![]() |
| রৌমারীতে প্রথম বেসামরিক প্রশাসনের স্মৃতি সংরক্ষণে স্মৃতিফলক স্থাপনের দাবি।। ছবি: Gemini |
রৌমারীতে প্রথম বেসামরিক প্রশাসনের স্মৃতি সংরক্ষণে স্মৃতিফলক স্থাপনের দাবি
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে স্বাধীন বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ন মুক্তাঞ্চল রৌমারীর ঐতিহাসিক অবদান ও স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বেসামরিক প্রশাসন ব্যবস্থার স্মৃতি রক্ষায় স্মৃতিফলক স্থাপনের দাবি জানানো হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) রৌমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. মাহবুবুল হাসানের কাছে এ সংক্রান্ত একটি আবেদনপত্র জমা দেন জাতীয়তাবাদী যুবদলের রৌমারী উপজেলা শাখার সদস্য সচিব মো. মশিউর রহমান পলাশ।
আবেদনপত্র সূত্রে জানা যায়, ১৯৭১ সালে ৯ মাসব্যাপী পাক হানাদার বাহিনীর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকা প্রায় ৮শ বর্গমাইল এলাকা নিয়ে গঠিত ছিল রৌমারী মুক্তাঞ্চল। মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে রৌমারী ছিল বাংলাদেশের একমাত্র থানা সদর, যেখানে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনী কোনোদিন প্রবেশ করতে পারেনি। তৎকালীন জেড ফোর্স প্রধান ও শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে ১৯৭১ সালের ৬ আগস্ট লেফটেন্যান্ট নূরুন্নবীর অধীনে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ডেল্টা কোম্পানি রৌমারীর সুরক্ষার দায়িত্ব গ্রহণ করে।
পরবর্তীতে ১৯৭১ সালের ২৮ আগস্ট মেজর জিয়ার সরাসরি উপস্থিতিতে রৌমারীতে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বেসামরিক প্রশাসন ব্যবস্থার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়। পাশাপাশি তাঁর পরিকল্পনাতেই রৌমারীর মাটিতে গড়ে ওঠে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সামরিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও ক্যান্টনমেন্ট। প্রতিরক্ষাকে আরও সুদৃঢ় করতে পর্যায়ক্রমে সেখানে জেড ফোর্সের তিনটি নিয়মিত ব্যাটালিয়ন মোতায়েন করা হয়েছিল। সে সময় মেজর জিয়া প্রায়ই বলতেন, “রৌমারীতে এসে স্বাধীনতার স্বাদ পাই।”
যুবদল নেতা মো. মশিউর রহমান পলাশ বলেন, রৌমারীর মুক্তাঞ্চল ও প্রথম বেসামরিক প্রশাসনের বিজয়ের ইতিহাস আজ অবহেলিত। রৌমারী উপজেলার কোনো উপযুক্ত ও দৃশ্যমান স্থানে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক দৃষ্টিনন্দন স্মৃৃতিফলক স্থাপন ও ঐতিহাসিক স্থানগুলো সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হলে মহান মুক্তিযুদ্ধের এই গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়টি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সামনে সঠিকভাবে উপস্থাপিত হবে।







খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।