
সিলেট সুপার স্টার্সের সামনে একটাই পথ খোলা ছিল শেষ দুটি ম্যাচ জেতা। ঢাকা ডায়নামাইটসকে হারিয়ে একটা শর্ত পূরণ করেছে। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের সঙ্গে বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় পরীক্ষা। এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারলেই কেবল তারা ঢাকা ডায়নামাইটসের সঙ্গে নেট রান রেটের হিসাবে যেতে পারবে। তবে শর্ত হল ঢাকাকে বৃহস্পতিবার বরিশালের কাছে হারতে হবে। সেসব হিসেবে যেতেই এখন অপেক্ষা করছে সিলেট। ঢাকার বিপক্ষে ম্যাচ শেষে এমনটিই জানিয়েছেন দলের ওপেনার জুনায়েদ সিদ্দিকী।
তিনি বলেছেন, ‘আমাদের শুরুটাই ছিল দুর্ভাগ্যের। প্রথম দুই ম্যাচ এক রানের হারের পর তৃতীয় ম্যাচে ৬ রানে হেরেছিলাম। আমাদের তখন হার্টের প্রবলেম হয়ে যাচ্ছিল। মনে হচ্ছিল দলের জন্য কার্ডিওলজিস্ট দরকার। ম্যাচ জেতাটা গুরুত্বপূর্ণ। সেটা ১০ বল আগে থাকতেই হোক, বা যাই হোক। এটা সত্য যে আমরা হয়তো আরেকটু আগেই এটা শেষ করতে পারতাম। দেখা যাক পরের ম্যাচে কী হয়!’
জয়ের ক্ষেত্রে আফ্রিদির ঝড়ো ইনিংসটাই ছিল গুরুত্বপূর্ণ। তিনি ৭ বল থেকে দুই ছক্কায় করেছেন ১৫ রান। দুই ওভার বাকি থাকতেই মাঠে নেমেছিলেন এই পাকিস্তানি অলরাউন্ডার। শেষ ওভারে সিলেটের প্রয়োজন ছিল ১০ রানের। এর মধ্যে প্রথম বলে আফ্রিদি এক রান করলেও দ্বিতীয় বলে সোহেল তানভির আউট হয়ে যান। এরপরও ওভারের চতুর্থ ও পঞ্চম বলে দুটি ছক্কা মেরেছেন আফ্রিদি। যাতে জয় নিশ্চিত হয় সিলেটের।
শেষ ওভারের ওই মুহূর্ত সম্পর্কে জুনায়েদ বলেন, ‘শেষ ওভারের আগের ওভারটাই খুবই গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে। বোলিংয়ে ছিল মুস্তাফিজ। সে এখন বিশ্বমানের বোলার। আমি তাকে খেলেছি। খুব ভালো জায়গায় বোলিং করে। প্রচুর বৈচিত্র্য আছে। তাই ভয় হচ্ছিল। আফ্রিদি ডট বল দিয়ে ফেলতে পারে বলে ভয় পাচ্ছিলাম। এরপরও বিশ্বাস ছিল। কারণ সে অভিজ্ঞ ক্রিকেটার। মনে হয়েছিল, সে শেষ পর্যন্ত থাকতে পারলে ফলাফল আমাদের দিকেই আসবে।’
