অ্যাশেজ হারিয়ে স্মিথের নেতৃত্বে বাংলাদেশে আসছে অস্ট্রেলিয়া। স্মিথ মনে করেন, ওই সফর মোটেও সহজ হবে না তাদের জন্য।
এক টেস্ট বাকি থাকতেই শোচনীয়ভাবে অ্যাশেজ হারের পর সমালোচনার তীব্র স্রোত বইছে অস্ট্রেলিয়ায়। সে ধাক্কা তো আছেই, সঙ্গে দলটি হারাচ্ছে বেশ কজন সিনিয়র ক্রিকেটারকে। ক্লার্কের সঙ্গে রায়ান হ্যারিস, ব্র্যাড হাডিন, শেন ওয়াটসন ও ক্রিস রজার্সকেও দেখা যাবে না বাংলাদেশে। সে ক্ষেত্রে স্মিথের ডেপুটি কে হবেন, ডেভিড ওয়ার্নার নাকি অন্য কেউ? অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট প্রজন্মের ব্যবধানটা এতই যে, একজন যোগ্য সহ-অধিনায়কও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না!
এমন নড়বড়ে অস্ট্রেলিয়াকে বহুদিন দেখেনি ক্রিকেট বিশ্ব।
মাত্র ৩২ টেস্ট খেলা স্মিথের ওপর তাই বিশাল দায়িত্ব দলটাকে ঠিকভাবে গুছিয়ে নেওয়ার। প্রথম অ্যাসাইনমেন্টটা বাংলাদেশে হওয়ায় যাঁরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন, খোদ স্মিথ সে দলে নেই। তাঁর দৃষ্টিতে বাংলাদেশ সত্যিকারের 'বিদেশ'। প্রতিপক্ষের মাঠ বরাবরই সব দলের জন্য বড় পরীক্ষার ক্ষেত্র। বাংলাদেশেও সে পরীক্ষায় বসতে হবে বলে মনে করছেন স্মিথ, 'আমার মনে হয় বাংলাদেশ সফরটা কঠিন হবে। অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটসম্যানদের জন্য ওটা সত্যি সত্যিই বিদেশে খেলার মতো কঠিন হবে। তাই যত দ্রুত সম্ভব ওখানকার (বাংলাদেশ) পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার পথ আমাদেরই খুঁজে বের করতে হবে। এখানে (ইংল্যান্ডে) পারিনি বলে ভালো করিনি। আশা করি, এবার পারব এবং বাংলাদেশে কিছু সাফল্য পাবও।’
অভাবিত কিছু ঘটে না গেলে বাংলাদেশ সফরে আসছেন স্টিভেন স্মিথ। শুধু জানেন না নেতৃত্ব পাওয়ার বিষয়টি, 'অধিনায়কত্বের ব্যাপারে এখনো নিশ্চিত করে কিছু জানি না। তবে যা শুনছি, তা যদি সত্যি হয়, আমাকে অধিনায়কত্ব দেওয়া হয়, তাহলে সেটা হবে বিশাল চ্যালেঞ্জ। কারণ পরের সফরে বেশ কজন সিনিয়র ক্রিকেটারকে পাব না। এটা তো মোটেও ভালো খবর নয়। আবার অন্যভাবে যদি দেখি, তাহলে ব্যাপারটা অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটের জন্য দারুণ রোমাঞ্চকর। অভিজ্ঞদের অনুপস্থিতিতে নতুন কিছু ক্রিকেটারকে পাওয়া যাবে।' ক্রিকইনফো।
এক টেস্ট বাকি থাকতেই শোচনীয়ভাবে অ্যাশেজ হারের পর সমালোচনার তীব্র স্রোত বইছে অস্ট্রেলিয়ায়। সে ধাক্কা তো আছেই, সঙ্গে দলটি হারাচ্ছে বেশ কজন সিনিয়র ক্রিকেটারকে। ক্লার্কের সঙ্গে রায়ান হ্যারিস, ব্র্যাড হাডিন, শেন ওয়াটসন ও ক্রিস রজার্সকেও দেখা যাবে না বাংলাদেশে। সে ক্ষেত্রে স্মিথের ডেপুটি কে হবেন, ডেভিড ওয়ার্নার নাকি অন্য কেউ? অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট প্রজন্মের ব্যবধানটা এতই যে, একজন যোগ্য সহ-অধিনায়কও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না!
এমন নড়বড়ে অস্ট্রেলিয়াকে বহুদিন দেখেনি ক্রিকেট বিশ্ব।
মাত্র ৩২ টেস্ট খেলা স্মিথের ওপর তাই বিশাল দায়িত্ব দলটাকে ঠিকভাবে গুছিয়ে নেওয়ার। প্রথম অ্যাসাইনমেন্টটা বাংলাদেশে হওয়ায় যাঁরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন, খোদ স্মিথ সে দলে নেই। তাঁর দৃষ্টিতে বাংলাদেশ সত্যিকারের 'বিদেশ'। প্রতিপক্ষের মাঠ বরাবরই সব দলের জন্য বড় পরীক্ষার ক্ষেত্র। বাংলাদেশেও সে পরীক্ষায় বসতে হবে বলে মনে করছেন স্মিথ, 'আমার মনে হয় বাংলাদেশ সফরটা কঠিন হবে। অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটসম্যানদের জন্য ওটা সত্যি সত্যিই বিদেশে খেলার মতো কঠিন হবে। তাই যত দ্রুত সম্ভব ওখানকার (বাংলাদেশ) পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার পথ আমাদেরই খুঁজে বের করতে হবে। এখানে (ইংল্যান্ডে) পারিনি বলে ভালো করিনি। আশা করি, এবার পারব এবং বাংলাদেশে কিছু সাফল্য পাবও।’
অভাবিত কিছু ঘটে না গেলে বাংলাদেশ সফরে আসছেন স্টিভেন স্মিথ। শুধু জানেন না নেতৃত্ব পাওয়ার বিষয়টি, 'অধিনায়কত্বের ব্যাপারে এখনো নিশ্চিত করে কিছু জানি না। তবে যা শুনছি, তা যদি সত্যি হয়, আমাকে অধিনায়কত্ব দেওয়া হয়, তাহলে সেটা হবে বিশাল চ্যালেঞ্জ। কারণ পরের সফরে বেশ কজন সিনিয়র ক্রিকেটারকে পাব না। এটা তো মোটেও ভালো খবর নয়। আবার অন্যভাবে যদি দেখি, তাহলে ব্যাপারটা অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটের জন্য দারুণ রোমাঞ্চকর। অভিজ্ঞদের অনুপস্থিতিতে নতুন কিছু ক্রিকেটারকে পাওয়া যাবে।' ক্রিকইনফো।
