বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে বাংলাদেশ ও স্লোভেনিয়ার মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার এনইসি কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত স্লোভেনিয়ার অনাবাসী রাষ্ট্রদূত ডারজা বাভদাজ কুরেটের বিদায়ী সাক্ষাতে তিনি এ বিষয়ে জোর দেন।
সাক্ষাতে শেখ হাসিনা স্লোভেনিয়ার সরকারকে বাংলাদেশ থেকে সিরামিকস, তৈরি পোশাক, চামড়াজাত পণ্য, ওষুধ, পাটজাত দ্রব্যসহ বিশ্বমানের পণ্য আমদানির আহ্বান জানান।
এসময় দু’দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক বাড়ানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী।
বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগের সুযোগ থাকার বিষয়টি উল্লেখ করে শেখ হাসিনা জানান, বিনিয়োগ বাড়াতে তার সরকার বেশ কয়েকটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করছে এবং বিদেশি বিনিয়োগের জন্য নানা ধরনের সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে।
এসময় ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে আঞ্চলিক যোগাযোগ বাড়ানোর নানা ধরনের উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী একইসঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের সময় দেশের বিভিন্ন খাতে উন্নয়নের কথাও তুলে ধরেন।
মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় একীভূত যুগোস্লাভিয়ার অংশ হিসেবে স্লোভেনিয়া বাংলাদেশকে সমর্থন করায় অনাবাসী রাষ্ট্রদূতের মাধ্যমে সেদেশের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন শেখ হাসিনা।
সাক্ষাতে স্লোভেনিয়ার অনাবাসী রাষ্ট্রদূত জানান, তিনি ইতোমধ্যেই বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এফবিসিসিআই দু’দেশের মধ্যে বাণিজ্য বাড়ানোর লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারকে সই করবে।
বিদায়ী অনাবাসী রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের ফুটবলের উন্নয়নে তার দেশ থেকে কোচ পাঠাতে আগ্রহের কথা জানান। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার উদ্যোগের প্রশংসা করে তিনি বলেন, পারস্পরিক সুসম্পর্কের ভিত্তিতে দু’দেশ বেশ কয়েকটি বিষয়ে একসঙ্গে কাজ করছে।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সুরাইয়া বেগম ও প্রেসসচিব ইহসানুল করিম উপস্থিত ছিলেন।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার এনইসি কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত স্লোভেনিয়ার অনাবাসী রাষ্ট্রদূত ডারজা বাভদাজ কুরেটের বিদায়ী সাক্ষাতে তিনি এ বিষয়ে জোর দেন।
সাক্ষাতে শেখ হাসিনা স্লোভেনিয়ার সরকারকে বাংলাদেশ থেকে সিরামিকস, তৈরি পোশাক, চামড়াজাত পণ্য, ওষুধ, পাটজাত দ্রব্যসহ বিশ্বমানের পণ্য আমদানির আহ্বান জানান।
এসময় দু’দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক বাড়ানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী।
বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগের সুযোগ থাকার বিষয়টি উল্লেখ করে শেখ হাসিনা জানান, বিনিয়োগ বাড়াতে তার সরকার বেশ কয়েকটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করছে এবং বিদেশি বিনিয়োগের জন্য নানা ধরনের সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে।
এসময় ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে আঞ্চলিক যোগাযোগ বাড়ানোর নানা ধরনের উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী একইসঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের সময় দেশের বিভিন্ন খাতে উন্নয়নের কথাও তুলে ধরেন।
মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় একীভূত যুগোস্লাভিয়ার অংশ হিসেবে স্লোভেনিয়া বাংলাদেশকে সমর্থন করায় অনাবাসী রাষ্ট্রদূতের মাধ্যমে সেদেশের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন শেখ হাসিনা।
সাক্ষাতে স্লোভেনিয়ার অনাবাসী রাষ্ট্রদূত জানান, তিনি ইতোমধ্যেই বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এফবিসিসিআই দু’দেশের মধ্যে বাণিজ্য বাড়ানোর লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারকে সই করবে।
বিদায়ী অনাবাসী রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের ফুটবলের উন্নয়নে তার দেশ থেকে কোচ পাঠাতে আগ্রহের কথা জানান। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার উদ্যোগের প্রশংসা করে তিনি বলেন, পারস্পরিক সুসম্পর্কের ভিত্তিতে দু’দেশ বেশ কয়েকটি বিষয়ে একসঙ্গে কাজ করছে।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সুরাইয়া বেগম ও প্রেসসচিব ইহসানুল করিম উপস্থিত ছিলেন।
