![]() |
| রৌমারীতে মৎস্য চাষীদের ছাড়াই পালিত হলো মৎস্য পক্ষ, সমালোচনা |
রৌমারীতে মৎস্য চাষীদের ছাড়াই পালিত হলো মৎস্য পক্ষ, সমালোচনা
“রূপালী মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ”—এ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে কুড়িগ্রামের রৌমারীতে মূল অংশীদার বা মৎস্য চাষীদের ছাড়াই উদযাপিত হয়েছে তিন দিনব্যাপী জাতীয় মৎস্য পক্ষ। কোনো মৎস্য চাষী না থাকার বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও সুশীল সমাজের মধ্যে চরম অসন্তোষ ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
আজ রোববার (১৬ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে উপজেলা চত্বরে বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনার মাধ্যমে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক।
উদ্বোধনের পর একটি শোভাযাত্রা বের হয়ে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে উপজেলা পরিষদের পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়। পরবর্তীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম পাপু মিয়া মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহবুবুল হাসানের সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন অতিরিক্ত উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. একরামুল হক, উপজেলা জামায়াতের আমীর মো. হায়দার আলী, সাধারণ সম্পাদক শাহাদৎ হোসেন, মৎস্য চাষী শহীদ মাসউদ মাওলানা ও মৎস্যজীবী মো. শুকুর মাহমুদ।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে মৎস্য চাষী শহীদ মাসউদ মাওলানা বলেন, “আমি একজন নিয়মিত মৎস্য চাষী হওয়া সত্ত্বেও উপজেলা মৎস্য দপ্তরে আমার নাম অন্তর্ভুক্ত আছে কি না, তা জানা নেই। আজকের এই মৎস্য পক্ষের আলোচনা সভাতেও প্রকৃত কোনো মৎস্য চাষীকে দেখতে পাচ্ছি না।”
প্রকৃত মৎস্য চাষীদের অনুপস্থিতির বিষয়ে জানতে চাইলে অতিরিক্ত উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান সত্যতা স্বীকার করে বলেন, “আমরা উপজেলার সব চাষীকে চিঠি পাঠিছি। চিঠি পাওয়ার পরও কেন তাঁরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত হননি, তা আমার বোধগম্য নয়।”







খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।