মানুষের ধারণা ক্যান্সার হলেই মৃত্যু অবধারিত। অথচ হোমিও চিকিৎসায় অনেক ক্যান্সার রোগীই সম্পূর্ণভাবে আরোগ্য লাভ করে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ দেশের সংশ্লিষ্ট দফতরগুলো কোটি কোটি টাকা খরচ করে যেখানে ক্যান্সার নিরাময়ে কোনো কূলকিনারা পাচ্ছে না সেখানে হোমিও চিকিৎসায় ক্যান্সারমুক্ত বাংলাদেশ গড়া অসম্ভব নয়। একজন হোমিও চিকিৎসক হিসেবে আমি নিশ্চিত করতে চাই, হোমিও ওষুধের মাধ্যমে ক্যান্সারমুক্ত বিশ্ব গড়া সম্ভব। আপনারা অবশ্যই অবগত আছেন যে, বাংলাদেশে প্রতি বছর লাখ লাখ মানুষ ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছে এবং মৃত্যুবরণ করছে। কিন্তু রোগীরা লাখ লাখ টাকা খরচ করেও এ রোগ থেকে রেহাই পাচ্ছে না। এমনকি সম্পূর্ণভাবে আরোগ্য লাভ করছে এমন নজির আমার জানা নেই। কিন্তু হোমিও চিকিৎসায় অনেক মুমূর্ষু রোগী সম্পূর্ণভাবে ক্যান্সারমুক্ত হয়ে নতুন জীবন লাভ করেছে। দেশে-বিদেশে বহু হোমিও চিকিৎসক আছেন, যারা দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারের চিকিৎসা করছেন। বিশেষভাবে ড. আহমেদ আলীকে স্মরণ করতেই হয়। তিনি অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে এবং সফলভাবে ক্যান্সার চিকিৎসা করে গেছেন। এখনও অনেক ডাক্তার আছেন যারা ক্যান্সার চিকিৎসা করছেন। তবে সবাই যে সফলতা পাবেন, এমন কোনো কথা নেই। এজন্য চিকিৎসকের বাস্তব অভিজ্ঞতা, সঠিক রোগ নির্ণয় ও সঠিকভাবে ওষুধ নির্বাচন করে যথাযথ ওষুধ প্রয়োগের পর্যাপ্ত যোগ্যতা থাকা প্রয়োজন। সঠিক রোগ ও ওষুধ নির্বাচনের জন্য একজন হোমিও ডাক্তারের বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য থাকা প্রয়োজন। একজন ডাক্তারের এলোপ্যাথি ও হোমিওপ্যাথি উভয় চিকিৎসা বিজ্ঞানের সর্বশেষ প্রযুক্তি ও আবিষ্কার সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান থাকতে হবে। তাকে অত্যন্ত ধৈর্যশীল হতে হবে। যাতে করে দীর্ঘ সময় ধরে রোগীর বক্তব্য শুনতে তিনি বিরক্ত না হন। হোমিও ওষুধের ওপর সর্বশেষ আবিষ্কারসহ পরিপূর্ণ জ্ঞান থাকতে হবে। এছাড়াও বিপরীতমুখী ও একমুখী ওষুধ সম্পর্কে জ্ঞান থাকতে হবে। মানুষের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ও মানবদেহের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের কার্যকারিতা সম্পর্কে অবগত হতে হবে। হোমিও চিকিৎসা সহজ কোনো বিষয় নয়। এ বিষয়ে চিকিৎসা করতে হলে সর্বোচ্চ জ্ঞান নিয়ে চিকিৎসা করতে হবে ও ওষুধ নির্বাচন করতে হবে। আর সঠিক ডায়াগনোসিসের মাধ্যমে কার্যকরী ওষুধ প্রয়োগ করলে হোমিও চিকিৎসায় অনেক ক্যান্সারই ভালো হয়
