সেবা ডেস্ক: বাঁশখালী, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: বাঁশখালী ইকোপার্ক চট্টগ্রামের অন্যতম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের নয়নাভিরাম অভয়ারণ্য। এখানে পর্যটকদের আকর্ষণ করার মতো রয়েছে অজস্র প্রাকৃতিক সৌন্দয্যের সংমিশ্রণ। বাংলাদেশের বৃহত্তম ও দীর্ঘতম ঝুলন্ত সেতুটিও এখানে অবস্থিত।
এখানে নানা অনিয়মের ও অতিরিক্ত টোল আদায়ের অভিযোগও তুলে পর্যটকেরা। টোল আদায়ের ব্যাপারে ৭ টাকা করে নেওয়ার নিয়ম থাকলেও নেওয়া হচ্ছে ১৫-২০ টাকা যা খুবই নিয়ম বহিঃভুত। সেখানে প্রতিটি বাস থেকে ২৫ টাকা, কার/মাইক্রোবাস থেকে ১৫ টাকা করে নেওয়ার কথা থাকলেও নিয়মনিতীর তোয়াক্ষা না করে ইজারাদার কতৃক হাতিয়ে নিচ্ছে অতিরিক্ত টাকা। মোটর সাইকেল, সিএনজি থেকে টোল আদায়ের নিয়ম না থাকলেও হাতিয়ে নিচ্ছে ২০-৩০ টাকা প্রতি গাড়ী থেকে।
বিগত ২০০৭ সালের ৪ মার্চ টানা বর্ষণে পাহাড়ি ঢলের তোড়ে বাঁশখালী ইকোপার্কের বাঁধ ভেঙে যায়। ফলে বামের ছড়া লেক জলশুন্য হয়ে পড়ে, হারিয়ে যায় সোন্দর্য্যের বিরল দৃশ্য। অথিতি পাখির বিচরণ তেমন একটা দেখা যেতোনা। ফলে লেকের সৌন্দয্য হারিয়ে যায় ধীরে ধীরে। সেই অবধি পর্যটক শুন্য হয়ে পড়ে বাঁশখালী ইকোপার্ক।
ইতোমধ্যে কোটি টাকা ব্যয়ে বাঁধের সংস্কার কাজ শুরু হলেও নজর নাই ঝুলন্ত সেতুটির দিকে। দর্শকের আনাগোনা আগের চেয়ে কম হলেও বার্ধক্যজনিত ঝুলন্ত সেতুটির প্রধান ফটকে সাইনবোর্ড করে লেখা আছে ১০ জনের অধিক যাত্রী উঠা নিষেধ। সেতুর বেহাল দশাটি চোখে পড়ে গত ২৬ ডিসেম্বর সোমবার বিকেলে। কয়েকটি গাছের পাটাতন ভেঙ্গে গিয়ে বিচ্ছিন্ন হয়েছে লোহার এ্যাংগেল থেকে। পর্যটকের জীবন ঝুকির ও মরণ ফাঁধের আরেক নাম যেনো বাঁশখালী ইকোপার্কের ঝুলন্ত সেতুটি। যেখানে ১০ জনের অধিক লোকের সেতু পারাপারের নিষেধ করা হয়েছে সেখানে ১জনের জন্যেও বড় ঝুকির কারণ হয়ে দাড়িয়েছে সেতুটি।
এখানে নানা অনিয়মের ও অতিরিক্ত টোল আদায়ের অভিযোগও তুলে পর্যটকেরা। টোল আদায়ের ব্যাপারে ৭ টাকা করে নেওয়ার নিয়ম থাকলেও নেওয়া হচ্ছে ১৫-২০ টাকা যা খুবই নিয়ম বহিঃভুত। সেখানে প্রতিটি বাস থেকে ২৫ টাকা, কার/মাইক্রোবাস থেকে ১৫ টাকা করে নেওয়ার কথা থাকলেও নিয়মনিতীর তোয়াক্ষা না করে ইজারাদার কতৃক হাতিয়ে নিচ্ছে অতিরিক্ত টাকা। মোটর সাইকেল, সিএনজি থেকে টোল আদায়ের নিয়ম না থাকলেও হাতিয়ে নিচ্ছে ২০-৩০ টাকা প্রতি গাড়ী থেকে।
পর্যটকমহলের অভিযোগ, উপরস্থ কর্মকর্তার অগৌচরে এই অনিয়ম চালানো হচ্ছে। এমনকি যথাযত প্রশাসনিক ব্যবস্থা না থাকায় নানা হয়রানীর শিকার হচ্ছে বিনোদনের জন্য আসা পর্যটকবৃন্দ। পর্যটকদের অনকেই স্থানীয় মাস্তানদের দ্বারা হরিলুট হওয়ার অভিযোগ জানায়।
এহেন অবস্থায় তারা কতৃপক্ষের কাছে যথাযত ব্যবস্থা নেওয়ার মাধ্যমে পর্যটক সেবা নিশ্চত করার দাবী জানান। অন্যথায় তারা আশংঙ্কা করছে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া না হলে বাঁশখালী ইকো-পার্ক হয়ে পড়বে পর্যটক শুন্য।
