![]() |
| মিথ্যা ও ভিত্তিহীন: ড. আব্দুস সালাম ও মাহাদি আমিনকে জড়িয়ে ফেসবুক পোস্টের সত্যতা মেলেনি |
মিথ্যা তথ্য ছড়ানো থেকে সতর্ক থাকুন!
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ফেসবুক পোস্টে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের শিক্ষক প্রফেসর ড. আব্দুস সালাম এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহাদি আমিনকে জড়িয়ে নানা গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করা হয়। তবে প্রাথমিক তদন্তে এসব অভিযোগের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।
তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, মিরপুরের মাজার রোড এলাকায় ফ্ল্যাট ও জমি দখলের অভিযোগ এবং মালয়েশিয়ায় কলিং ভিসা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অর্থ আদায়ের বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। সংশ্লিষ্ট কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ বা তথ্য এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে প্রফেসর ড. আব্দুস সালামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি স্পষ্টভাবে জানান, মাহাদি আমিনের সঙ্গে তার কোনো আত্মীয়তার সম্পর্ক নেই। সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো তথ্যকে তিনি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, তাকে সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্যই একটি মহল এ ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে।
অন্যদিকে, স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মিরপুর দারুস সালাম থানাধীন মাজার রোড এলাকায় তার নামে একটি জমি থাকলেও সেটি একাধিক মালিকানার (শেয়ারভিত্তিক) অংশ, যেখানে মোট ১৫ জন অংশীদার রয়েছেন। বিষয়টি স্বাভাবিক সম্পত্তি মালিকানার আওতাতেই পড়ে।
আরও জানা যায়, ড. আব্দুস সালামের পৈতৃক বাড়ি ঝিনাইদহ জেলায় এবং তার সঙ্গে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামানের ব্যক্তিগত পরিচয় থাকলেও সেটি সামাজিক ও পারিবারিক পর্যায়ের সম্পর্ক, যা কোনো অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়।
এ ঘটনায় ড. আব্দুস সালাম বিব্রতবোধ করছেন বলে জানিয়েছেন এবং মিথ্যা তথ্য প্রচারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যাচাই-বাছাই ছাড়া এ ধরনের সংবেদনশীল অভিযোগ প্রচার জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে। তাই তথ্য শেয়ার করার আগে নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে সত্যতা যাচাই করা জরুরি।







খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।