![]() |
| জামালপুরে গ্রাম আদালত বিষয়ক উপজেলা রিসোর্স টিমের দুই দিনব্যাপী রিফ্রেশার্স প্রশিক্ষণ সম্পন্ন |
জামালপুরে গ্রাম আদালত বিষয়ক উপজেলা রিসোর্স টিমের রিফ্রেশার্স প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন
জামালপুরে 'বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ প্রকল্প (৩য় পর্যায়)'-এর আওতায় উপজেলা রিসোর্স টিমের সদস্যদের নিয়ে দুই দিনব্যাপী বিশেষ রিফ্রেশার্স প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। জামালপুর জেলা প্রশাসনের আয়োজনে গত সোমবার ও আজ মঙ্গলবার (১৫ ও ১৬ জুন) শহরের একটি অভিজাত হোটেলে এই প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। দুই দিনব্যাপী দুই ব্যাচের এই সফল প্রশিক্ষণ শেষে আজ বিকেলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সমাপনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এই রিফ্রেশার্স প্রশিক্ষণে জামালপুর জেলার ৭টি উপজেলা— জামালপুর সদর, মাদারগঞ্জ, দেওয়ানগঞ্জ, মেলান্দহ, ইসলামপুর, বকশীগঞ্জ ও সরিষাবাড়ীর উপজেলা রিসোর্স টিমের সদস্যরা অংশ নেন। প্রশিক্ষণে সকল উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা এসিল্যান্ড এবং রিসোর্স টিমের অন্যান্য সদস্যসহ মোট ৫২ জন কর্মকর্তা ও প্রশিক্ষক অংশগ্রহণ করেন। পুরো কার্যক্রমে গ্রাম আদালত বিষয়ে সার্বিক সহযোগিতা ও নিখুঁত সমন্বয় করেন প্রকল্পের জেলা ব্যবস্থাপক মাহফুজা রহমান।
দুই দিনব্যাপী এই নিবিড় প্রশিক্ষণে তৃণমূল পর্যায়ে গ্রাম আদালতের কার্যক্রমকে আরও বেগবান করা, ব্যাপক প্রচারণা চালানো এবং এর আইনি গুরুত্বের নানাবিধ দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশ্যে গ্রাম আদালত সংক্রান্ত বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র ও ভিডিও প্রদর্শন করা হয় এবং এর আইনি তাৎপর্য বিস্তারিত আকারে বিশ্লেষণ করা হয়।
প্রশিক্ষণ শেষে আজ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন জামালপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ ইউসুপ আলী।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন— জামালপুর স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মৌসুমী খানম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইয়াহিয়া আল মামুন এবং জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. রোকোনুল ইসলামসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইউসুপ আলী বলেন, "গ্রাম আদালত তৃণমূল পর্যায়ে সাধারণ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের দোরগোড়ায় অত্যন্ত দ্রুত এবং নামমাত্র খরচে সঠিক ন্যায়বিচার পৌঁছে দিচ্ছে। এর ফলে স্থানীয় ছোটখাটো বিরোধগুলো গ্রামেই সহজে মীমাংসা হয়ে যাচ্ছে, যা দেশের উচ্চ আদালতগুলোর ওপর মামলার জট ও চাপ কমানোর পাশাপাশি গ্রামীণ সমাজে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে অনন্য ভূমিকা রাখছে।" তিনি গ্রামীণ বিচার ব্যবস্থাকে সাধারণ মানুষের কাছে আরও বেশি জনপ্রিয়, জনবান্ধব ও কার্যকর রাখতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা ও রিসোর্স টিমের সদস্যদের নিষ্ঠার সাথে কাজ করার আহ্বান জানান।







খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।