অর্থপাচারের দুই মামলায় সাবেক সেনাপ্রধান ও ডেসটিনি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট লে. জেনারেল (অব.) হারুন-অর-রশিদকে শর্তসাপেক্ষে হাইকোর্টের দেওয়া জামিনের আদেশ বহাল রেখেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।
সোমবার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।
অর্থপাচারের দুই মামলায় ডেসটিনি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট হারুনকে ২০১২ সালের ১৮ অক্টোবর শর্তসাপেক্ষে জামিন দেন হাইকোর্ট।
জামিনের শর্তে বলা হয়, হারুন-অর-রশিদ জামিনের পর এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ডেসটিনির সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে পারবেন না এবং দেশত্যাগও করতে পারবেন না। এসব ক্ষেত্রে প্রয়োজন হলে তাকে আদালতের অনুমতি নিতে হবে। পাশাপাশি তার এ জামিনের বিষয়টি অন্য কারও বেলায় উদাহরণ হিসেবে প্রযোজ্য হবে না।
হাইকোর্টের এ আদেশের বিরুদ্ধে দুদকের পক্ষ থেকে ২০১২ সালের ২৫ অক্টোবর লিভ টু আপিল করা হয়।
২০১২ সালের ৩১ জুলাই ডেসটিনি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রফিকুল আমীন ও প্রেসিডেন্ট হারুন-অর-রশিদসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে রাজধানীর কলাবাগান থানায় দু’টি মামলা করে দুদক।
ডেসটিনি’র সাধারণ বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ থেকে তিন হাজার ২৮৫ কোটি ২৫ লাখ ৮৮ হাজার ৫২৪ টাকা অন্যত্র স্থানান্তরের অভিযোগে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে তাদের বিরুদ্ধে ওই মামলা করা হয়।
সোমবার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।
অর্থপাচারের দুই মামলায় ডেসটিনি গ্রুপের প্রেসিডেন্ট হারুনকে ২০১২ সালের ১৮ অক্টোবর শর্তসাপেক্ষে জামিন দেন হাইকোর্ট।
জামিনের শর্তে বলা হয়, হারুন-অর-রশিদ জামিনের পর এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ডেসটিনির সঙ্গে সম্পর্ক রাখতে পারবেন না এবং দেশত্যাগও করতে পারবেন না। এসব ক্ষেত্রে প্রয়োজন হলে তাকে আদালতের অনুমতি নিতে হবে। পাশাপাশি তার এ জামিনের বিষয়টি অন্য কারও বেলায় উদাহরণ হিসেবে প্রযোজ্য হবে না।
হাইকোর্টের এ আদেশের বিরুদ্ধে দুদকের পক্ষ থেকে ২০১২ সালের ২৫ অক্টোবর লিভ টু আপিল করা হয়।
২০১২ সালের ৩১ জুলাই ডেসটিনি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) রফিকুল আমীন ও প্রেসিডেন্ট হারুন-অর-রশিদসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে রাজধানীর কলাবাগান থানায় দু’টি মামলা করে দুদক।
ডেসটিনি’র সাধারণ বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ থেকে তিন হাজার ২৮৫ কোটি ২৫ লাখ ৮৮ হাজার ৫২৪ টাকা অন্যত্র স্থানান্তরের অভিযোগে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে তাদের বিরুদ্ধে ওই মামলা করা হয়।
