বাঁশখালী ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম(বাফাচ) এর ২৬তম মেধাবৃত্তি প্রদান ও সনদপত্র প্রদান অনুষ্টিত হয়

S M Ashraful Azom
শিব্বির আহমদ রানা, বাঁশখালী, চট্টগ্রাম:  বাঁশখালী ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম (বাফাচ) এর ২৬তম মেধাবৃত্তি প্রদান ও সনদপত্র প্রদান অনুষ্টান ২৫ ডিসেম্বর১৬ ইংরেজী তারিখে জলদী পৌরসভায় বাঁশখালী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্টিত হয়।
এতে প্রধান অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর জনাব ডাঃ প্রভাত চন্দ্র বড়ুয়া, উপাচার্য ইউ.এস.টি.সি. চট্টগ্রাম। বিশেষ অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব কাজী মোঃ চাহেল তস্তরি, উপজেলা নির্বাহী পরিচালক, বাঁশখালী। জনাবা তহুরিন সবুর, এনায়েত বাজার মহিলা বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম। জনাব লায়ন মাহাফুযুল হক চৌধুরী, সভাপতি গ্রীণ বাংলাদেশ। জনাব জামাল মোস্তাফা চৌধুরী, সাবেক সভাপতি বাঁশখালী ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম সহ প্রমূখ বরেণ্য শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক ও সমাজ সেবক বৃন্দ।

এতে প্রধান অথিতি প্রফেসর ডাঃ প্রভাত চন্দ্র বড়ুয়া তাঁর বক্তব্যে বলেন, বাঁশখালী আমার প্রাণের স্পন্দন। এখানে রয়েছে শত বছরের ইতিহাস ও ঐতিহ্য। তিনি বিজয়ের মাসে বাঙ্গালীর বীর সন্তানদের স্বরণ করেন। বাঁশখালী ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম মেধাবৃত্তি প্রতিষ্টানকে ধন্যবাদ দিয়ে বলেন, এ ফাউন্ডেশন বাঁশখালীর মেধাবীদেরকে নিয়ে যাবে উন্নতির শিখরে। তাই এগিয়ে আসতে হবে আপনাকে আমাকে এবং আমাদের সকলকেই। তিনি বৃত্তি প্রাপ্ত মেধাবী শিক্ষার্থীদের উদ্দ্যেশ্যে বলেন, তোমরা যারা মেধার স্বাক্ষর রেখেছো তারা ভবিষ্যতে দেশ, জাতীর কল্যাণের জন্য চিন্তা করবে। দেশের মাটি, মা, মানুষকে ভালোবেসে দেশকে এগিয়ে নিবে এই প্রত্যাশা রাখি। সম্ভাবনার বাঁশখালীকে আগামী দিনে এগিয়ে নিতে মেধাবীদের কোন বিকল্প নাই। মনে প্রানে ধ্যানে মানুষকে ভালোবাসতে শেখো, সম্মান করতে শেখো আর এটাই হবে মেধাবীদের কাজ। এখান থেকে তোমরা কেউ ডাক্তার, ইন্জিনিয়ার, উকিল ব্যারিষ্টার, কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক হবে। তাই বড় হয়ে দায়ীত্বে কর্তব্যে নিজের মা, মাতৃভুমির কথা স্বরণ রেখে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে বহুদূরে এই প্রত্যাশা রাখি।শিক্ষার্থীদেরকে স্বাস্থ্য সচেতন হতে বলেন। তোমরা নতুন প্রজন্ম তাই পেইজবুক, ইন্টারনেটে বেশি সময় নষ্ট করবেননা।নিয়মিত পড়ালেখা করো আর এটাই তোমাদের প্রথম দায়ীত্ব ও কতর্ব্য।

বাঁশখালী ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম'র সভাপতি অধ্যাপক শেখ এম বি রেজা অালী চৌধুরী তার বক্তব্যে বলেন, বাঁশখালী ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম উপজেলা ভিত্তিক সামাজিক সংগঠণ। বাঁশখালীর অার্থ-সামাজিক উন্নয়নে এ সংগঠনটি প্রতিষ্টার পর থেকে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ সংগঠন দীর্ঘ ২৬ বছর পেরিয়ে ২৭ বছরে পদার্পন করেছে। প্রতি বছরের ধারাবাহিকতায় এ বছরও নতুন আঙ্গিকে ২৭ তম বৃত্তি পরিক্ষা অনুষ্টিত হতে যাচ্ছে। স্কুল ও মাদ্রাসা পর্যায়ে চতুর্থ ও সপ্তম শ্রেণীতে বাঁশখালীতে অধ্যায়নরত ছাত্র-ছাত্রী অংশগ্রহণ করে। আমরা মেধাবীদেরকে যথাযত মুল্যায়ণের মাধ্যমে পুরুষ্কৃত করি। সম্মানিত অভিবাবক ও শিক্ষকমন্ডলী মহোদয় বৃন্দকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি যারা সার্বিক সহযোগীতা প্রদান করেছে। প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা আপনারা যারা মেধার স্বাক্ষর রেখেছো তাদের শতভাগ সফলতা কামনা করছি।
এতে অন্যন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, তহুরিন সবুর, লায়ন মাহাফুযুল হক চৌধুরী, জামাল মোস্তাফা চৌধুরী ও দৈনিক আজাদী পত্রিকার বাঁশখালী  প্রতিনিধি জনাব কল্যাণ বড়ুয়া মুক্তা সহ অনেকে।

পরিশেষে বৃত্তিপ্রাপ্ত মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে নগদ অর্থ সহ সনদপত্র প্রদান করেন। এতে ২৬তম মেধাবৃত্তি পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্থীর্ণ হয়ে বৃত্তিপ্রাপ্ত হয় ৪৬ জন। স্কুল পর্যায়ে ট্যালেন্টফুলে বৃত্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে মোছাম্মৎ নিশাত তাছনিম প্রিমা, চতুর্থ শ্রেনী। দিগন্ত রহমান, চতুর্থ শ্রেণী।সোহারাব ওয়ার্দী, চতুর্থ শ্রেনী।সমুদ্র দাশ, চতুর্থ শ্রেনী। মাদ্রাসা পর্যায়ে ট্যালেন্টফুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত হয় মোঃ বখতিয়ার উদ্দীন খালেদ, চতুর্থ শ্রেনী।
অনুষ্টান সঞ্চালনায় ছিলেন দৈনিক পূর্বদেশ পত্রিকার সাধারণ সম্পাদক কবি কমর উদ্দীন। সভাপতিত্ব করেন, অধ্যাপক শেখ মাহাবুবল বশর রেজা আলী চৌধুরী, সভাপতি বাঁশখালী ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম।

#buttons=(Ok, Go it!) #days=(20)

Our website uses cookies to enhance your experience. Know about Cookies
Ok, Go it!
To Top