মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরে স্বর্ণ ও টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় আওয়ামীলীগ নেতার ছেলেসহ দুই ছিনতাইকারী থানায় আত্মসমর্পন করেছে। তাঁরা হলেন, পৌর আওয়ামীলীগ সভাপিত ও কাউন্সিলর আব্দুস সালামের ছেলে ফিরোজ ও সিএনজি মালিক সমিতির সুপারভাইজার পাঁচু মিয়া। মঙ্গলবার দুপুরে তাঁরা স্বেচ্ছায় থানায় এসে আত্মসর্মপন করেন। অপরদিকে ডাকাতির ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে কথিত ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম হোসেনকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। সাদ্দাম হোসেনের বিরুদ্ধে ডাকাতি, ছিনতাই ও মাদকসহ অন্তত ৫টি মামলা রয়েছে। তিনি আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী নেতাদের ছত্রছায়ায় থেকে দীর্ঘদিন ধরে নানা অপকর্ম করে আসছিলেন।
এর আগে গত ৪ জুলাই এ উপজেলায় ৪০ ভরি স্বর্ণ ছিনতাই হয়। এ ঘটনায় পৌর বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগ নেতা শেখ আক্তার হোসেন (ড্রাইভার) ও পৌর আওয়ামীলীগ সভাপতি আব্দুস সালামের ভাই জামাল খাঁনসহ ৫জন জেলহাজতে আছে। তাঁদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ৩০ ভরি স্বর্ণ উদ্ধার হয় আরেক আওয়ামীলীগ নেতার বাড়ি থেকে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানান, গত রোববার সকালে উপজেলার গোবিন্দল গ্রামের স্বর্ণ ব্যবসায়ী ওসমান বেপারী (৪০) ব্যবসায়ীক উদ্দেশ্যে সিরাজগঞ্জে যাচ্ছিলেন। ভোর ৬ টায় তিনি সিঙ্গাইর বাসস্ট্যান্ডে পৌছলে সিঙ্গাইর পৌর আওয়ামীলীগ সভাপতি আব্দুস সালামের ছেলে ফিরোজ (৩০) ও অটোরিকশা চালক মালিক সমিতির সুপার ভাইজার পাঁচুসহ আরো কয়েকজন ওসমান বেপারীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে তাঁর কাছে থাকা ৩ ভরি স্বর্ণ ও নগদ ১ লাখ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।
অপরদিকে রোববার দিবাগত রাতে উপজেলার চর আজিমপুর গ্রামের ফরহাদ খাঁন ও কিটিংচর গ্রামের কাজী বশির আহম্মদের বাড়িতে ডাকাতি হয়। ডাকাতরা এ দুই বাড়ি থেকে ৮৫ হাজার টাকা ও ৬ ভরি স্বর্ণালংকার লুট করে।
এসব ঘটনার পর সোমবার সকালে ঘটনাস'ল পরিদর্শন করেন পুলিশ সুপার মাহফুজুর রহমানসহ জেলার শীর্ষস'ানীয় একাধিক পুলিশ অফিসার। অপরাধী যেই হোক নির্দেশ দেন গ্রেফতারের। এমন নির্দেশে অপরাধীদের চিহ্নিত ও গ্রেফতারে মাঠে নামেন থানা ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। সোমবার সন্ধায় স'ানীয় সন্ত্রাসী কথিত ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম হোসেনকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ। তাঁকে ডিবি হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। সাদ্দামের বিরুদ্ধে ডাকাতি, ছিনতাই ও মাদকসহ অন্তত ৫টি মামলা রয়েছে বলে জানান ডিবির উপপরিদর্শক (এসআই) শাহা আলম।
এদিকে মঙ্গলবার দুপুরে ছিনতাইয়ে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার স্বীকার করে স্বেচ্ছায় থানায় এসে আত্মসমর্পন করেন পৌর আওয়ামীলীগ সভাপিত ও কাউন্সিলর আব্দুস সালামের ছেলে ফিরোজ ও সিএনজি মালিক সমিতির সুপার ভাইজার পাঁচু মিয়া।
থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) সৈয়দুজ্জামান জানান, ছিনতাই ও ডাকাতির ঘটনার পর অপরাধীদের চিহ্নিত করে গ্রেফতার করার জন্য এলাকায় চিরুনী অভিযান চালানোর পাশাপাশি তাঁদের ধরিয়ে দিতে পরিবারের উপর চাঁপ সৃষ্টি করা হয়। মঙ্গলাবার তাঁরা স্বেচ্চায় থানায় আত্মসর্মপন করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাঁদের ছিনতাই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে বুধবার আদালতে পাঠানো হবে বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য গত ৪ জুলাই সিঙ্গাইর বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে গোবিন্দল গ্রামের হাবু পোদ্দারের ৪০ ভরি স্বর্ণ ছিনতাই হয়। এ ঘটনায় ডিবি পুলিশ গ্রেপ্তার করে সিঙ্গাইর পৌর বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের সিনিয়র সহসভাপতি আক্তার হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক সদর আলী, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুস সালামের ভাই জামাল খাঁসহ পাঁচজনকে। বর্তমান তাঁরা সবাই জেলহাজতে আছে। তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ৩০ ভরি স্বর্ণ উদ্ধার হয় আরেক আওয়ামীলীগ নেতার বাড়ি থেকে।
উল্লেখ্য গত ৪ জুলাই সিঙ্গাইর বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে গোবিন্দল গ্রামের হাবু পোদ্দারের ৪০ ভরি স্বর্ণ ছিনতাই হয়। এ ঘটনায় ডিবি পুলিশ গ্রেপ্তার করে সিঙ্গাইর পৌর বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের সিনিয়র সহসভাপতি আক্তার হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক সদর আলী, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুস সালামের ভাই জামাল খাঁসহ পাঁচজনকে। বর্তমান তাঁরা সবাই জেলহাজতে আছে। তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ৩০ ভরি স্বর্ণ উদ্ধার হয় আরেক আওয়ামীলীগ নেতার বাড়ি থেকে।