![]() |
| রৌমারী-ঢাকা মহাসড়কের ৩৫ কিলোমিটার জুড়ে খানাখন্দ: ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন |
রৌমারী-ঢাকা মহাসড়কে সংস্কারের অভাব: ৩৫ কিলোমিটার জুড়ে মরণফাঁদ
কুড়িগ্রামের রৌমারী টু ঢাকা মহাসড়কের প্রায় ৩৫ কিলোমিটার এলাকা এখন খানাখন্দে একাকার। সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টি ও নিম্মমানের নির্মাণ কাজের ফলে সড়কের বিভিন্ন স্থানে শতাধিক বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও ট্যাংক লরি সহ সকল প্রকার যানবাহন চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, রৌমারী উপজেলার জন্দিরকান্দা, স্লুইসগেট, চাক্তাবাড়ি, ধনারচর ও সায়দাবাদ এলাকা এবং রাজিবপুর উপজেলার কোমরভাঙ্গি স্লুইসগেট, শিবেরডাঙ্গি, মনিচাকান্দি, বটতলা তেলপাম্প, ফায়ার সার্ভিস ও ধুলাউড়ি স্লুইসগেট পর্যন্ত সড়কের অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। রৌমারী, রাজিবপুর ও দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার প্রায় ৮ লক্ষাধিক মানুষের যাতায়াতের একমাত্র এই সড়কে প্রতিনিয়ত যানবাহন উল্টে দুর্ঘটনা ঘটছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও সাধারণ পথচারীরা।
স্থানীয় কোমরভাঙ্গি এলাকার বাসিন্দা সহকারী শিক্ষক সুলতান আহমেদ বলেন, “বৃষ্টি ও নি¤œমানের কাজের কারণে রাস্তার দুই পাশে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। সড়কটি দ্রুত মেরামতের দাবি জানাচ্ছি।” একই উদ্বেগ প্রকাশ করে ট্রাক চালক মাজেদ মিয়া জানান, রাতের বেলায় এই রাস্তায় গাড়ি চালানো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। অনেক জায়গায় সড়কের মাঝখানের অংশও ভেঙে ধসে গেছে।
এ বিষয়ে রাজিবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আলাউদ্দিন জানান, “রাস্তার বেহাল অবস্থার বিষয়টি জেনেছি এবং সড়ক ও জনপদ বিভাগের সাথে কথা বলেছি। তারা দ্রুত ব্যবস্থা নেবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন।”
কুড়িগ্রাম জেলা প্রকৌশলী জানান, বর্তমানে সড়কটি জামালপুর জেলার সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের অধীনে রয়েছে। এ প্রসঙ্গে জামালপুর সওজ-এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নওয়াজিস রহমান বিশ্বাস বলেন, “টানা বৃষ্টির কারণে সংস্কার কাজ শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই দ্রুত সড়কটি মেরামতের কাজ শুরু করা হবে।”







খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।