
সেবা ডেস্ক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ রোববার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে তিনটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। তবে কে বা কারা ঘটনায় জড়িত তাৎক্ষণিক জানা যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শী কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি হাসান মাহমুদ ডেইলি বাংলাদেশকে জানান, সকালে মধুর ক্যান্টিনের পাশ দিয়ে লাইব্রেরিতে যাচ্ছিলাম, এসময় বিকট তিনটি আওয়াজ শুনতে পাই। দৌড়ে গিয়ে কাউকে দেখতে পাইনি। সম্ভবত, কলা ভবনের ছাদ থেকে লাগাতার তিনটি ককটেল নিক্ষেপ করা হয়৷ আর ককটেল ফোটার ৩০ সেকেন্ডের মধ্যেই ছাত্রদলের একটি মিছিলের বহর মধুর ক্যান্টিনে প্রবেশ করে৷
এ বিষয়ে ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কমিটির সদস্য সচিব আমানুল্লাহ আমান বলেন, আমরা ঘটনার ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর প্রবেশ করি। সুতরাং ঘটনাটির সঙ্গে আমাদের কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতার প্রশ্নই আসে না।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক গোলাম রব্বানী বলেন, একটি গোষ্ঠী ক্যাম্পাসকে অস্থিতিশীল করতেই মূলত এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে। আমরা ঘটনাটি খতিয়ে দেখছি কে বা কারা এর সঙ্গে জড়িত।
এর আগে গত ২৬ ডিসেম্বর, ঢাবির মধুর ক্যান্টিনের সামনে থেকে একটি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করা হয়। গত বৃহস্পতিবার ক্যান্টিনের পশ্চিম পাশের দরজার বাইরে ও ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের (আইবিএ) পুরোনো গেটের সামনে থেকে ককটেলটি উদ্ধার করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে মধুর ক্যান্টিনের পশ্চিম পাশের গেটের বাইরে একটি ককটেল পড়ে থাকতে দেখা যায়। সঙ্গে সঙ্গে ক্যান্টিনের কর্মীরা ককটেলের ওপর পানি ঢেলে দেন; জানানো হয় পুলিশকে। পরে দুপুর ১২টার দিকে পুলিশের বম্ব ডিসপোজাল ইউনিট এসে ককটেলটি নিষ্ক্রিয় করে।
গত রোববার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ভবনে ভিপি নুরুল হক নুর ও তার সহযোগীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এতে নুর, ফারাবী ও সোহেলসহ অন্তত ২৫ জন আহত হন। ওই ঘটনার পর উত্তাল হয়ে ওঠে ঢাবি ক্যাম্পাস।
-সেবা হট নিউজ: সত্য প্রকাশে আপোষহীন

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।