
সেবা ডেস্ক: বৈশ্বিক মহামারি নভেল করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ পরিস্থিতির মধ্যে অনলাইনে কাজ করার সুযোগে ই-নথির পুরোপুরি বাস্তবায়নের নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।
সোমবার (০৮ জুন) ই-নথির মাধ্যমে দাফতরিক কার্যক্রম সম্পন্ন করতে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবের কাছে বিশেষ নির্দেশনার চিঠি পাঠিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
এতে বলা হয়, রূপকল্প-২০২১ তথা ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এটুআই প্রোগ্রামের সহযোগিতায় সরকারি দফতরে (মাঠ পর্যায় থেকে মন্ত্রণালয় পর্যন্ত) ই-নথি কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে ই-নথির ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাছাড়া করোনা ভাইরাসবাহিত রোগ মোকাবিলায় সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটিকালীন সীমিত দাপ্তরিক কার্যক্রমের সময় ই-নথি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে।
এতে বলা হয়, ‘কোভিড-১৯ এর মতো যেকোনো পরিস্থিতিতে সরকারি কার্যক্রম চালু রাখার জন্য সব দাপ্তরিক কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ইলেকট্রনিক প্ল্যাটফর্মের ব্যবহার অত্যাবশ্যক। ই-নথিতে কাগজের সংস্পর্শ না থাকায় রোগ সংক্রমণের ঝুঁকি হ্রাস করেছে।’
‘সচিবালয় নির্দেশমালা, ২০১৪’ এর বিভিন্ন নির্দেশনায় ই-নথি ব্যবহারের সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে জানিয়ে চিঠিতে বলা হয়, এছাড়া ‘প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০১০-২০২১’, ‘জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল-২০১২’, ‘অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থাপনা নির্দেশিকা, ২০১৫’, ‘জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি নীতিমালা, ২০১৮’ এ ই-নথি কার্যক্রম যথাযথভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশনা রয়েছে।
এছাড়া বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তিতেও ই-নথির অধীর ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ফলে সব সরকারি দপ্তরে ই-নথির ব্যবহার ত্বরান্বিত করা আবশ্যিক।
এমতাবস্থায় মন্ত্রণালয়/বিভাগ ও অধীন দপ্তরের আওতাধীন বিভাগীয়, আঞ্চলিক, জেলা ও উপজেলা অফিসে বর্তমান পরিস্থিতিতে ই-নথি কার্যক্রম বেগবান করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সচিবদের নির্দেশনা দেওয়া হয়।
চিঠিতে বলা হয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে বিষয়টি সার্বক্ষণিক পরিবীক্ষণ করবে।

খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।