‘ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনার খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশের বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে’ বলে মনে করছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)।
রবিবার ডিসিসিআই সভাপতি হোসেন খালেদ বলেন, ‘বর্তমানে ট্রেড লাইসেন্সের ফি অনুযায়ী একজন নতুন ব্যবসায়ী আমদানি, রফতানি ও ইন্ডেটিং ব্যবসা করতে চাইলে তাকে সরকারের বিভিন্ন অফিসে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা ব্যয় করতে হয়। ফলে নতুন উদ্যোক্তারা ব্যবসায় আগ্রহ হারাচ্ছেন।’
ডিসিসিআইয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত ‘ব্যবসায় ব্যয় বৃদ্ধি’ শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।
সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব মো. আবুল কালাম আজাদ। ডিসিসিআই সভাপতি হোসেন খালেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সেমিনারে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হোদায়েতউল্ল্যাহ আল মামুন, এনডিসি ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডিসিসিআইয়ের সহসভাপতি মো. শোয়েব চৌধুরী।
এ ছাড়া, অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) অতিরিক্ত গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম, আইএফসি ব্যাংকের এস এমই বিভাগের টি আই এম রওশান জাদিদ, ডিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি এম এ মোমেন সহ আরও অনেকে।
সেমিনারের প্রধান অতিথি ও প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মুখ্য সচিব মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘ব্যবসা পরিচালনার জন্য লাইসেন্স পাওয়ার ক্ষেত্রে কোন অজ্ঞাত ব্যয় থাকা উচিত নয়। তাই এ ধরনের কার্যক্রমকে ডিজিটাল প্রক্রিয়ার আওতায় নিয়ে আসা হবে।’

