কুনিয়োর খুনিরা এখনো শনাক্ত হয়নি

S M Ashraful Azom
রংপুরে দুর্বৃত্তদের গুলিতে জাপানি নাগরিক কুনিয়ো হোশি হত্যাকাণ্ডের পর তিনদিন পেরিয়ে গেলেও খুনিদের সনাক্ত কিংবা গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। কে বা কারা কি কারণে বা কি উদ্দেশ্যে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে সে বিষয়েও সুনির্দিষ্ট কোন তথ্য জানাতে পারেনি তারা।
 
গতকাল সোমবার দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তদন্ত কমিটির প্রধান ও পুলিশের রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি হুমায়ুন কবীর জানান, কুনিয়ো হোশি হত্যাকাণ্ডের তদন্ত মাঝামাঝি পর্যায়ে রয়েছে। বিষয়টি যেহেতু রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের, তাই সবদিক বিবেচনা করেই গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। নিহতের মরদেহ হস্তান্তর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এছাড়া পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়ে লাশ হস্তান্তরের সব ধরনের আইনগত সহায়তা করতে বলা হয়েছে। এ বিষয়ে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে নিয়োগ করা হয়েছে। ঢাকা থেকে জাপানি দূতাবাসের প্রতিনিধি দল এলেই লাশ হস্তান্তর করা হবে।
 
তিনি বলেন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বেশ কয়েকটি দল কাজ করছে। তবে গণমাধ্যমের সামনে বলার মতো কোন তথ্য আমার কাছে নেই। কোন অগ্রগতি হলে সেটা পরে জানানো হবে। ডিআইজি আরও বলেন, আমরা জানতে পেরেছি ২০১১ সাল থেকে কুনিয়ো হোশি রংপুরে যাতায়াত করতেন। সর্বশেষ ২৮ আগস্ট তিনি রংপুরে আসেন। কুনিয়ো আর্থিকভাবে অসচ্ছল ও অবিবাহিত ছিলেন। তিনি বলেন, বর্তমানে রংপুরে ২৮৬ জন এবং দিনাজপুরে ৫১২ জন বিদেশি রয়েছেন। তাদের নিরাপত্তার বিষয়টি দেখা হচ্ছে।
 
অপরদিকে কুনিয়ো হোশি হত্যাকাণ্ডের পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ভাড়া বাড়ির মালিক জাকারিয়া বালাকে পুলিশ আটক করলে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া আটককৃত অন্যদের জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।
 
এ ব্যাপারে রংপুরের পুলিশ সুপার আব্দুর রাজ্জাক পিপিএম জানান, আমরা কাউকে আটক করিনি। শুধুমাত্র জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের নিয়ে আসা হয়েছে। কুনিয়ো হোশি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় যাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে আসা হয়েছে তাদের কাউকেই আসামি করা হয়নি।

#buttons=(Ok, Go it!) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Know about Cookies
Ok, Go it!
To Top