রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে পাওনা টাকা আদায় নিয়ে নারীদের দুই গ্রুপের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় সালমা (২৩) নামের এক নারী কপাল ফেটে আহত হয়েছে।
গত শনিবার মধ্যরাত পৌনে ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন রমনা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আনিসুর রহমান। রাত সোয়া ১টার দিকে তিনি বলেন, হোটেলের বার থেকে বের হওয়ার সময় তিন নারীর কাছে পাওনার টাকা চায় আহত ওই নারী। আহত ওই নারীর সঙ্গে তার স্বামী এবং আরেকজন নারী ও বাচ্চা উপস্থিত ছিল। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে চুলাচুলি শুরু হয়। বার থেকে (ডিজে পার্টি) বের হওয়া তিন নারীর একজন পায়ের হিল জুতা দিয়ে পাওনাদার নারীর কপালে আঘাত করে। এতে তার কপাল ফেঁটে যায় ও রক্ত বের হতে থাকে।
তিনি আরও বলেন, আমি ঘটনাস্থলে যাওয়ার পর আহত ওই নারীকে তার স্বামী সহকারে মেডিক্যালে পাঠিয়ে দেই। অন্যদিকে বাচ্চাসহ এক নারী ও অপর তিন নারীকে রমনা থানায় পাঠানো হয়।
সালমার মা কোহিনুর জানান, আমার মেয়ে গার্মেন্টসে চাকরি করে। হাতিরঝিলের বালুরমাঠের দিকে বাসা আমাদের। গ্রামের বাড়ি ঝালকাঠির নলছিটিতে। আমার মেয়েকে (সালমা) ভাল বেতনে চাকরি দেওয়ার কথা বলে প্রিয়াঙ্কা ও নীলা নামের দুই মেয়ে আমাদের কাছ থেকে গত ৭-৮ মাস আগে ৫০ হাজার টাকা নেয়। টাকা নেওয়ার পর থেকেই তারা দীর্ঘদিন ধরে তারা পালিয়ে বেড়াচ্ছিল। পরে খবর পেয়ে হোটেলে গিয়ে তাদের ধরেছি। তারা আমার মেয়েকে মারধর করেছে ও মাথা ফাঁটিয়ে দিয়েছে। সে এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
প্রিয়াঙ্কা ও নীলার সঙ্গে কেমন করে পরিচয় জানতে চাইলে কোহিনুর বলেন, আমাদের পাশাপাশি বাসা ছিল। তারা কি করেন জানি না। তবে দেখতে খুব স্মার্ট ও চেহারা ভাল বলেই তাদের টাকা দিয়েছিলাম।
এ ব্যাপারে ডিউটি অফিসার বলেন, আহত সালমার মা ও তার মেয়ে এবং অপর তিনজন থানায় রয়েছেন। অভিযুক্ত তিনজনের মধ্যে একজনকে মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। অপর দুইজন (প্রিয়াঙ্কা ও লিলা) থানাতেই রয়েছে। এ ঘটনায় কোনো মামলা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওসি স্যার ঘুমিয়ে পড়েছেন। সকালে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হবে।
গত শনিবার মধ্যরাত পৌনে ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন রমনা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আনিসুর রহমান। রাত সোয়া ১টার দিকে তিনি বলেন, হোটেলের বার থেকে বের হওয়ার সময় তিন নারীর কাছে পাওনার টাকা চায় আহত ওই নারী। আহত ওই নারীর সঙ্গে তার স্বামী এবং আরেকজন নারী ও বাচ্চা উপস্থিত ছিল। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে চুলাচুলি শুরু হয়। বার থেকে (ডিজে পার্টি) বের হওয়া তিন নারীর একজন পায়ের হিল জুতা দিয়ে পাওনাদার নারীর কপালে আঘাত করে। এতে তার কপাল ফেঁটে যায় ও রক্ত বের হতে থাকে।
তিনি আরও বলেন, আমি ঘটনাস্থলে যাওয়ার পর আহত ওই নারীকে তার স্বামী সহকারে মেডিক্যালে পাঠিয়ে দেই। অন্যদিকে বাচ্চাসহ এক নারী ও অপর তিন নারীকে রমনা থানায় পাঠানো হয়।
সালমার মা কোহিনুর জানান, আমার মেয়ে গার্মেন্টসে চাকরি করে। হাতিরঝিলের বালুরমাঠের দিকে বাসা আমাদের। গ্রামের বাড়ি ঝালকাঠির নলছিটিতে। আমার মেয়েকে (সালমা) ভাল বেতনে চাকরি দেওয়ার কথা বলে প্রিয়াঙ্কা ও নীলা নামের দুই মেয়ে আমাদের কাছ থেকে গত ৭-৮ মাস আগে ৫০ হাজার টাকা নেয়। টাকা নেওয়ার পর থেকেই তারা দীর্ঘদিন ধরে তারা পালিয়ে বেড়াচ্ছিল। পরে খবর পেয়ে হোটেলে গিয়ে তাদের ধরেছি। তারা আমার মেয়েকে মারধর করেছে ও মাথা ফাঁটিয়ে দিয়েছে। সে এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
প্রিয়াঙ্কা ও নীলার সঙ্গে কেমন করে পরিচয় জানতে চাইলে কোহিনুর বলেন, আমাদের পাশাপাশি বাসা ছিল। তারা কি করেন জানি না। তবে দেখতে খুব স্মার্ট ও চেহারা ভাল বলেই তাদের টাকা দিয়েছিলাম।
এ ব্যাপারে ডিউটি অফিসার বলেন, আহত সালমার মা ও তার মেয়ে এবং অপর তিনজন থানায় রয়েছেন। অভিযুক্ত তিনজনের মধ্যে একজনকে মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। অপর দুইজন (প্রিয়াঙ্কা ও লিলা) থানাতেই রয়েছে। এ ঘটনায় কোনো মামলা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওসি স্যার ঘুমিয়ে পড়েছেন। সকালে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হবে।
