
সেবা ডেস্ক: চাকরিতে যোগদান করেই অতিরিক্ত আয়ের আশায় সেখানকার প্রাইভেট ক্লিনিকে রোগী দেখা শুরু করেছেন বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার মো. ফয়সাল আহম্মেদ।
নিয়মিত কর্মস্থলে না এলেও তার দেখা মেলে ওই উপজেলার খোন্তাকাটা ইউপির আমতলীর এইচ.এম হাতেম আলী জেনারেল হাসপাতালে।
জানা গেছে, ৩৯তম বিসিএসে উত্তীর্ণ হয়ে শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়োগ পান খুলনার শহরের বাসিন্দা ফয়সাল আহম্মেদ। ২০১৯ সালের ১২ ডিসেম্বর এ হাসপাতালে যোগদান করেন তিনি। সপ্তাহে ২-১ দিনের বেশি হাসপাতালে বসেন না। কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই যখন তখন ওষুধ বিক্রয় প্রতিনিধিদের মোটরসাইকেলে চড়ে উধাও হয়ে যান তিনি।
নাম গোপন রাখার শর্তে হাসপাতালের এক কর্মী বলেন, ফয়সাল স্যার যোগদান করেই কাজে ফাঁকিবাজি শুরু করেন। বিষয়টি এক স্বাস্থ্য কর্মকর্তার নজরে পড়লে তাকে ডেকে সতর্ক করা হয়েছে। কিন্তু বড় স্যারের নির্দেশ না মেনেই রাত-দিন ওই ক্লিনিকে পড়ে থাকেন তিনি। হাসপাতালের চেয়ে ক্লিনিকের প্রতি তার ভালবাসা বেশি। এমনকি তিনি হাসপাতালের কোয়ার্টারে না থেকে ক্লিনিকেই রাত কাটান।
অভিযুক্ত ডা. ফয়সাল আহম্মেদ বলেন, অভিযোগ সঠিক নয়। আমি নিয়মিত অফিস করছি। অফিস শেষে ক্লিনিকে বসলে তো কোনো অন্যায় হবে না।
উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি আবদুস সাত্তার আকন বলেন, সরকারি কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী দ্বায়িত্ব পালনে অবহেলা করলে তাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেয়া উচিত।
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, এমন হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। খোঁজ নিয়ে সত্যতা পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
-সেবা হট নিউজ: সত্য প্রকাশে আপোষহীন

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।