সরেজমিনে লক্ষ্মীপুর ইজতেমা মাঠে গিয়ে দেখা যায়, তাবলিগ জামাতের প্রায় শতাধিক সেচ্চাসেবক বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে বিরতিহীনভাবে মাঠের নানা দিক প্রস'ত করছেন। মাঠের সেচ্ছাসেবক চরমার্টিন গ্রামের নাসির উদ্দিন জানান, বর্তমানে আমরা বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে সেচ্ছাসেবী এবং সংশ্লিষ্টরা মেহমানদের জন্য তাবলিগ কামরা, তাঁবু, টয়লেট,পানির লাইন,ভিতরের রাস্তা এবং মাইক স'াপনের কাজ করছেন। আবু তাহের নামে তাবলিগ জামাতের এক মুরুব্বি জানান, তাঁবুর জন্য প্রায় সাড়ে ৩ হাজার বাঁশ ব্যবহার করা হয়েছে। অন্য দিকে লক্ষ্মীপুর পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগ ৩দিনের এ আয়োজনে মাঠে অস'ায়ী বিদ্যুৎ স'াপনের কাজ করেছেন। তিনি আরো জানান, ৪ মাস সময় দেয়া সাথী ৩ হাজার তিন’শ ৩২ জন, ৪০ দিনে সময় দেয়া সাথী ৫ হাজার, এর বাহিরে ৩দিন, ৭দিন সময় দেয়া মুসল্লির সংখ্যা লাখের ওপরে। তাছাড়া জেলার সাধারণ মুসল্লির ও পাশ্ববর্তী অনেক জেলার মুসল্লি ধারা ঢাকায় যেতে পারবেন না তারা অবশ্যই এখানে আসবেন। সে হিসেবে লক্ষ্মীপুরের এ মাঠে মুসল্লির সংখ্যা ৩ লাখ ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশা করছেন তিনি। মোঃ আবুল কালাম নামে আরেক মুরুব্বির সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের জানুয়ারী থেকে চার ভাগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিশ্ব ইজতেমা। মুসল্লিদের স'ান সংকুলান না হওয়ায় ২০১১ সাল থেকে দুই পবের ইজতেমা শুরুর পর ২০১৬ সালে এ পরিবর্তন আনা হলো। সে নিয়মানুযায়ী প্রতি বছর দেশের ৩২টি জেলার মুসল্লিদের নিয়ে টঙ্গী তুরাগ তীরে দুই ধাপে অনুষ্ঠিত হবে। বাকি ৩২টি তাদের নিজ নিজ জেলায় ইজতেমা করবে। চলতি বছরে তুরাগ তীরে এজতেমায় অংশগ্রহন কারীরা পরের বছর নিজ নিজ জেলায় ইজতেমা করবে। তবে বিদেশী মুসল্লিরা প্রতি বছর বিশ্ব ইজতেমায় অংশ নিতে পারবেন। ২০১১সাল থেকে বিশ্ব ইজতেমা দুই ধাপে করা হয়েছে। ২০১১ সালের পূর্বে প্রতি বছর এক ধাপে অনুষ্ঠিত হতো বিশ্ব ইজতেমা।
লক্ষ্মীপুরে ৩ দিন ব্যাপী জেলা ইজতেমার আজ প্রথম দিন
ডিসেম্বর ২৩, ২০১৬
সরেজমিনে লক্ষ্মীপুর ইজতেমা মাঠে গিয়ে দেখা যায়, তাবলিগ জামাতের প্রায় শতাধিক সেচ্চাসেবক বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে বিরতিহীনভাবে মাঠের নানা দিক প্রস'ত করছেন। মাঠের সেচ্ছাসেবক চরমার্টিন গ্রামের নাসির উদ্দিন জানান, বর্তমানে আমরা বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে সেচ্ছাসেবী এবং সংশ্লিষ্টরা মেহমানদের জন্য তাবলিগ কামরা, তাঁবু, টয়লেট,পানির লাইন,ভিতরের রাস্তা এবং মাইক স'াপনের কাজ করছেন। আবু তাহের নামে তাবলিগ জামাতের এক মুরুব্বি জানান, তাঁবুর জন্য প্রায় সাড়ে ৩ হাজার বাঁশ ব্যবহার করা হয়েছে। অন্য দিকে লক্ষ্মীপুর পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগ ৩দিনের এ আয়োজনে মাঠে অস'ায়ী বিদ্যুৎ স'াপনের কাজ করেছেন। তিনি আরো জানান, ৪ মাস সময় দেয়া সাথী ৩ হাজার তিন’শ ৩২ জন, ৪০ দিনে সময় দেয়া সাথী ৫ হাজার, এর বাহিরে ৩দিন, ৭দিন সময় দেয়া মুসল্লির সংখ্যা লাখের ওপরে। তাছাড়া জেলার সাধারণ মুসল্লির ও পাশ্ববর্তী অনেক জেলার মুসল্লি ধারা ঢাকায় যেতে পারবেন না তারা অবশ্যই এখানে আসবেন। সে হিসেবে লক্ষ্মীপুরের এ মাঠে মুসল্লির সংখ্যা ৩ লাখ ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশা করছেন তিনি। মোঃ আবুল কালাম নামে আরেক মুরুব্বির সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের জানুয়ারী থেকে চার ভাগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিশ্ব ইজতেমা। মুসল্লিদের স'ান সংকুলান না হওয়ায় ২০১১ সাল থেকে দুই পবের ইজতেমা শুরুর পর ২০১৬ সালে এ পরিবর্তন আনা হলো। সে নিয়মানুযায়ী প্রতি বছর দেশের ৩২টি জেলার মুসল্লিদের নিয়ে টঙ্গী তুরাগ তীরে দুই ধাপে অনুষ্ঠিত হবে। বাকি ৩২টি তাদের নিজ নিজ জেলায় ইজতেমা করবে। চলতি বছরে তুরাগ তীরে এজতেমায় অংশগ্রহন কারীরা পরের বছর নিজ নিজ জেলায় ইজতেমা করবে। তবে বিদেশী মুসল্লিরা প্রতি বছর বিশ্ব ইজতেমায় অংশ নিতে পারবেন। ২০১১সাল থেকে বিশ্ব ইজতেমা দুই ধাপে করা হয়েছে। ২০১১ সালের পূর্বে প্রতি বছর এক ধাপে অনুষ্ঠিত হতো বিশ্ব ইজতেমা।
ট্যাগস
