![]() |
| জামালপুরে বিচারক দম্পতির বাসায় চুরির রহস্য উদঘাটন: অলংকার উদ্ধার, গ্রেপ্তার আরও ৫ |
জামালপুরে বিচারক দম্পতির বাসায় চুরির রহস্য উদঘাটন: অলংকার উদ্ধার, গ্রেপ্তার আরও ৫
জামালপুর শহরের আমলাপাড়ায় বিচারক দম্পতির ফ্ল্যাটের জানালার গ্রিল কেটে প্রায় ১৯ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার চুরির ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। আন্তঃজেলা চোর চক্রের ৩ সদস্য এবং চোরাই গহনা কেনার অপরাধে ২ স্বর্ণ ব্যবসায়ীসহ মোট ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সাথে উদ্ধার করা হয়েছে চুরির পর রূপান্তরিত স্বর্ণ ও বিপুল পরিমাণ রূপার অলংকার।
আজ রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জামালপুর পিবিআই কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন পিবিআই জামালপুরের পুলিশ সুপার পংকজ দত্ত।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ৩০ জুন সন্ধ্যায় শহরের আমলাপাড়ায় বিচারক দম্পতি আহমাদুল কবির শাকিল ও নুসরাত জেরিন জেনির ভাড়া বাসার জানালার গ্রিল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে চোর চক্র। সেখান থেকে নগদ ১ লাখ টাকাসহ প্রায় ১৯ লাখ ১৭ হাজার টাকার স্বর্ণালংকার চুরি করে পালিয়ে যায় তারা। ঘটনার পর দিন আদালতের ভারপ্রাপ্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তা বাদী হয়ে জামালপুর সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশে মামলাটির তদন্তভার পিবিআইকে দেওয়া হয়।
তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পিবিআইর একটি দল গত ২৫ আগস্ট চুরির সাথে সরাসরি জড়িত রাহুল (২৪) ও বিশাল (২১) নামের দুই ভাইকে এবং ২ সেপ্টেম্বর দুখু মিয়া (২৪) নামে আরও এক চোরকে গ্রেপ্তার করে। তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ৩ সেপ্টেম্বর স্বর্ণ ব্যবসায়ী মাসুদ রানা (৪২) ও মোশারফ হোসেন (৩৮)-কে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে রূপান্তর করা ২৩.১৯ গ্রাম স্বর্ণ এবং প্রায় ২৬ ভরি রূপার অলংকার জব্দ করা হয়েছে।
মামলার বর্তমান তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআইয়ের পরিদর্শক রূপম কুমার সরকার জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে চোর চক্রের ৩ সদস্য আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
তিনি আরও জানান, এর আগে জামালপুর সদর থানা পুলিশ চুরির ঘটনায় বাসার গৃহকর্মী, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই সাবেক নেতাসহ যে ৫ জনকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছিল, কললিস্ট ও জবানবন্দি যাচাই করে তাদের চুরির সাথে কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি। পিবিআইর তদন্তে প্রমাণ হয়েছে, পূর্বে গ্রেপ্তারকৃতরা সম্পূর্ণ নির্দোষ।
পিবিআই জামালপুরের পুলিশ সুপার পংকজ দত্ত জানান, দায়িত্ব পাওয়ার পর পিবিআইর তদন্ত দল নিরলস কাজ করে ঘটনার শতভাগ রহস্য উদঘাটন করেছে। চুরির সাথে জড়িত অন্য আসামীদের গ্রেপ্তার ও বাকি মালামাল উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।







খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।