![]() |
| বকশীগঞ্জে ঘূর্ণিঝড়ে ভেঙে গেল দরিদ্রের একমাত্র দোকান, আকুতি সহায়তার |
বকশীগঞ্জে ঘূর্ণিঝড়ে ভেঙে গেল দরিদ্রের একমাত্র দোকান, আকুতি সহায়তার
জামালপুরের বকশীগঞ্জে বয়ে যাওয়া তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে একটি বিশাল সরকারি গাছ উপড়ে পড়ে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন এক দরিদ্র ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। গাছের ভারে একমাত্র দোকান ঘরটি দুমড়ে-মুচড়ে সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় বন্ধ হয়ে গেছে তাঁর পরিবার চালানোর একমাত্র উপার্জনের পথ।
(ads1)
ঘটনাটি ঘটেছে বকশীগঞ্জ উপজেলার বকশীগঞ্জ-সারমারা প্রধান সড়কের দক্ষিণ পাশে খাসিরপাড়া এলাকায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৮ অক্টোবর দুপুরে হঠাৎ বয়ে যাওয়া বিধ্বংসী ঝড়ে সড়কের পাশে থাকা একটি বড় সরকারি গাছ উপড়ে পড়ে স্থানীয় অধিবাসী মো. কামরুল হাসানের দোকান ঘরের ওপর। এতে মুহূর্তের মধ্যে দোকানটি ভেঙে মাটির সঙ্গে মিশে যায় এবং ভেতরে থাকা মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ব্যবসা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। দরিদ্র পরিবারের সন্তান কামরুল হাসান বর্তমানে কোনো আয়-রোজগার না থাকায় পরিবার-পরিজন নিয়ে চরম অবর্ণনীয় আর্থিক সঙ্কটে দিন কাটাচ্ছেন।
আরও পড়ুন:
- নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকের প্রাপ্য অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমার দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী
- বকশীগঞ্জে অবৈধ ড্রেজার মেশিন ও পাইপ ধ্বংস করলো ভ্রাম্যমাণ আদালত
- ১৭ বছরের শাসনামলে বারবার গণতন্ত্র মুখ থুবড়ে পড়েছিল: আমান উল্লাহ আমান
- মেলান্দহে ফেমিলি কার্ড অবহিতকরণ সভা, স্বচ্ছতা বজায় রাখার নির্দেশ
- বকশীগঞ্জে অটোরিকশা-ভ্যান সংঘর্ষে শিশু নিহত, মা গুরুতর আহত
ঘটনাস্থলে বিশাল গাছটি এখনো দোকানের ওপর পড়ে থাকায় সেটি দ্রুত অপসারণ না করা পর্যন্ত নতুন করে ঘর মেরামত বা ব্যবসা পরিচালনা করা কামরুলের পক্ষে কোনোভাবেই সম্ভব হচ্ছে না।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী মো. কামরুল হাসান কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, "ঘূর্ণিঝড়ে আমার দোকান ঘরের ওপর সরকারি বড় একটি গাছ ভেঙে পড়ছে। আমি একজন সহায়-সম্বলহীন দরিদ্র মানুষ, এই দোকানটাই ছিল আমার আয়ের শেষ সম্বল। দোকানটা ভেঙে যাওয়ায় এখন পরিবার নিয়ে দুবেলা দুমুঠো খাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। সরকারি গাছটি অপসারণ না করলে আমি দোকান চালুই করতে পারছি না। প্রশাসন যদি গাছটি দ্রুত সরিয়ে দেয় এবং আমাকে সামান্য আর্থিক সাহায্য করে, তবেই আমি আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারব।"
(ads2)
উপার্জনের একমাত্র পথ হারিয়ে নিঃস্ব কামরুল হাসান গত ১১ অক্টোবর বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন। তিনি জরুরি ভিত্তিতে ভেঙে পড়া সরকারি গাছটি অপসারণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটিকে পুনর্বাসনে মানবিক ও আর্থিক সহায়তার জোরালো দাবি জানান।
এ বিষয়ে বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুরাদ হোসেন জানান, "ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী লিখিত আবেদন দিয়েছেন। আমরা ভেঙে পড়া সরকারি গাছটি দ্রুত অপসারণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি এবং ক্ষতিগ্রস্ত দোকানদারকে সাধ্যমতো সরকারী আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা করা হবে।"







খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।