এস.এম.খোরশেদুল আলম, বাঁশখালী, চট্টগ্রাম: চট্রগ্রামের বাঁশখালী থানার অন্তর্গত বৈলছড়ী খানবাহাদুর বাজারের প্রধান সড়কের ব্রীজ সংলগ্ন এলাকায় ৪টি দোকান বৈদ্যুতিকশর্ট থেকে আগুন লেগে সম্পূর্ণভাবে ভষ্মিভুত হয়ে যায়। দোকান মালিকদের একমাত্র আয়ের অবলম্বন ব্যবসায় প্রতিষ্টান পুড়ে শেষ হয়ে যাওয়াতে তাদের করুণ আহজারিতে আকাশ ভারী হয়ে উঠে। এমতাবস্থায় তারা কথা বলার মতো ভাষা হারিয়ে পেলে। বিশেষ অনুরোধে মা- মণি টেলিকমের প্রোপাইটর মোহাম্মদ সোহেল জানান ২৫ ডিসেম্বর দুপুর ২ টা নাগাদ বৈদ্যুতিকশর্ট থেকে আগুনের শূত্রপাত হয়ে একে একে ৪ টি দোকান পুড়ে যায়। তারা হলেন সজল সেলুন - প্রোপাইটর সজল, মা- মণি টেলিকম- প্রোপাইটর মোহাম্মদ সোহেল, ইদ্রিস কুলিং কর্ণার - প্রোপাইটর - মোহাম্মদ ইদ্রিস, সেলিম হোটেল প্রোপাটর - মোহাম্মদ সেলিম। তাদের মতে যার ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ ছিল আনুমানিক অর্ধকোটি টাকা। তার মধ্যে নগদ টাকার পরিমাণ ছিল প্রায় ৩ লক্ষ টাকা। এতে মা- মণি টেলিকমের ছিল ১,৩৫,০০০ টাকা, যা তিনি মোটর বাইক নেওয়ার জন্য গতকাল দেকানে রেখেছিল। স্থানীয় জনগনের সহায়তায় ও অন্যঅন্য দোকান মালিকদের সহযোগিতায় পুকুরের পানি দ্বারা বিকাল ৪ টা নাগাদ আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। ততক্ষণে সব পুড়ে শেষ! এলাকার মানুষ ও দোকান মালিকেরা জানান বাঁশখালীতে নির্মীতব্য ফায়ার সার্ভিস চালু থাকলে এত ক্ষয়ক্ষতি হতো না। স্থানীয়রা জানান বাঁশখালী উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস করার জন্য যে একটা অফিস নেওয়া হয়েছে তা খুব শীগ্রই উদ্ধোধন হলো যে কোন অাহুত দূর্ঘটনা এড়াতে সক্ষম হবে।
