ব্যয়ের ৫ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশে উন্নীতকরণ, প্রকৃত তরুণ উদ্যোক্তাদের ইইএফ প্রাপ্তিতে ভূমি/ভবন/ফ্ল্যাট বন্ধকের বিষয়টি শিথিল করাসহ বেশ কিছু সংশোধনীর প্রস্তাব করা হয়।
সচিব ড. এম আসলাম আলম প্রস্তাবনাগুলো গুরুত্বসহকারে শোনেন এবং বিবেচনার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, শুধু সংশোধন নয় ইইএফ প্রকল্পটিকে সহজ ও যাতে প্রকৃত উদ্যোক্তারা এই ফান্ড পায় তার জন্য পুরো বিষয়টিকে ঢেলে সাজানো হবে। এ বিষয়ে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এবং বেসিস যৌথভাবে কাজ করার জন্য বৈঠকে সম্মত হয়।
এছাড়া তিনি বলেন, দেশে ই-কমার্সের অগ্রগতি সাফল্যজনক। তবে ই-পেমেন্ট সিস্টেম সহজ এবং গ্রাহক আস্থা বাড়াতে পারলে এই খাতের দ্রুত উন্নতি হবে। এক্ষেত্রে তিনি বেসিস সদস্য কোম্পানিগুলোতে গ্রাহকদের সর্বোচ্চ সেবা প্রদান ও গ্রাহক আস্থা বাড়ানোর কথা জানান।

