![]() |
| কাজিপুরে সরকারি পাটবীজসহ আটক ব্লক সুপারভাইজার: ভ্রাম্যমাণ আদালতে অর্থদণ্ড |
জনতার হাতে ধরা ব্লক সুপারভাইজার: সরকারি পাটবীজ চুরির দায়ে ৯০ হাজার টাকা জরিমানা
সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলায় কৃষকদের জন্য বরাদ্দকৃত ২৩০ প্যাকেট সরকারি তোষা জাতের (বিডিএস) পাটবীজ পাচারের সময় স্থানীয় জনতার হাতে ধরা পড়েছেন এক উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা (বিএস) এবং ওই বীজের ক্রেতা এক ব্যবসায়ী। অভিযুক্ত কৃষি কর্মকর্তার নাম আব্দুস সালাম, যিনি উপজেলার তেকানি ইউনিয়নের চরবুরুঙ্গী গ্রামের শামসুল হকের পুত্র এবং বর্তমানে নিশ্চিন্তপুর ইউনিয়নে কর্মরত। বীজের ক্রেতা ব্যবসায়ীর নাম গোলাই (৫০), তিনি চালিতাডাঙ্গা ইউনিয়নের ভানুডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা।
ঘটনা সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেলে ভ্যানে করে বিপুল পরিমাণ প্যাকেটজাত পাটবীজ নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। জনতা ভ্যানটি থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ওই কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ী ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। খবর পেয়ে নাটুয়াপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁদের হেফাজতে নেন। ওইদিন রাতেই কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোস্তাফিজুর রহমান চরপানাগাড়ি বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।
আদালত পরিচালনার সময় কৃষি বিভাগের ব্লক সুপারভাইজার আব্দুস সালামকে বীজ আইন, ২০১৮ এর ২৪(১) ধারায় ৫০ হাজার টাকা এবং ব্যবসায়ী গোলাইকে ২৫ ধারা মোতাবেক ৪০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। অনাদায়ে উভয়েরই এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে তাৎক্ষণিকভাবে জরিমানার টাকা পরিশোধ এবং ভবিষ্যতে এমন অপরাধ না করার শর্তে মুচলেকা দিয়ে তাঁরা মুক্তি পান।
এই বিষয়ে কাজিপুর উপজেলা কৃষি অফিসার শরিফুল ইসলাম জানান, চলতি বছরের সরকারি পাটবীজ এখনও উপজেলায় আসেনি। সম্ভবত ওই কর্মকর্তা বিগত বছরের মজুত থাকা বীজগুলো গোপনে বিক্রি করছিলেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। ইউএনও মোস্তাফিজুর রহমান নিশ্চিত করেছেন যে, পাটের বীজ চুরির বিষয়ে সত্যতা পেয়েই এই তড়িৎ আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।







খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।