তাদের দিকেই তাকিয়ে ছিল পুরো দল। বেশ ভালোভাবেই তার প্রতিদান দিলেন নেইমার জুনিওর ও লুইস সুয়ারেজ। গেটাফের বিপক্ষে দলের জয়সূচক গোল দুটিও করেছেন তারা। দুটি গোলই ছিল চোখে লেগে থাকার মত। সার্জিও রতবার্তোর অসাধারণ ব্যাক হিল ভলিকে গোলে রূপ দেন সুয়ারেজ। বিরতির পর মাঠের ডান প্রান্ত থেকে ভেসে আসা বল সরাসরি বাঁ পায়ের ধাক্কায় জালে পাঠান নেইমার। দ্বিতীয় গোলেরও উৎসমুখ ছিল সার্জিওর পা। তবে সমর্থকদের জন্য এর চেয়ে বড় খবর হল চোট কাটিয়ে দলে ফিরেছেন আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা। ৬১তম মিনিটে মনির আল হাদ্দাদির বদলি হিসেবে মাঠে নামেন ইনিয়েস্তা। একই দিনে জয় পেয়েছে তালিকার শীর্ষে থাকা রিয়াল মাদ্রিদও। সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে এদিন তাদের প্রতিপক্ষ ছিল লাস পালমাস। ৩-১ ব্যবধানের জয়ে দলের হয়ে গোল তিনটি করেন ইস্কো, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ও জেসে। দু’দলের জয়ে পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়াল সমান ২৪ করে। তবে গোল ব্যবধানে এগিয়ে রিয়াল। তাদের চেয়ে তিন পয়েন্ট কম নিয়ে অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদকে টপকে তিন নম্বরে উঠে এসেছে সেল্টা ডি ভিগো। এদিন তারা রিয়াল সোসিয়াদাদকে হারায় ৩-২ গোলে।এক নজরে ফলগেটাফে ০-২ বার্সেলোনারিয়াল মাদ্রিদ ৩-১ লাস পালমাসভ্যালেন্সিয়া ৩-০ লেভেন্তেভিয়ারিয়াল ২-১ সেভিয়াসোসিয়াদাদ ২-৩ সেল্টা ডি ভিগো

