বকশীগঞ্জ পৌর শহরের হযরত শাহজামাল (রহঃ) বিদ্যানিকেতনের অধ্যক্ষ আলহাজ্ব একরামুল হককে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে প্রাণনাশের হুমকি দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় বুধবার রাতে বকশীগঞ্জ থানায় একটি জিডি করেছেন একরামুল হক।
অভিযোগে জানা গেছে,বুধবার রাত সাড়ে ১০ টার সময় ০১৯৪৩৫২৩১১২ মোবাইল নম্বর থেকে হযরত শাহজামাল (রহঃ) বিদ্যানিকেতনের অধ্যক্ষ আলহাজ্ব একরামুল হকের মোবাইল ফোনে একটি ফোন আসে। তিনি ফোন রিসিভ করলে অপর পাশ থেকে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে । কি জন্য তার সাথে খারাপ আচরন করা হচ্ছে জানতে চাইলে তাকে ও তার পরিবারের সবাইকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়া হয় । এর পর একই নম্বর থেকে পরপর প্রায় ৮/১০ বার ফোন করে একরামুল হক তার পরিবারের সকল সদস্যকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়া হয়। পরে রাত পৌনে ১২ টার দিকে তিনি থানায় একটি জিডি করেন।
এ ব্যাপারে একরামুল হক জানান,আমার কোন শত্রু নেই। তবে বিদ্যালয়ে পড়াশুনার প্রতি বেশি চাপ দেওয়ার কারনেই আমাকে হুমকি দেয়া হয়েছে বলে মনে হয়। আমি খুব দুশ্চিন্তায় আছি। ভয়ে বাসা থেকে বের হতে পারছিনা।
এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ ডিপটি জানান,এই ঘটনায় আমরা মর্মাহত। হুমকি দাতাকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি।
বকশীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোস্তাছিনুর রহমান জানান,হুমকি দাতা যেই হোক। তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।
অভিযোগে জানা গেছে,বুধবার রাত সাড়ে ১০ টার সময় ০১৯৪৩৫২৩১১২ মোবাইল নম্বর থেকে হযরত শাহজামাল (রহঃ) বিদ্যানিকেতনের অধ্যক্ষ আলহাজ্ব একরামুল হকের মোবাইল ফোনে একটি ফোন আসে। তিনি ফোন রিসিভ করলে অপর পাশ থেকে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে । কি জন্য তার সাথে খারাপ আচরন করা হচ্ছে জানতে চাইলে তাকে ও তার পরিবারের সবাইকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়া হয় । এর পর একই নম্বর থেকে পরপর প্রায় ৮/১০ বার ফোন করে একরামুল হক তার পরিবারের সকল সদস্যকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়া হয়। পরে রাত পৌনে ১২ টার দিকে তিনি থানায় একটি জিডি করেন।
এ ব্যাপারে একরামুল হক জানান,আমার কোন শত্রু নেই। তবে বিদ্যালয়ে পড়াশুনার প্রতি বেশি চাপ দেওয়ার কারনেই আমাকে হুমকি দেয়া হয়েছে বলে মনে হয়। আমি খুব দুশ্চিন্তায় আছি। ভয়ে বাসা থেকে বের হতে পারছিনা।
এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ ডিপটি জানান,এই ঘটনায় আমরা মর্মাহত। হুমকি দাতাকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি।
বকশীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোস্তাছিনুর রহমান জানান,হুমকি দাতা যেই হোক। তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।