![]() |
| উল্লাপাড়ায় অবৈধ চায়না দুয়ারী জালের কারখানা জব্দ, ১ লাখ টাকা জরিমানা |
উল্লাপাড়ায় অবৈধ চায়না দুয়ারী জালের কারখানা জব্দ, ১ লাখ টাকা জরিমানা
দেশীয় মৎস্য সম্পদ রক্ষা ও মৎস্য সুরক্ষা আইন বাস্তবায়নে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় এক বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। এতে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল, কাঁচামাল এবং কারখানার প্রায় ৪০০ মণ লোহা-লস্কর ও সরঞ্জামাদি জব্দ করা হয়েছে। একই সাথে অবৈধ কারখানা পরিচালনার দায়ে ম্যানেজারকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার দুর্গানগর ইউনিয়নের শ্যামপুর গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন উল্লাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রায়হানুল ইসলাম। এ সময় উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. আতাউর রহমান এবং উল্লাপাড়া মডেল থানা পুলিশের একটি চৌকস দল উপস্থিত ছিল।
আরও পড়ুন:
- অনশনের পর জামালপুরে প্রাথমিকে নিয়োগ পেলেন ৪৪ জন, বকশীগঞ্জের ১ জনসহ বাদ ৭
- মেলান্দহে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উদযাপন, আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
- বাংলাদেশে All-round পারফরম্যান্সের নতুন C-Series Smartphone আনছে realme
- বকশীগঞ্জে ‘কৃষক কার্ড’ ও কৃষি উপকরণ সহায়তা বিতরণের শুভ উদ্বোধন
- কমরেড মনজুরুল আহসান খানের জন্মদিনে ১ হাজার মানুষ পেলেন বিনামূল্যে চক্ষু সেবা
উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. আতাউর রহমান জানান, শ্যামপুর গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে গোপনে অবৈধ চায়না দুয়ারী জালের কারখানা চালিয়ে আসার খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে আনুমানিক ২ লাখ টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ তৈরি চায়না দুয়ারী জাল ও কাঁচামাল এবং প্রায় ১ লাখ টাকা মূল্যের ৪০০ মণ কারখানার লোহা ও আনুষঙ্গিক সরঞ্জামাদি জব্দ করা হয়। এ সময় কারখানা পরিচালনার দায়ে ম্যানেজার রতন কুমার বর্মণকে (৫৫) ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
তিনি আরও জানান, জরিমানার অর্থ এবং জব্দকৃত কারখানার সরঞ্জামাদি বিক্রয়লব্ধ টাকা ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রায়হানুল ইসলাম বলেন, "মৎস্য প্রজাতি রক্ষা ও দেশীয় মাছের বংশবৃদ্ধি বজায় রাখতে নিষিদ্ধ জালের বিরুদ্ধে এই ধরনের কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে। জব্দ করা নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জালগুলো প্রকাশ্যে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ ও সরঞ্জামাদি বিক্রির টাকা সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে। দেশীয় মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণে আগামীতেও এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।"







খবর/তথ্যের বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিল আছে এবং আপত্তিজনক নয়- এমন মন্তব্যই প্রদর্শিত হবে। মন্তব্যগুলো পাঠকের নিজস্ব মতামত, সেবা হট নিউজ এর দায়ভার কখনই নেবে না।