
কুকুরের গর্ভে ভ্রুণ স্থাপনের মাধ্যমে (ইন-ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন বা আইভিএফ) বিশ্বে এই প্রথমবারের মতো কুকুরের জন্ম হয়েছে। এ নিয়ে দীর্ঘ ৪০ বছরের গবেষণার পর এই প্রথম মার্কিন বিজ্ঞানীরা সফল হলেন। পিএলওএস জার্নালে এ গবেষণা প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়েছে।
করনেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা জানিয়েছেন, এই পদ্ধতি বিপন্ন প্রাণীর জন্ম প্রক্রিয়াকে সহজতর করেছে। এর ফলে এসব প্রাণীর সংরক্ষণের পথও সুগম হয়েছে এবং এটি ব্যবহারের মাধ্যমে মানুষ ও প্রাণীর বিভিন্ন রোগ সণাক্তকরণ সম্ভব হয়েছে। তারা একে সামনে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে একটি ‘গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। মানুষের মতো মা কুকুরের গর্ভে হিমায়িত ভ্রুণ স্থাপন করে প্রথমে সাতটি, পরে সেগুলোর সংকরায়ণ ঘটিয়ে আরো কুকুরের জন্ম হয়। করনেল কলেজ অব ভেটেরোনারি মেডিসিনের প্রধান গবেষক ডক্টর এলেক্স ট্রাভিস বলেছেন, আমরা সাতটি স্বাভাবিক ও সুস্থ কুকুরের জন্ম দিতে পেরেছি।
১৯৭০ সালের মাঝামাঝি থেকে এ নিয়ে গবেষণা করা হলেও বিজ্ঞানীরা কোন সাফল্য অর্জন করতে পারেননি। এই পদ্ধতিতে উত্তরাধিকারভাবে প্রাপ্ত মানুষ ও কুকুরের রোগের ওপর গবেষণা করা যাবে এবং রোগ সণাক্ত করা যাবে বলে জানিয়েছেন এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরোনারি মেডিসিন বিভাগের প্রধান প্রফেসর ডেভিড আর্গাইল। খবর বিবিসির।

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।