ঢাকায় ইটালীয় নাগরিক ও রংপুরে জাপানি
নাগরিক হত্যার তদন্তে অনেক অগ্রগতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। সরকারের একটি
গোয়েন্দা সংস্থা এ তদন্ত করেছে। কারা এবং কি কারণে এই দুই খুনের ঘটনা
ঘটিয়েছে-তা অনেকটাই নিশ্চিত হয়েছেন তারা। এই তথ্য সংশ্লিষ্ট তদন্ত কমিটির
কাছে হস্তান্তর করা হবে। তদন্ত কমিটি বিষয়টি আরো তদন্ত করে পুরো ঘটনার
রহস্য উম্মোচন করবে।
উল্লেখ্য,
গত ২৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় গুলশান-২ নম্বরের ৯০ নম্বর সড়কে সন্ত্রাসীদের
গুলিতে নিহত হন ইটালীয় নাগরিক তাভেল্লা চেজার। এর পাঁচ দিন পর ৪ অক্টোবর
রংপুরের কাউনিয়ার আলুটারি এলাকায় জাপানি নাগরিক কুনিও হোশিকে গুলি করে
হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।
ওই
গোয়েন্দা সংস্থার একজন কর্মকর্তা ইত্তেফাককে জানান, ইটালিয় নাগরিক খুনের
সময় ঘটনাস্থলে ঘাতকরা একটি আলামত ফেলে যায়। ওই আলামতের সূত্র ধরেই পুরো
ঘটনা তদন্ত করা হয়েছে। এই হত্যাকান্ডের সঙ্গে দেশি-বিদেশি একটি চক্রের
যোগসাজশ খুঁজে পাওয়া গেছে।
সূত্র
জানায়, সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে অন্তত কোটি টাকায় একটি ভাড়াটে কিলার
গ্রুপকে হত্যা মিশনে অংশ নিতে প্রলোভিত করা হয়েছে। দেশি চক্রের পাশাপাশি
বিদেশি চক্রের ইন্ধন রয়েছে এই কিলিং মিশনে। মোটা অংকের টাকা বিনিময়ের তথ্য
এখন ওই গোয়েন্দা সংস্থার হাতে। কিলার গ্রুপের টুইটার ও ভাইবারে আলাপনের
তথ্যও ওই সংস্থার হাতে রয়েছে। এসবের সূত্র ধরেই পুরো ঘটনার তদন্ত অনেক দূর
এগিয়েছে বলে গোয়েন্দা সংস্থার ওই কর্মকর্তা দাবি করেছেন।

