সেবা ডেস্ক: সিফিলিস কী?
প্রচণ্ড ছোঁয়াচে রোগ। এর জীবাণুর নাম ট্রিপোনেমা প্যাল্লিডাম। অনেকক্ষণের গভীর চুম্বন বা যৌনমিলনে এক ব্যক্তির শরীর থেকে অন্য ব্যক্তির শরীরে এ রোগ ছড়ায়। সিফিলিসের জীবাণুরা প্রথমে বাসা বাঁধে গলায়। আক্রান্ত ব্যক্তি মনে করে ঠান্ডা লেগে গলা ধরেছে। কিন্তু আদতেও তা নয়। এই অজ্ঞতার কারণেই রোগ ছড়ায় শরীরের অন্য অংশে। গর্ভবতী মায়ের সিফিলিস হলে তার গর্ভের শিশুও তাতে আক্রান্ত হয়। তখন রোগটিকে বলা হয় কনজেনিট্যাল সিফিলিস। শিশুর শরীরে সিফিলিস প্রবেশ করলে সে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বাঁচে না। সিফিলিস শরীরে অন্য অসুখকে আমন্ত্রণ জানাতে পারে, যেমন ু আর্থরাইটিস, ব্রেইন ড্যামেজ, দৃষ্টিশক্তিহীনতা। কিন্তু সিফিলিসের চিকিৎসা চলাকালীন যদি রোগীকে পেনিসিলিন ড্রাগ দেওয়া হয়, এসব অসুখ নাও হতে পারে।
কী করে বুঝবেন সঙ্গী সিফিলিসে আক্রান্ত?
সিফিলিসের তেমন কোনও উপসর্গ নেই। কিন্তু এর কয়েকটি ধাপ আছে। যেমন
প্রাথমিক ধাপ
প্রথমেই লক্ষ্য করুন সঙ্গীর যৌনাঙ্গে বা তার চারপাশের ত্বকে লালচে জলজলে পুঁজ জেমেছে কিনা। সংক্রমণ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুঁজ জমবে না। ৩ সপ্তাহ পর পক্সের মতো দানা দানা পুঁজ জমবে। মহিলাদের স্তনেও পুঁজ জমতে পারে।
দ্বিতীয় ধাপ
যৌনাঙ্গ ছাড়াও হাত-পায়ের পাতায় ছোটো লাল ফুসকুড়ি বেরোবে। সেই সঙ্গে আসবে জ্বর, ক্লান্তি, গলা ব্যথা, চুল ঝরা, ফোলা গ্ল্যান্ড, মাথা ও পেশিতে যন্ত্রণা।
তৃতীয় ধাপ
এরপর সিফিলিস ছড়াবে মস্তিষ্কে, স্নায়ুতে, হৃদযন্ত্রে। তৃতীয় ধাপে এসে ব্যক্তির প্রাণ সংশয় হতে পারে।
চিকিৎসা
প্রাথমিক ধাপে সিফিলিসের চিকিৎসা আরম্ভ করলে সবচেয়ে তাড়াতাড়ি নিস্তার মিলতে পারে। এর জন্য নিয়ম করে অ্যান্টিবায়োটিক খেতে হবে রোগীকে। যেমন ু পেনিসিলিন, ডক্সিসাইক্লিন, টেট্রাসাইক্লিন, সেফ্ট্িরয়াক্সোন, অ্যাজ?থ্িরোমাইসিন। গর্ভাবস্থায় পেনিসিলিন খাওয়া চলবে না। তবে নিজে থেকে ডাক্তারি করে অ্যান্টিবায়োটিক খেতে যাবেন না। চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলুন।
প্রচণ্ড ছোঁয়াচে রোগ। এর জীবাণুর নাম ট্রিপোনেমা প্যাল্লিডাম। অনেকক্ষণের গভীর চুম্বন বা যৌনমিলনে এক ব্যক্তির শরীর থেকে অন্য ব্যক্তির শরীরে এ রোগ ছড়ায়। সিফিলিসের জীবাণুরা প্রথমে বাসা বাঁধে গলায়। আক্রান্ত ব্যক্তি মনে করে ঠান্ডা লেগে গলা ধরেছে। কিন্তু আদতেও তা নয়। এই অজ্ঞতার কারণেই রোগ ছড়ায় শরীরের অন্য অংশে। গর্ভবতী মায়ের সিফিলিস হলে তার গর্ভের শিশুও তাতে আক্রান্ত হয়। তখন রোগটিকে বলা হয় কনজেনিট্যাল সিফিলিস। শিশুর শরীরে সিফিলিস প্রবেশ করলে সে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বাঁচে না। সিফিলিস শরীরে অন্য অসুখকে আমন্ত্রণ জানাতে পারে, যেমন ু আর্থরাইটিস, ব্রেইন ড্যামেজ, দৃষ্টিশক্তিহীনতা। কিন্তু সিফিলিসের চিকিৎসা চলাকালীন যদি রোগীকে পেনিসিলিন ড্রাগ দেওয়া হয়, এসব অসুখ নাও হতে পারে।
কী করে বুঝবেন সঙ্গী সিফিলিসে আক্রান্ত?
সিফিলিসের তেমন কোনও উপসর্গ নেই। কিন্তু এর কয়েকটি ধাপ আছে। যেমন
প্রাথমিক ধাপ
প্রথমেই লক্ষ্য করুন সঙ্গীর যৌনাঙ্গে বা তার চারপাশের ত্বকে লালচে জলজলে পুঁজ জেমেছে কিনা। সংক্রমণ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুঁজ জমবে না। ৩ সপ্তাহ পর পক্সের মতো দানা দানা পুঁজ জমবে। মহিলাদের স্তনেও পুঁজ জমতে পারে।
দ্বিতীয় ধাপ
যৌনাঙ্গ ছাড়াও হাত-পায়ের পাতায় ছোটো লাল ফুসকুড়ি বেরোবে। সেই সঙ্গে আসবে জ্বর, ক্লান্তি, গলা ব্যথা, চুল ঝরা, ফোলা গ্ল্যান্ড, মাথা ও পেশিতে যন্ত্রণা।
তৃতীয় ধাপ
এরপর সিফিলিস ছড়াবে মস্তিষ্কে, স্নায়ুতে, হৃদযন্ত্রে। তৃতীয় ধাপে এসে ব্যক্তির প্রাণ সংশয় হতে পারে।
চিকিৎসা
প্রাথমিক ধাপে সিফিলিসের চিকিৎসা আরম্ভ করলে সবচেয়ে তাড়াতাড়ি নিস্তার মিলতে পারে। এর জন্য নিয়ম করে অ্যান্টিবায়োটিক খেতে হবে রোগীকে। যেমন ু পেনিসিলিন, ডক্সিসাইক্লিন, টেট্রাসাইক্লিন, সেফ্ট্িরয়াক্সোন, অ্যাজ?থ্িরোমাইসিন। গর্ভাবস্থায় পেনিসিলিন খাওয়া চলবে না। তবে নিজে থেকে ডাক্তারি করে অ্যান্টিবায়োটিক খেতে যাবেন না। চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলুন।

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।