অবশেষে খুলে দেয়া হয়েছে সামাজিক যোগাযোগের জনপ্রিয় মাধ্যম ফেসবুক। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে অন্যান্য অ্যাপসগুলো বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বেলা দেড়টার দিকে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক ফেসবুক খোলার কথা নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ফেসবুক খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নয়, পুরোপুরি খুলে দেওয়া হয়েছে।
এর আগে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেন, নিরাপত্তার ঝুঁকি কমে আসায় সরকার ফেসবুক খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে আবারও নিরাপত্তা জনিত সমস্যা দেখা দিলে সরকার পরিস্থিতি বিবেচনায় পদক্ষেপ নেবে।
ফেসবুক বন্ধের সিদ্ধান্ত সাময়িক সময়ের জন্য মেনে নেয়ায় তরুণ প্রজন্মকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
ব্রিফিংয়ে বসেই সাংবাদিকদের সামনে বিটিআরসি চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদকে মোবাইল করে ফেসবুক খুলে দেওয়ার নির্দেশ দেন তারানা হালিম।
নিয়ন্ত্রক সংস্থার চেয়ারম্যানকে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা ফেসবুক খুলে দেয়ার জন্য সরকারি নির্দেশনা পেয়েছি। জননিরাপত্তার স্বার্থে ফেসবুক বন্ধ রাখা হয়েছিল। আমার মনে হয় আপাতত সেই সমস্যা কেটে গেছে। সেজন্য ফেসবুক খুলে দিতে সরকারের নির্দেশনা এসেছে।
জনগণের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য ফেসবুকে যারা ব্যবসা করেন তাদের কিছুটা ক্ষতি হয়েছে বলেও স্বীকার করেন তারানা। তিনি বলেন, সাময়িক ফেসবুক বন্ধ করে যদি একটা জীবনও বাঁচাতে পারি সেই কৃতিত্ব সবার।
ফেসবুক বন্ধের পরে কোনো নাশকতা না হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করে তারানা হালিম বলেন, আশা করছি ফেসবুক খুলে দেয়ার পরেও নাশকতা হবে না। প্রতিমন্ত্রীর ঘোষণার পর ফেসবুক খুলে দেয়া হয়।
উল্লেখ্য, মানবতাবিরোধী অপরাধী সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের ফাঁসির রায় কার্যকরের আগে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সাময়িক সময়ের জন্য ফেসবুকসহ বেশ কয়েকটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গত ১৮ নভেম্বর বন্ধ করে দেয় সরকার। এদিকে সরকারের এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে নানা মহল থেকে সমালোচনাও হয়।
অনেকে আবার এ সিদ্ধান্তকে স্বাগতও জানিয়েছেন। এরইমধ্যে সরকার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ফেসবুক কর্তৃপক্ষকে ঢাকায় আমন্ত্রণ জানিয়ে বৈঠক করে।
বৃহস্পতিবার বেলা দেড়টার দিকে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক ফেসবুক খোলার কথা নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ফেসবুক খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নয়, পুরোপুরি খুলে দেওয়া হয়েছে।
এর আগে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেন, নিরাপত্তার ঝুঁকি কমে আসায় সরকার ফেসবুক খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে আবারও নিরাপত্তা জনিত সমস্যা দেখা দিলে সরকার পরিস্থিতি বিবেচনায় পদক্ষেপ নেবে।
ফেসবুক বন্ধের সিদ্ধান্ত সাময়িক সময়ের জন্য মেনে নেয়ায় তরুণ প্রজন্মকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
ব্রিফিংয়ে বসেই সাংবাদিকদের সামনে বিটিআরসি চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদকে মোবাইল করে ফেসবুক খুলে দেওয়ার নির্দেশ দেন তারানা হালিম।
নিয়ন্ত্রক সংস্থার চেয়ারম্যানকে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা ফেসবুক খুলে দেয়ার জন্য সরকারি নির্দেশনা পেয়েছি। জননিরাপত্তার স্বার্থে ফেসবুক বন্ধ রাখা হয়েছিল। আমার মনে হয় আপাতত সেই সমস্যা কেটে গেছে। সেজন্য ফেসবুক খুলে দিতে সরকারের নির্দেশনা এসেছে।
জনগণের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য ফেসবুকে যারা ব্যবসা করেন তাদের কিছুটা ক্ষতি হয়েছে বলেও স্বীকার করেন তারানা। তিনি বলেন, সাময়িক ফেসবুক বন্ধ করে যদি একটা জীবনও বাঁচাতে পারি সেই কৃতিত্ব সবার।
ফেসবুক বন্ধের পরে কোনো নাশকতা না হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করে তারানা হালিম বলেন, আশা করছি ফেসবুক খুলে দেয়ার পরেও নাশকতা হবে না। প্রতিমন্ত্রীর ঘোষণার পর ফেসবুক খুলে দেয়া হয়।
উল্লেখ্য, মানবতাবিরোধী অপরাধী সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের ফাঁসির রায় কার্যকরের আগে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সাময়িক সময়ের জন্য ফেসবুকসহ বেশ কয়েকটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গত ১৮ নভেম্বর বন্ধ করে দেয় সরকার। এদিকে সরকারের এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে নানা মহল থেকে সমালোচনাও হয়।
অনেকে আবার এ সিদ্ধান্তকে স্বাগতও জানিয়েছেন। এরইমধ্যে সরকার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ফেসবুক কর্তৃপক্ষকে ঢাকায় আমন্ত্রণ জানিয়ে বৈঠক করে।

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।