![]() |
| যুদ্ধের ময়দানে একা ট্রাম্প: ন্যাটো মিত্রদের প্রত্যাখ্যান ও মধ্যপ্রাচ্যের অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতিতে মার্কিন নীতিনির্ধারণী সংকট |
যুদ্ধের ময়দানে একা হয়ে পড়লেন ট্রাম্প, মুখ ফিরিয়ে নিল ন্যাটো মিত্ররাও
ইরানে আকস্মিক ও ব্যাপক সামরিক আগ্রাসন শুরু করার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখন এক গভীর এবং জটিল আন্তর্জাতিক ফাঁদে আটকা পড়েছেন। যুদ্ধের শুরুতে যে দম্ভ এবং আত্মবিশ্বাস তিনি প্রদর্শন করেছিলেন, বর্তমানে সেটি ফিকে হয়ে আসছে। ওয়াশিংটনের দাবি ছিল ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা গুঁড়িয়ে দিয়ে তারা দ্রুত বিজয় অর্জন করবে, কিন্তু বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। যুদ্ধের ময়দানে তেহরানের অনমনীয় প্রতিরোধ এবং বিশ্বের প্রধান প্রধান মিত্র দেশগুলোর অসহযোগিতার কারণে ট্রাম্প আজ কার্যত একাকী হয়ে পড়েছেন। তেহরান স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে যে, তারা কোনো ধরনের সমঝোতা বা নমনীয়তার পথে না গিয়ে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাবে। এই চরম উত্তেজনার মাঝে ট্রাম্প মিত্রদের সহায়তা চাইলেও পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোসহ ইউরোপের প্রভাবশালী দেশগুলো সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে, তারা এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতের ভাগীদার হতে চায় না।
বিশেষ করে বৈশ্বিক অর্থনীতির নাভি হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালি এখন ইরানের পূর্ণ সামরিক নিয়ন্ত্রণে। এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি দিয়ে প্রতিদিন বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের এক-তৃতীয়াংশ পরিবহন করা হয়। ইরান এই পথটি বন্ধ করে দেওয়ায় এবং মার্কিন ও ইসরায়েলি জাহাজে হামলার হুমকি দেওয়ায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট ঘনীভূত হয়েছে। ট্রাম্প এই নৌপথটি পুনরুদ্ধারে অন্তত সাতটি মিত্র দেশের কাছ থেকে সরাসরি সামরিক সহায়তা এবং যুদ্ধজাহাজ দাবি করেছিলেন। তিনি ন্যাটোকে হুশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন যে, যদি মিত্র দেশগুলো হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করতে যুক্তরাষ্ট্রকে সাহায্য না করে, তবে এই সামরিক জোটটিকে ভবিষ্যতে অস্তিত্ব সংকটের মতো ‘খারাপ পরিস্থিতির’ মুখোমুখি হতে হবে। তবে ট্রাম্পের এই চরম হুমকি ন্যাটোর সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে বিন্দুমাত্র প্রভাবিত করতে পারেনি, বরং তারা এই যুদ্ধ থেকে নিজেদের নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের বিস্তৃত যুদ্ধে জড়াবে না যুক্তরাজ্য: প্রধানমন্ত্রী স্টারমার
যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে কাছের ও দীর্ঘস্থায়ী সামরিক মিত্র হিসেবে পরিচিত যুক্তরাজ্য এবার ট্রাম্পের পাশে দাঁড়াতে অনীহা প্রকাশ করেছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার সোমবার এক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বিবৃতিতে জানিয়েছেন যে, মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়া এই ভয়াবহ যুদ্ধে ব্রিটেন কোনোভাবেই জড়াবে না। স্টারমার স্পষ্টভাবে বলেন, বর্তমানে তাঁর সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে অবস্থানরত ব্রিটিশ নাগরিকদের জানমালের সুরক্ষা নিশ্চিত করা। এর আগে ট্রাম্প সরাসরি হুমকি দিয়েছিলেন যে মিত্ররা সামরিক সহায়তা না দিলে ন্যাটোর ভবিষ্যৎ ঝুঁকির মুখে পড়বে। এই হুমকির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী জানিয়ে দিলেন যে, ব্রিটেন নিজেকে কোনো বৃহত্তর সংঘাতের মধ্যে টেনে নিতে দেবে না। তিনি আরও যোগ করেন যে, কোনো আগ্রাসনের অংশীদার না হয়ে ব্রিটেন বরং ওই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এবং একটি দ্রুত কূটনৈতিক সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কাজ করে যাবে। স্টারমারের এই অবস্থানকে ট্রাম্পের যুদ্ধকালীন কূটনীতির জন্য একটি চরম পরাজয় হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
ট্রাম্পের আহ্বানে জার্মানি ও গ্রিসের সোজাসাপ্টা ‘না’
ইউরোপের অর্থনৈতিক পরাশক্তি জার্মানিও ট্রাম্পের যুদ্ধ পরিকল্পনার পালে হাওয়া দিতে সরাসরি অস্বীকার করেছে। বার্লিন জানিয়ে দিয়েছে যে, তারা ইরান যুদ্ধে অংশ নেবে না এবং সামরিক শক্তি প্রয়োগ করে হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল করার কোনো উদ্যোগে তারা শামিল হবে না। সোমবার জার্মান সরকারের একজন মুখপাত্র আনুষ্ঠানিকভাবে জানান যে, ন্যাটোর মূল সনদের সঙ্গে এই যুদ্ধের কোনো সম্পর্ক নেই এবং জার্মানি কোনো অবস্থাতেই এই সামরিক তৎপরতায় যোগ দিয়ে পরিস্থিতিকে আরও জটিল করতে চায় না। একইভাবে গ্রিস সরকারের মুখপাত্র পাভলোস মারিনাকিস জানিয়েছেন যে, গ্রিসও হরমুজ প্রণালিতে কোনো ধরনের সামরিক অভিযানে তাদের নৌবাহিনী বা সম্পদ ব্যবহার করতে দেবে না। ন্যাটোর ভেতরে ট্রাম্পের এমন একাকীত্ব প্রমাণ করছে যে, ইউরোপীয় দেশগুলো মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাতকে যুক্তরাষ্ট্রের একটি ব্যক্তিগত ও অযৌক্তিক আগ্রাসন হিসেবে বিবেচনা করছে।
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়াতে কুর্দি কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করল ইরাক
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের এই সংঘাতের সরাসরি প্রভাব পড়ছে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ইরাকের ওপর। ইরানের বিরুদ্ধে চলমান এই যুদ্ধে ইরাকের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত কুর্দি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো যাতে কোনোভাবেই ইন্ধন না দেয় বা অংশ না নেয়, সে বিষয়ে কঠোর বার্তা দিয়েছে ইরাকের কেন্দ্রীয় সরকার। বাগদাদ স্পষ্টভাবে কুর্দিস্তান আঞ্চলিক সরকারকে (কেআরজি) জানিয়েছে যে, যদি তাদের নিয়ন্ত্রিত ভূখণ্ড ব্যবহার করে ইরানে কোনো ধরনের হামলা চালানো হয়, তবে ইরাকি ফেডারেল বাহিনী সরাসরি সীমান্তে মোতায়েন করা হবে এবং কুর্দি অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ বাগদাদ নিজের হাতে তুলে নেবে। মূলত যুক্তরাষ্ট্রের প্ররোচনায় কুর্দিরা যাতে এই যুদ্ধে জড়িয়ে ইরাককে একটি আঞ্চলিক যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত না করে, সেটি নিশ্চিত করাই বাগদাদের বর্তমান লক্ষ্য। কুর্দি নেতারাও এই যুদ্ধের ভয়াবহতা এবং তেহরানের পাল্টা হামলার ঝুঁকি আঁচ করতে পেরে এই সংঘাত থেকে নিজেদের নিরাপদ রাখার ঘোষণা দিয়েছেন। কুর্দিস্তান আঞ্চলিক সরকারের উপপ্রধানমন্ত্রী কুবাদ তালাবানি পরিষ্কার ভাষায় বলেছেন যে, এটি তাঁদের যুদ্ধ নয় এবং তাঁদের কোনো বাহিনী কোনো পরিস্থিতিতেই ইরানের ভেতরে সামরিক অভিযানে অংশ নেবে না।
ইসরায়েলে ক্ষয়ক্ষতির ভয়াবহ চিত্র ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সংকট
ইরানের মুহুর্মুহু পাল্টা হামলার মুখে ইসরায়েলের অভ্যন্তরে মানবিক ও সামরিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা ইসরায়েলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে সোমবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে যে, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত বেসামরিক নাগরিক ও সামরিক সদস্য মিলিয়ে অন্তত ৩,৩৬৯ জন আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টাতেই নতুন করে ১৪২ জন ইসরায়েলি আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার তীব্রতা এতটাই বেড়েছে যে ইসরায়েলের গর্বিত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘আয়রন ডোম’ এবং ‘ডেভিডস স্লিং’ এখন চরম চাপের মুখে। মার্কিন কর্মকর্তাদের গোপন তথ্যে জানা গেছে যে, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে গিয়ে ইসরায়েলের ইন্টারসেপ্টর মিসাইলের মজুত বিপজ্জনকভাবে কমে এসেছে। ইরানের উদ্ভাবনী যুদ্ধকৌশল যেমন ‘ক্লাস্টার ওয়ারহেড’ বা গুচ্ছ বোমা ব্যবহারের ফলে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বারবার ব্যর্থ হচ্ছে এবং তাদের মূল্যবান মজুত দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ইসরায়েলি মন্ত্রিসভা ইতোমধ্যে ৮২ কোটি ৭০ লাখ ডলারের একটি জরুরি যুদ্ধকালীন বাজেট অনুমোদন করেছে।
ট্রাম্পের বিভ্রান্তিকর বার্তা ও প্রশাসনের অন্দরে মতভেদ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশের মানুষকে যুদ্ধের জন্য সঠিকভাবে প্রস্তুত করতে ব্যর্থ হয়েছেন এবং তিনি নিয়মিত বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করছেন। সপ্তাহখানেক আগেই তিনি বড়াই করে বলেছিলেন যে তিনি ইতোমধ্যেই ইরান যুদ্ধ জয় করেছেন এবং ব্রিটিশ নৌবাহিনীর আর কোনো প্রয়োজন নেই। কিন্তু বর্তমানে তিনি ন্যাটো এবং এমনকি চীনের কাছেও আকুতি জানাচ্ছেন যাতে তারা হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার জন্য এগিয়ে আসে। ট্রাম্পের এই স্ববিরোধী অবস্থান প্রমাণ করে যে, ইরানের প্রতিরোধ ক্ষমতাকে তিনি যতটা দুর্বল ভেবেছিলেন, বাস্তবতা তার চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। এমনকি মার্কিন প্রশাসনের ভেতরেও এই যুদ্ধ নিয়ে গভীর বিভক্তি দেখা দিয়েছে। হোয়াইট হাউসের এনার্জি সেক্রেটারি ক্রিস রাইট আশা করছেন যুদ্ধ কয়েক সপ্তাহের মধ্যে শেষ হবে, কিন্তু মাঠ পর্যায়ের গোয়েন্দা প্রতিবেদনগুলো বলছে যে ইরানের সামরিক ও গোয়েন্দা লক্ষ্যবস্তুগুলো এতটাই সুসংগঠিত যে এই সংঘাত মাসের পর মাস এমনকি বছরের পর বছর স্থায়ী হতে পারে। আধুনিক ইতিহাসের শিক্ষা হচ্ছে, যুদ্ধের প্রাথমিক সাফল্য চূড়ান্ত বিজয়ের নিশ্চয়তা দেয় না, যেমনটি হয়েছিল ইরাক ও আফগানিস্তানের ক্ষেত্রে।
বিশ্ব অর্থনীতিতে বিপর্যয়ের পদধ্বনি ও তেলের বাজার
হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকা এবং ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলার আশঙ্কায় বিশ্বজুড়ে তেলের দাম আকাশচুম্বী হয়েছে। এটি কেবল মধ্যপ্রাচ্য নয়, বরং খোদ যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও অর্থনীতির জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ) তাদের জরুরি মজুত থেকে প্রায় ৪০ কোটি ব্যারেল তেল বাজারে ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। যদি এই সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হয় তবে বৈশ্বিক সাপ্লাই চেইন ভেঙে পড়ার এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের মন্দা নামার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। ট্রাম্প এখন চীনের ওপরও চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করছেন, কিন্তু চীনের নেতা শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তাঁর প্রস্তাবিত বৈঠক এই যুদ্ধের ফলে গভীর অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
কূটনৈতিক ময়দানে ইরানের বিজয় ও পাকিস্তানকে ধন্যবাদ
সামরিক লড়াইয়ের পাশাপাশি কূটনৈতিক ফ্রন্টেও ইরান বেশ কৌশলী অবস্থান নিয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সোমবার এক বিশেষ বার্তায় পাকিস্তানকে ধন্যবাদ জানিয়ে আঞ্চলিক রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিয়েছেন। উর্দু ভাষায় দেওয়া এক পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন যে, মার্কিন ও ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের সরকার ও জনগণ যেভাবে ইরানের পাশে দাঁড়িয়ে সংহতি প্রকাশ করেছে, তা অত্যন্ত প্রশংসার দাবি রাখে। মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশ যেখানে মার্কিন সামরিক ঘাঁটির উপস্থিতির কারণে চুপ থাকতে বাধ্য হচ্ছে, সেখানে পাকিস্তানের এই সরাসরি সমর্থন তেহরানের জন্য একটি বড় নৈতিক ও কূটনৈতিক বিজয়। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের রিয়াদ সফর এবং ইরানের নেতাদের সঙ্গে তাঁর টেলিফোন আলাপ প্রমাণ করে যে, এই যুদ্ধে ইরান একবারে বন্ধুহীন নয়।
সব মিলিয়ে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই সংঘাত এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে ট্রাম্পের সামনে কোনো সহজ প্রস্থান পথ নেই। ইরানের অনমনীয়তা, মিত্রদের অসহযোগিতা এবং অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চাপ ট্রাম্পকে এক কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে। যদি এই যুদ্ধ দ্রুত শেষ না হয়, তবে এটি ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য কেবল একটি সামরিক বিপর্যয়ই নয়, বরং তাঁর রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের জন্যও এক অন্ধকার অধ্যায় হয়ে উঠতে পারে।







খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।