মুফতী জাকির হোসাইন আশরাফ:
মুসলমানদের দুইটি খুশীর দিন
ঈদুল ফিতর আর ঈদুল আজহার দিন।
রমজানের রোজা রাখার পর মহান আল্লাহর শুকরিয়া আদায় স্বরুপ ঈদুল ফিতর পালন করা হয়।
অন্যদিকে ঈদুল আজহায় মুসলিম মিল্লাতের পিতা হযরত ইব্রাহিম আঃ এর সুন্নতের
অনুরসরনে আল্লাহর জন্য পশু কোরবানি করা হয়।এতে রয়েছে পূর্ণ সাওয়াবের
সুসংবাদ।
হাদীসে হযরত আয়েশা রাঃ থেকে বর্নিত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন,কোরবানির দিনসমূহে আল্লাহ তা'আলার নিকট কোরবানি
করার চেয়ে অধিক প্রিয় কোন আমল নেই।
তিরমিযী-১৪৯৩
যেহেতু ঈদ শুধু উতসবের জন্য নয়
বরং ইহা একটি ইবাদত।
বিশেষ করে ঈদুল আজহার কোরবানি শরীয়তের একটি অকাট্য বিধান।সুতারাং শরীয়তের
সকল বিধান শরীয়ত অনুযায়ী হতে হবে।
আমল করার আগে আমলের পরিশুদ্ধতার নিয়ম জানতে হবে।
সঠিক মাসআলা না জানার কারণে আমল করার পরেও সাওয়াব থেকে বঞ্চিত হতে হয়।
যেহেতু আমরা অনেকেই কোরবানি করব তাই আসুন কোরবানির মাসায়েলগুলো সংক্ষিপ্ত
ভাবে জেনে নিই।
কোরবানির নেসাব
-----------------------
কোরবানির দিনগুলোতে সাড়ে সাত ভরি স্বর্ণ অথবা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রোপা বা
ঐ পরিমাণ সমমূল্যের নগদ অর্থ অথবা বর্তমানে বসবাস ও খোরাকির প্রয়োজন
আসেনা এমন জমি,প্রয়োজনাতিরিক্ত বাড়ি,ব্যবসায়িক পণ্য,ও প্রয়োজনাতিরিক্ত
অন্য আসবাবপত্রের মালিক হলে তার উপর কোরবানি ওয়াজিব।
কোরবানি কার উপর ওয়াজিব
-----------------------
প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ মস্তিষ্ক সম্পন্ন মুসলিম নরনারী যে জিলহজ্ব
মাসের ১০ তারিখ সুবহে সাদিকের সময় থেকে ১২ তারিখ সূর্যাস্ত পর্যন্ত
সময়ের প্রয়োজনাতিরিক্ত নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হবে এবং ওই ব্যাক্তি
উক্ত তিনদিন সময় মুসাফির না হয় তার উপর কোরবানি ওয়াজিব।
আর কোরবানির টাকা সম্পূর্ণ হালাল হতে হবে।
কোরবানির নিয়ত পরিশুদ্ধ হওয়া
-----------------------
কোরবানি একমাত্র আল্লাহ তাআলার সন্তষ্টির উদ্যেশ্যে পালন করতে হবে।
এছাড়া লোক দেখানো বা গোশত খাওয়ার নিয়তে কোরবানি করলে সহীহ হবেনা।
অংশীদারি কোরবানিতে একজনের নিয়ত অশুদ্ধ থাকলেও সবার কোরবানি নষ্ট হবে
অতএব কোরবানিতে শরীক নির্বাচনে সতর্ক হওয়া চাই।
যেসব পশুর দ্বারা কোরবানি করা যায়
-----------------------
গৃহপালিত উট ,গরু, মহিষ ,ছাগল ,ভেড়া ,দুম্বা এগুলোর নর মাদি উভয় টি কোরবানি চলবে।
বন্য গরু ,হরিণ কোরবানি জায়েজ নয়।
কোরবানির পশু মোটাতাজা,হৃষ্টপুষ্ট ও নিখুঁত হওয়া উত্তম।
কোরবানির জন্তুর বয়স
-----------------------
উট কমপক্ষে ৫ বছরের হতে হবে
গরু মহিষ কমপক্ষে ২ বছরের হতে হবে
ছাগল ভেড়া দুম্বা ১ বছরের হতে হবে
ছাগলের বয়স ১ বছরের কম হলে কোরবানি চলবেনা
শরীকে কোরবানি করা
-----------------------
ছাগল ভেড়া দুম্বা একজনই কোরবানি করতে পারবে
উট গরু মহিষে সাত জন পর্যন্ত শরীক হতে পারবে।
শরীকে কোরবানিতে একটি বিষয় অবশ্যই খেয়াল করতে হবে গোস্ত বন্টনের সময়
ওজন করে সমানভাবে গোস্ত বন্টন করতে হবে
অনুমান করে বন্টন করা জায়েজ নেই।
কোরবানির পশু ত্রুটি মুক্ত হওয়া
-----------------------
বেশি খোঁড়া,অন্ধ,অধির রুগ্ন,অতিশয় ক্ষীণ দূর্বল
যা জবাইয়ের স্থান পর্যন্ত হেটে যেতে পারেনা তা দ্বারা কোরবানি করা সহীহ নয়।
যে পশুর দুটি চোখ পুরো নষ্ট সে পশু কোরবানি সহীহ নয়
যে পশুর একটি দাঁতও নেই যে খাদ্য চিবুতে পারেনা এমন পশু দ্বারা কোরবানি সহীহ নয়।
শিং ভাংগার কারনে মস্তিষ্কে ক্ষতিগ্রস্ত পশু দ্বারা কোরবানি সহীহ হবেনা
তবে অর্ধেক কিংবা তার থেকে কম অথবা উঠেইনি এর দ্বারা কোরবানি সহীহ হবে।
কান অর্ধেকের বেশি কাটা থাকলে জায়েজ হবেনা
তবে কান জন্মগত ভাবে কান ছোট থাকলে অসুবিধা নেই।
কোরবানির নিয়তে ভাল পশু কেনার পর ত্রুটি দেখা দিলে
ঐ পশু কোরবানি হবেনা অন্যটি দিতে হবে
তবে কোরবানি দাতা গরীব হলে ত্রুটিযুক্ত পশুই কোরবানি করবে।
গর্ভবতী পশুর কোরবানি
-----------------------
গর্ভবতী পশু কোরবানি জায়েজ
তবে গর্ভ নিকটবর্তী হলে মাকরুহ হবে।
জবাইয়ের পর বাচ্চা পেলে ঐটাও জবাই করতে হবে।
পশু জবাইয়ের বিধান
-----------------------
নিজের কোরবানির পশু নিজেই জবাই করা উত্তম
নিজে না পারলে অন্যকে দিয়েও জবাই করানো যায়।
তবে কোরবানির স্থানে উপস্থিত থাকা ভাল।
জবাইয়ের সময়
'বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার "
বলে জবাই করবে
ইচ্ছাকৃত বিসমিল্লাহ ছাড়লে পশু হারাম হবে।
জবাইয়ে পশুর চারটি রগ
শ্বাস নালী,খাদ্যনালী,ও দুটি রক্তনালী মধ্যে থেকে তিনটি কাটা আবশ্যক
চারটি কাটা উত্তম।
ধারালো অস্ত্র দ্বারা জবাই করা উত্তম।
জবাইয়ের পশু নিস্তেজ হওয়ার আগে চামড়া খসানো বা অন্য কোন অন্গ কাটা মাকরুহ।
কোরবানির পশু জবাইয়ের পারিশ্রমিক দেওয়া নেওয়া জায়েজ আছে।
তবে কোরবানির পশুর কোন অংশ পারিশ্রমিক হিসেবে দেওয়া জায়েজ নেই।
কোরবানির পশু জবাই কিংবা যারা গোস্ত বানাবে কিংবা চামড়া খসাবে
ওজন করবে এদের পারিশ্রমিক হিসেবে কোরবানির গোস্ত দেওয়া জায়েজ নয়।
কসাই কিংবা যারা গোস্ত তৈরি করবে তাদের আলাদা পারিশ্রমিক দিতে হবে।
কোরবানির পশু ক্রয়ের পর জবাইয়ের আগে উপকৃত হওয়া
-----------------------
কোরবানি পশু ক্রযের পর হালচাষ,আরোহণ করা,পশম কাটা,দুধ দোহন করা ইত্যাদি জায়েজ নয় ।
যদি এসব করে ফেলে তাহলে এর মূল্য সদকা করবে।
কোরবানি গোস্তের বিধান
-----------------------
কোরবানির গোস্তের এক তৃতীয়াংশ গরীব মিসকীন
এক তৃতীয়াংশে আত্মীয় স্বজন ও পাড়া প্রতিবেশীকে দেওয়া উত্তম।
কোরবানির গোস্ত দীর্ঘ দিন রেখেও খেতে পারবে।
কোরবানির পশুর অংশ বিক্রয়
-----------------------
কোরবানির পশুর কোন অংশ যথা-গোশত চর্বি হাড্ডি ইত্যাদি বিক্রি করা জায়েজ
নয়।বিক্রি করলে পূর্ণ মূল্যে সদকা করতে হবে।
কোরবানির পশুর চামড়া
-----------------------
কোরবানির পশুর চামড়া নিজে ব্যবহার করতে চাইলে পারবে
তবে বিক্রি করলে সেই উপযুক্ত মালিক কে সদকা করতে হবে।
কোরবানির পশুর চামড়া বিক্রির টাকা দিয়ে মসজিদ মাদ্রাসার নির্মাণ কাজ জায়েজ নাই।
তবে যেসব মাদ্রাসায় গরীব এতিম অসহায় ছাত্র আছে কিংবা লিল্লাহ বোর্ডিং আছে
সেখানে দেওয়া যেতে পারে
বরং ইহা উত্তম
কারণ এলমে দ্বীন শিক্ষার কাজে সহযোগিতার জন্য সদকায়ে জারিয়ার সাওয়াব হবে।
মুফতী জাকির হোসাইন আশরাফ
ইমাম ও খতীব,
বায়তুল ফালাহ জামে মসজিদ
পশ্চিম বাজার,
বকশীগঞ্জ,
জামালপুর
মুসলমানদের দুইটি খুশীর দিন
ঈদুল ফিতর আর ঈদুল আজহার দিন।
রমজানের রোজা রাখার পর মহান আল্লাহর শুকরিয়া আদায় স্বরুপ ঈদুল ফিতর পালন করা হয়।
অন্যদিকে ঈদুল আজহায় মুসলিম মিল্লাতের পিতা হযরত ইব্রাহিম আঃ এর সুন্নতের
অনুরসরনে আল্লাহর জন্য পশু কোরবানি করা হয়।এতে রয়েছে পূর্ণ সাওয়াবের
সুসংবাদ।
হাদীসে হযরত আয়েশা রাঃ থেকে বর্নিত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন,কোরবানির দিনসমূহে আল্লাহ তা'আলার নিকট কোরবানি
করার চেয়ে অধিক প্রিয় কোন আমল নেই।
তিরমিযী-১৪৯৩
যেহেতু ঈদ শুধু উতসবের জন্য নয়
বরং ইহা একটি ইবাদত।
বিশেষ করে ঈদুল আজহার কোরবানি শরীয়তের একটি অকাট্য বিধান।সুতারাং শরীয়তের
সকল বিধান শরীয়ত অনুযায়ী হতে হবে।
আমল করার আগে আমলের পরিশুদ্ধতার নিয়ম জানতে হবে।
সঠিক মাসআলা না জানার কারণে আমল করার পরেও সাওয়াব থেকে বঞ্চিত হতে হয়।
যেহেতু আমরা অনেকেই কোরবানি করব তাই আসুন কোরবানির মাসায়েলগুলো সংক্ষিপ্ত
ভাবে জেনে নিই।
কোরবানির নেসাব
-----------------------
কোরবানির দিনগুলোতে সাড়ে সাত ভরি স্বর্ণ অথবা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রোপা বা
ঐ পরিমাণ সমমূল্যের নগদ অর্থ অথবা বর্তমানে বসবাস ও খোরাকির প্রয়োজন
আসেনা এমন জমি,প্রয়োজনাতিরিক্ত বাড়ি,ব্যবসায়িক পণ্য,ও প্রয়োজনাতিরিক্ত
অন্য আসবাবপত্রের মালিক হলে তার উপর কোরবানি ওয়াজিব।
কোরবানি কার উপর ওয়াজিব
-----------------------
প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ মস্তিষ্ক সম্পন্ন মুসলিম নরনারী যে জিলহজ্ব
মাসের ১০ তারিখ সুবহে সাদিকের সময় থেকে ১২ তারিখ সূর্যাস্ত পর্যন্ত
সময়ের প্রয়োজনাতিরিক্ত নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হবে এবং ওই ব্যাক্তি
উক্ত তিনদিন সময় মুসাফির না হয় তার উপর কোরবানি ওয়াজিব।
আর কোরবানির টাকা সম্পূর্ণ হালাল হতে হবে।
কোরবানির নিয়ত পরিশুদ্ধ হওয়া
-----------------------
কোরবানি একমাত্র আল্লাহ তাআলার সন্তষ্টির উদ্যেশ্যে পালন করতে হবে।
এছাড়া লোক দেখানো বা গোশত খাওয়ার নিয়তে কোরবানি করলে সহীহ হবেনা।
অংশীদারি কোরবানিতে একজনের নিয়ত অশুদ্ধ থাকলেও সবার কোরবানি নষ্ট হবে
অতএব কোরবানিতে শরীক নির্বাচনে সতর্ক হওয়া চাই।
যেসব পশুর দ্বারা কোরবানি করা যায়
-----------------------
গৃহপালিত উট ,গরু, মহিষ ,ছাগল ,ভেড়া ,দুম্বা এগুলোর নর মাদি উভয় টি কোরবানি চলবে।
বন্য গরু ,হরিণ কোরবানি জায়েজ নয়।
কোরবানির পশু মোটাতাজা,হৃষ্টপুষ্ট ও নিখুঁত হওয়া উত্তম।
কোরবানির জন্তুর বয়স
-----------------------
উট কমপক্ষে ৫ বছরের হতে হবে
গরু মহিষ কমপক্ষে ২ বছরের হতে হবে
ছাগল ভেড়া দুম্বা ১ বছরের হতে হবে
ছাগলের বয়স ১ বছরের কম হলে কোরবানি চলবেনা
শরীকে কোরবানি করা
-----------------------
ছাগল ভেড়া দুম্বা একজনই কোরবানি করতে পারবে
উট গরু মহিষে সাত জন পর্যন্ত শরীক হতে পারবে।
শরীকে কোরবানিতে একটি বিষয় অবশ্যই খেয়াল করতে হবে গোস্ত বন্টনের সময়
ওজন করে সমানভাবে গোস্ত বন্টন করতে হবে
অনুমান করে বন্টন করা জায়েজ নেই।
কোরবানির পশু ত্রুটি মুক্ত হওয়া
-----------------------
বেশি খোঁড়া,অন্ধ,অধির রুগ্ন,অতিশয় ক্ষীণ দূর্বল
যা জবাইয়ের স্থান পর্যন্ত হেটে যেতে পারেনা তা দ্বারা কোরবানি করা সহীহ নয়।
যে পশুর দুটি চোখ পুরো নষ্ট সে পশু কোরবানি সহীহ নয়
যে পশুর একটি দাঁতও নেই যে খাদ্য চিবুতে পারেনা এমন পশু দ্বারা কোরবানি সহীহ নয়।
শিং ভাংগার কারনে মস্তিষ্কে ক্ষতিগ্রস্ত পশু দ্বারা কোরবানি সহীহ হবেনা
তবে অর্ধেক কিংবা তার থেকে কম অথবা উঠেইনি এর দ্বারা কোরবানি সহীহ হবে।
কান অর্ধেকের বেশি কাটা থাকলে জায়েজ হবেনা
তবে কান জন্মগত ভাবে কান ছোট থাকলে অসুবিধা নেই।
কোরবানির নিয়তে ভাল পশু কেনার পর ত্রুটি দেখা দিলে
ঐ পশু কোরবানি হবেনা অন্যটি দিতে হবে
তবে কোরবানি দাতা গরীব হলে ত্রুটিযুক্ত পশুই কোরবানি করবে।
গর্ভবতী পশুর কোরবানি
-----------------------
গর্ভবতী পশু কোরবানি জায়েজ
তবে গর্ভ নিকটবর্তী হলে মাকরুহ হবে।
জবাইয়ের পর বাচ্চা পেলে ঐটাও জবাই করতে হবে।
পশু জবাইয়ের বিধান
-----------------------
নিজের কোরবানির পশু নিজেই জবাই করা উত্তম
নিজে না পারলে অন্যকে দিয়েও জবাই করানো যায়।
তবে কোরবানির স্থানে উপস্থিত থাকা ভাল।
জবাইয়ের সময়
'বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার "
বলে জবাই করবে
ইচ্ছাকৃত বিসমিল্লাহ ছাড়লে পশু হারাম হবে।
জবাইয়ে পশুর চারটি রগ
শ্বাস নালী,খাদ্যনালী,ও দুটি রক্তনালী মধ্যে থেকে তিনটি কাটা আবশ্যক
চারটি কাটা উত্তম।
ধারালো অস্ত্র দ্বারা জবাই করা উত্তম।
জবাইয়ের পশু নিস্তেজ হওয়ার আগে চামড়া খসানো বা অন্য কোন অন্গ কাটা মাকরুহ।
কোরবানির পশু জবাইয়ের পারিশ্রমিক দেওয়া নেওয়া জায়েজ আছে।
তবে কোরবানির পশুর কোন অংশ পারিশ্রমিক হিসেবে দেওয়া জায়েজ নেই।
কোরবানির পশু জবাই কিংবা যারা গোস্ত বানাবে কিংবা চামড়া খসাবে
ওজন করবে এদের পারিশ্রমিক হিসেবে কোরবানির গোস্ত দেওয়া জায়েজ নয়।
কসাই কিংবা যারা গোস্ত তৈরি করবে তাদের আলাদা পারিশ্রমিক দিতে হবে।
কোরবানির পশু ক্রয়ের পর জবাইয়ের আগে উপকৃত হওয়া
-----------------------
কোরবানি পশু ক্রযের পর হালচাষ,আরোহণ করা,পশম কাটা,দুধ দোহন করা ইত্যাদি জায়েজ নয় ।
যদি এসব করে ফেলে তাহলে এর মূল্য সদকা করবে।
কোরবানি গোস্তের বিধান
-----------------------
কোরবানির গোস্তের এক তৃতীয়াংশ গরীব মিসকীন
এক তৃতীয়াংশে আত্মীয় স্বজন ও পাড়া প্রতিবেশীকে দেওয়া উত্তম।
কোরবানির গোস্ত দীর্ঘ দিন রেখেও খেতে পারবে।
কোরবানির পশুর অংশ বিক্রয়
-----------------------
কোরবানির পশুর কোন অংশ যথা-গোশত চর্বি হাড্ডি ইত্যাদি বিক্রি করা জায়েজ
নয়।বিক্রি করলে পূর্ণ মূল্যে সদকা করতে হবে।
কোরবানির পশুর চামড়া
-----------------------
কোরবানির পশুর চামড়া নিজে ব্যবহার করতে চাইলে পারবে
তবে বিক্রি করলে সেই উপযুক্ত মালিক কে সদকা করতে হবে।
কোরবানির পশুর চামড়া বিক্রির টাকা দিয়ে মসজিদ মাদ্রাসার নির্মাণ কাজ জায়েজ নাই।
তবে যেসব মাদ্রাসায় গরীব এতিম অসহায় ছাত্র আছে কিংবা লিল্লাহ বোর্ডিং আছে
সেখানে দেওয়া যেতে পারে
বরং ইহা উত্তম
কারণ এলমে দ্বীন শিক্ষার কাজে সহযোগিতার জন্য সদকায়ে জারিয়ার সাওয়াব হবে।
মুফতী জাকির হোসাইন আশরাফ
ইমাম ও খতীব,
বায়তুল ফালাহ জামে মসজিদ
পশ্চিম বাজার,
বকশীগঞ্জ,
জামালপুর
