বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার হরিপুর চককানু গ্রামে শিয়া সম্প্রদায়ের আল-মোস্তফা জামে মসজিদে সশস্ত্র হামলার ঘটনায় জড়িতদের এখনো সনাক্ত করতে পারেনি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এ কারণে আতঙ্কও কাটছে না শিয়া অধ্যুষিত গ্রামগুলোতে। তাই আতঙ্ক নিরসনে সেখানে অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে।
এ ঘটনায় জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমটি গঠন করা হয়েছে। ঘটনা তদন্তে মাঠে নেমেছে রাজধানী থেকে আসা পুলিশের বিশেষ শাখার দুই কর্মকর্তা। তবে বন্দুকধারীদের গুলিতে মোয়াজ্জিন নিহত এবং অপর তিনজন মুসুল্লি গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনার মামলায় গ্রেফতার তিনজন পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে মুখ খুলছেনা।
এদিকে ওই ঘটনায় গ্রেফতারদের তালিকায় এক জেএমবি সদস্যের নাম যুক্ত হওয়ায় জঙ্গি সম্পৃক্ততার বিষয়টি ফের আলোচনায় উঠে এসেছে।
শিয়াপন্থিদের নেতা স্থানীয় ইমামিয়া জনকল্যাণ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান বগুড়া আলহাজ আবু জাফর মন্ডলের অভিযোগ, ‘গত কয়েক বছর ধরে শিবগঞ্জের ওই এলাকায় ইসলামী মাহফিলের আয়োজনে প্রকাশ্যে শিয়া মতবাদ নিয়ে বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন বেশ কজন বক্তা। এসব বক্তব্যই উস্কে দিয়েছে হামলাকারীদের।’
সন্ত্রাসী হামলার পর থেকে তিনদিন কোন নামাজ হয়নি ওই মসজিদে। রবিবার দুপুর থেকে আবারো নামাজ আদায় শুরু হয়েছে মসজিদটিতে। সকাল থেকে ধোয়া-মোছার কাজ শেষে দুপুরে জোহরের নামাজ আদায় করা হয় । কিন্তু আতঙ্কের ছাপ লক্ষ্য করা যায় তাদের চোখে-মুখে।
শিয়া সম্প্রদায় পরিচালিত হরিপুর (মোহাম্মদপুর) ইমামমিয়া জনকল্যাণ ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মোজাফ্ফর হোসেন জানান, রবিবার যোহরের নামাজ আদায়ের মধ্য দিয়ে এ মসজিদে মুসল্লিরা পুনরায় নামাজ আদায় শুরু করেছেন।


খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।