
প্রতিদিনের মতো পরীক্ষা দিতে স্কুলে যায় মেধাবী শ্রাবণী (১৪)। বৃহস্পতিবার ছিল তার জীব বিজ্ঞান পরীক্ষা। পরীক্ষা শুরুর কিছু সময় পর শ্রাবণীর কাছে নকল পাওয়া গেছে এমন অভিযোগে পরিদর্শক স্কুল শিক্ষিকা নাসরিন সুলতানা এবং তানভিলা তাসরিন শ্রাবণীকে নিয়ে যান স্কুলের অতিরিক্ত সহকারী প্রধান শিক্ষক আবদুল জব্বারের কাছে। প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে শ্রাবণীকে স্কুলের মাঠে দীর্ঘ সময় দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। এরপর তাকে পরীক্ষা থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে জানিয়ে স্কুল থেকে বের করে দেয়া হয়। এই অপমান সহ্য করতে না পেরে বাসায় ফিরে স্কুল ড্রেস পরিহিত অবস্থাতেই গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে শ্রাবণী।
এদিকে একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন তার বাবা হাবিব এবং মা সেতারা বেগম। সেতারা বেগম মা ও শিশু স্বাস্থ্য কেন্দ্রের নার্স। তারা নগর ভবনের পেছনে শহরের বংশাল এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, পরীক্ষা চলাকালীন আমি দাফতরিক কাজে বাইরে ছিলাম। এ সময় ঠিক কি ঘঠেছে তা জানি না। খোঁজ নিয়ে বিষয়টি জানানো হবে।
নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মালেক জানান, কেউ তাদের বিষয়টি জানায়নি। রাতে নিহতের বাড়িতে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।