প্রাচীনকাল থেকেই বার্তা বাহক হিসাবে কবুতরের বিশেষ সুনাম রয়েছে। যুদ্ধকালে দুর্গম অঞ্চল কিংবা শত্রু শিবিরের চোখ ফাঁকি দিয়ে তথ্য পাঠাতে ব্যবহার করা হতো কবুতর। আবার প্রেমপত্র চালাচালির ক্ষেত্রেও এক সময় বিশেষ গুরুত্ব ছিলো কবুতরের। আধুনিক সময়ে তথ্য পাঠাতে কবুতরের থেকে প্রযুক্তির ওপরই বেশি নির্ভর করছে মানুষ। এ কারণেই হয়তো কবুতর বেছে নিয়েছে ভিন্ন পেশা। সমপ্রতি এমনই একটি কবুতরকে গ্রেফতার করেছে কোস্টারিকার পুলিশ যেটা কিনা মাদক বহনের মতো গুরুতর অপরাধ করেছে। কবুতরটিকে আটকের পর পুলিশ তার শরীরে বাঁধা ১৪ গ্রাম কোকেন এবং অল্প পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার করেছে। ধারণা করা হচ্ছে, প্রশিক্ষিত কবুতরটি এসব মাদক জেলের ভেতরের কোন আসামির জন্য নিয়ে এসেছিলো। কালো রঙের কবুতরটির শরীরে মাদকগুলো কালো কাপড়ের ভেতরে করে পাঠানো হয়েছিলো যাতে তাকে দেখলে কেউ সন্দেহ করতে না পারে যে তার শরীরে বিশেষ কিছু রয়েছে। তবে কারারক্ষীদের চোখে ঠিকই ধরা পড়ে যায় অপরাধী কবুতরটি। কিছুদিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের একটি জেলে এক আসামির জন্য একইভাবে মাদক নিয়ে এসেছিলো একটি ড্রোন। ড্রোনটিকে ধরতে না পারলেও কবুতরটিকে ধরে একটি চিড়িয়াখানায় পাঠানো হয়েছে। এখন থেকে তাকে সেখানেই বন্দি জীবন কাটাতে হবে। এর আগে ২০১১ সালে কলম্বিয়ায় এবং ২০১৩ সালে আর্জেন্টিনায় এ ধরনের বেশ কিছু ঘটনা ধরা পড়ে পুলিশের হাতে।-স্কাই নিউজ

