বকশীগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী গারো পাহাড়ে বালুঝুরি লাউচাপড়া সড়কে দু’পাশের পাহাড়ি টিলা ধসে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। ফলে এসব পাহাড়ি এলাকার লোকজনসহ পর্যটনে যাতায়াত কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।
জানাগেছে, গত ২১ আগষ্ট ভারী বর্ষণে সীমান্তবর্তী গারো পাহাড়ের বালুঝুরি মোড় থেকে লাউচাপড়া পর্যটন কেন্দ্র যাওয়া দু’পাশের পাহাড়ের টিলা ঘেরা সড়কটি ডুমুরতলা নামকস'ানে পাহাড় ধসে যোগাযোগ বিছিন্ন হয়ে পড়ে। এ পর্যন্ত রাস্তার ওপর থেকে মাটি সরানোর কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি।
অপরদিকে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বকশীগঞ্জে দশানী ও জিঞ্জিরাম নদীর পানি বিপদসীমার ২২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে করে উপজেলার কামালপুর, বগারচর ও সাধুরপাড়া ইউনিয়নের কমপক্ষে ৬০ টি গ্রামে নিম্মাঞ্চলে সদ্য রোপা আমন চারাধান তলিয়ে গেছে।
জানাগেছে, গত ২১ আগষ্ট ভারী বর্ষণে সীমান্তবর্তী গারো পাহাড়ের বালুঝুরি মোড় থেকে লাউচাপড়া পর্যটন কেন্দ্র যাওয়া দু’পাশের পাহাড়ের টিলা ঘেরা সড়কটি ডুমুরতলা নামকস'ানে পাহাড় ধসে যোগাযোগ বিছিন্ন হয়ে পড়ে। এ পর্যন্ত রাস্তার ওপর থেকে মাটি সরানোর কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি।
অপরদিকে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বকশীগঞ্জে দশানী ও জিঞ্জিরাম নদীর পানি বিপদসীমার ২২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে করে উপজেলার কামালপুর, বগারচর ও সাধুরপাড়া ইউনিয়নের কমপক্ষে ৬০ টি গ্রামে নিম্মাঞ্চলে সদ্য রোপা আমন চারাধান তলিয়ে গেছে।